ঢাকা ০৩:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo বোয়ালমারী মহিলা কলেজে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি, শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ব্যাহত Logo ‘অবসরের দুয়ারে দাঁড়িয়ে ন্যায়বিচারের আবেদন’—সংবাদ সম্মেলনে সাময়িক বরখাস্ত অধ্যক্ষ ফরিদ আহমেদ Logo বালিয়াকান্দিতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চারা ও কৃষি উপকরণ বিতরণ Logo ২০ মামলার পলাতক আসামি বোয়ালমারীতে ডিজে মাহফুজ আটক Logo শ্যামনগরে সংখ্যালঘু পরিবারকে দেশছাড়ার হুমকি, আতঙ্কিত দুই পরিবার Logo বোয়ালমারীতে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের চাল জব্দের ঘটনায় ষড়যন্ত্রের অভিযোগ, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন Logo চরভদ্রাসনে ভুল প্রশ্নপত্রে এসএসসি পরীক্ষা Logo বোয়ালমারীতে সাবেক কাউন্সিলরের বাড়ি থেকে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ৬৩০ কেজি চাল উদ্ধার Logo পরিকল্পিত হত্যা; না দুর্ঘটনাঃ অবশেষে হত্যা মামলা দায়ের  Logo বোয়ালমারীতে সাংবাদিকের বাবার মৃত্যু
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

বোয়ালমারীতে তদন্তে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে করা চাল আত্মসাতের অভিযোগের সত্যতা মেলেনি

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে এক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ভিজিডি কার্ডের চাল আত্মসাতের অভিযোগের সত্যতা পায়নি জেলা প্রশাসনের তদন্তকারী কর্মকর্তা। সোমবার (১৫ জুলাই) উপজেলার শেখর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল আহমেদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের তদন্ত হয়। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মেলেনি বলে জানান তদন্ত কর্মকর্তা ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের জেএম শাখার সহকারী কমিশনার ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সাজিদ উল মাহুমুদ। এসময় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য, চৌকিদার, স্থানীয় নাগরিক ও উপকারভোগীদের সঙ্গে কথা বলেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।

 

এর আগে গত ১২ জুন স্থানীয় কয়েকজন শেখর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল আহমেদের বিরুদ্ধে অসহায় হতদরিদ্রদের ভিজিডি কার্ডধারীদের চাল, টিসিবি কার্ড, সার, বীজ, হাটবাজারের ইজারার টাকা আত্মসাৎসহ বিভিন্ন অভিযোগে জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। এরপর জেলা প্রশাসকের নির্দেশে সোমবার ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের জেএম শাখার সহকারী কমিশনার ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সাজিদ উল মাহুমুদ ঘটনাস্থল শেখর গিয়ে তদন্ত করেন। তদন্তে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের কোন সত্যতা খুঁজে পায়নি।

 

এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান কামাল আহমেদ বলেন, আমি নিজের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে সাধারণ মানুষের মাঝে আর্থিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেই। আর আমার নামে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে নানা প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে সম্মানহানি করছেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা ও নানা মহলের লোকজনকে সামনে করে আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বলতে চাই সরকারিভাবে প্রাপ্ত জনগণের একটি টাকাও আমি আত্মসাৎ করি না।

 

জানতে চাইলে তদন্তকারী কর্মকর্তা ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের জেএম শাখার সহকারী কমিশনার ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সাজিদ উল মাহুমুদ বলেন, শেখর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেয়ে তদন্ত করতে স্থানীয় নাগরিক ও উপকারভোগীদের সঙ্গে কথা বলেছি। পাশাপাশি সবার সামনে উন্মুক্ত মতামত শুনেছি। তবে মতামতে চাল আত্মসাতের সত্যতা পাইনি। তবে টিসিবির পন্য ও ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে অফিস না করার বিষয়টি অধিকতর তদন্তের পরে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

ট্যাগস :

বোয়ালমারী মহিলা কলেজে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি, শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ব্যাহত

বোয়ালমারীতে তদন্তে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে করা চাল আত্মসাতের অভিযোগের সত্যতা মেলেনি

আপডেট সময় ১০:১২:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে এক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ভিজিডি কার্ডের চাল আত্মসাতের অভিযোগের সত্যতা পায়নি জেলা প্রশাসনের তদন্তকারী কর্মকর্তা। সোমবার (১৫ জুলাই) উপজেলার শেখর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল আহমেদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের তদন্ত হয়। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মেলেনি বলে জানান তদন্ত কর্মকর্তা ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের জেএম শাখার সহকারী কমিশনার ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সাজিদ উল মাহুমুদ। এসময় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য, চৌকিদার, স্থানীয় নাগরিক ও উপকারভোগীদের সঙ্গে কথা বলেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।

 

এর আগে গত ১২ জুন স্থানীয় কয়েকজন শেখর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল আহমেদের বিরুদ্ধে অসহায় হতদরিদ্রদের ভিজিডি কার্ডধারীদের চাল, টিসিবি কার্ড, সার, বীজ, হাটবাজারের ইজারার টাকা আত্মসাৎসহ বিভিন্ন অভিযোগে জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। এরপর জেলা প্রশাসকের নির্দেশে সোমবার ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের জেএম শাখার সহকারী কমিশনার ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সাজিদ উল মাহুমুদ ঘটনাস্থল শেখর গিয়ে তদন্ত করেন। তদন্তে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের কোন সত্যতা খুঁজে পায়নি।

 

এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান কামাল আহমেদ বলেন, আমি নিজের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে সাধারণ মানুষের মাঝে আর্থিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেই। আর আমার নামে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে নানা প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে সম্মানহানি করছেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা ও নানা মহলের লোকজনকে সামনে করে আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বলতে চাই সরকারিভাবে প্রাপ্ত জনগণের একটি টাকাও আমি আত্মসাৎ করি না।

 

জানতে চাইলে তদন্তকারী কর্মকর্তা ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের জেএম শাখার সহকারী কমিশনার ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সাজিদ উল মাহুমুদ বলেন, শেখর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেয়ে তদন্ত করতে স্থানীয় নাগরিক ও উপকারভোগীদের সঙ্গে কথা বলেছি। পাশাপাশি সবার সামনে উন্মুক্ত মতামত শুনেছি। তবে মতামতে চাল আত্মসাতের সত্যতা পাইনি। তবে টিসিবির পন্য ও ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে অফিস না করার বিষয়টি অধিকতর তদন্তের পরে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।