আপডেট সময়
১০:৩৯:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
১৩
বার পড়া হয়েছে
বোয়ালমারী মহিলা কলেজে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি, শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ব্যাহত
সিকদার শাহ আলম লিমনঃ ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার কাজী সিরাজুল ইসলাম মহিলা কলেজে সাময়িক বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ মো. ফরিদ আহমেদকে কেন্দ্র করে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অধ্যক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি এবং অভিযোগে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে কলেজ ক্যাম্পাস। একদিকে শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন, অন্যদিকে অধ্যক্ষের সংবাদ সম্মেলন—সব মিলিয়ে কলেজজুড়ে অস্থিরতা বিরাজ করছে। এতে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন মহল। গত বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে শিক্ষক, কর্মচারী ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তারা অভিযোগ করেন, দুর্নীতির অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ মো. ফরিদ আহমেদ শিক্ষক-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা করেছেন। তারা বলেন, তার বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কারণে কলেজের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। মানববন্ধন থেকে সাতজন শিক্ষক-কর্মচারীর বিরুদ্ধে দায়ের করা চুরি ও ডাকাতির মামলা প্রত্যাহার এবং কলেজে সুষ্ঠু ও নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়। কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. হোসনেয়ারা বেগম বলেন, দুর্নীতির অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ মো. ফরিদ আহমেদ শিক্ষক-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দায়ের, হেনস্তা ও সম্মানহানির মাধ্যমে কলেজের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করছেন। অন্যদিকে শুক্রবার (৩ জুলাই) বোয়ালমারী বাজারের একটি ভবনে সংবাদ সম্মেলন করেন সাময়িক বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ মো. ফরিদ আহমেদ। লিখিত বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, তাকে বিধি-বহির্ভূত ও অনিয়মতান্ত্রিকভাবে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং দীর্ঘদিন ধরে তার বেতন-ভাতা বন্ধ রাখা হয়েছে। তিনি জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর কলেজের কয়েকজন শিক্ষক-কর্মচারীর উসকানিতে বহিরাগত কিছু শিক্ষার্থী তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে পদত্যাগের দাবি জানায়। পরবর্তীতে একই বছরের ২৮ নভেম্বর পরিচালনা পর্ষদ তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে। তার অভিযোগ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী অভিযোগ তদন্ত ও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এমনকি এ বিষয়ে কোনো তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়নি। ফরিদ আহমেদ আরও দাবি করেন, উচ্চ আদালতের আদেশে চাকরি ও বেতন-ভাতার অধিকার ফিরে পেলেও তাকে কলেজে দায়িত্ব পালন করতে দেওয়া হচ্ছে না। এছাড়া সরকারি বাসভবন ছাড়তে অস্বীকৃতি জানানোয় তার বাসভবনে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এসব ঘটনার জন্য ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. হোসনেয়ারা বেগম, প্রভাষক দিল আশরাফী, অফিস সহকারী কামরুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, দীর্ঘদিন ধরে চলমান এই সংকটের দ্রুত, নিরপেক্ষ ও আইনসম্মত সমাধান প্রয়োজন। তাদের মতে, অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে বিধি অনুযায়ী চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং কলেজে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি।
সিকদার শাহ আলম লিমনঃ
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার কাজী সিরাজুল ইসলাম মহিলা কলেজে সাময়িক বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ মো. ফরিদ আহমেদকে কেন্দ্র করে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অধ্যক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি এবং অভিযোগে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে কলেজ ক্যাম্পাস। একদিকে শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন, অন্যদিকে অধ্যক্ষের সংবাদ সম্মেলন—সব মিলিয়ে কলেজজুড়ে অস্থিরতা বিরাজ করছে। এতে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন মহল।
গত বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে শিক্ষক, কর্মচারী ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তারা অভিযোগ করেন, দুর্নীতির অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ মো. ফরিদ আহমেদ শিক্ষক-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা করেছেন। তারা বলেন, তার বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কারণে কলেজের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। মানববন্ধন থেকে সাতজন শিক্ষক-কর্মচারীর বিরুদ্ধে দায়ের করা চুরি ও ডাকাতির মামলা প্রত্যাহার এবং কলেজে সুষ্ঠু ও নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।
কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. হোসনেয়ারা বেগম বলেন, দুর্নীতির অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ মো. ফরিদ আহমেদ শিক্ষক-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দায়ের, হেনস্তা ও সম্মানহানির মাধ্যমে কলেজের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করছেন।
অন্যদিকে শুক্রবার (৩ জুলাই) বোয়ালমারী বাজারের একটি ভবনে সংবাদ সম্মেলন করেন সাময়িক বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ মো. ফরিদ আহমেদ। লিখিত বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, তাকে বিধি-বহির্ভূত ও অনিয়মতান্ত্রিকভাবে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং দীর্ঘদিন ধরে তার বেতন-ভাতা বন্ধ রাখা হয়েছে।
তিনি জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর কলেজের কয়েকজন শিক্ষক-কর্মচারীর উসকানিতে বহিরাগত কিছু শিক্ষার্থী তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে পদত্যাগের দাবি জানায়। পরবর্তীতে একই বছরের ২৮ নভেম্বর পরিচালনা পর্ষদ তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে। তার অভিযোগ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী অভিযোগ তদন্ত ও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এমনকি এ বিষয়ে কোনো তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়নি।
ফরিদ আহমেদ আরও দাবি করেন, উচ্চ আদালতের আদেশে চাকরি ও বেতন-ভাতার অধিকার ফিরে পেলেও তাকে কলেজে দায়িত্ব পালন করতে দেওয়া হচ্ছে না। এছাড়া সরকারি বাসভবন ছাড়তে অস্বীকৃতি জানানোয় তার বাসভবনে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এসব ঘটনার জন্য ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. হোসনেয়ারা বেগম, প্রভাষক দিল আশরাফী, অফিস সহকারী কামরুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, দীর্ঘদিন ধরে চলমান এই সংকটের দ্রুত, নিরপেক্ষ ও আইনসম্মত সমাধান প্রয়োজন। তাদের মতে, অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে বিধি অনুযায়ী চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং কলেজে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি।