আপডেট সময়
০৬:৩০:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
২
বার পড়া হয়েছে
বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে ইইউ প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ
রাজনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির এবং বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলের প্রধান ও রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার। রাজধানীর বসুন্ধরায় অবস্থিত বিরোধীদলীয় নেতার কার্যালয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। এই সাক্ষাতের সময় রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দূতাবাসের ফার্স্ট কাউন্সেলর ও রাজনৈতিক কর্মকর্তা কামিলা পার্টিকা উপস্থিত ছিলেন। উভয় পক্ষের এই আলাপচারিতায় বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যকার পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে স্থান পায়। কূটনৈতিক মহলের মতে, এই বৈঠকের মাধ্যমে দুই পক্ষের মধ্যকার বোঝাপড়া আরও সুদৃঢ় হবে এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন মাত্রায় উন্নীত হবে।বৈঠক চলাকালে দেশের চলমান সংস্কার প্রক্রিয়া এবং জাতীয় সংসদের সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে জাতীয় সংসদে সরকারি দল ও বিরোধী দলের কার্যকর ভূমিকা কেমন হওয়া উচিত, তা নিয়ে উভয়পক্ষ খোলামেলা আলোচনা করেন। এছাড়া জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় যথাযথভাবে বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়েও বৈঠকে চুলচেরা বিশ্লেষণ হয়। দেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার সাধনে এই বিষয়গুলো অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে বৈঠকে মত প্রকাশ করা হয়।বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে, পুরো বৈঠকটি অত্যন্ত আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। দুই পক্ষের আলোচনায় পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো প্রসারিত করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। ভবিষ্যতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার বিষয়ে উভয়েই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বিশেষ করে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং গণতান্ত্রিক অগ্রগতির ধারা অব্যাহত রাখতে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।এই সৌজন্য সাক্ষাতে জামায়াত আমিরের সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান এমপি এবং পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর। বৈঠকে উপস্থিত নেতারা বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে অতিথিদের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা করেন। এই বৈঠকের মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও অর্থবহ হয়ে উঠবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।
রাজনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির এবং বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলের প্রধান ও রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার। রাজধানীর বসুন্ধরায় অবস্থিত বিরোধীদলীয় নেতার কার্যালয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। এই সাক্ষাতের সময় রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দূতাবাসের ফার্স্ট কাউন্সেলর ও রাজনৈতিক কর্মকর্তা কামিলা পার্টিকা উপস্থিত ছিলেন। উভয় পক্ষের এই আলাপচারিতায় বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যকার পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে স্থান পায়। কূটনৈতিক মহলের মতে, এই বৈঠকের মাধ্যমে দুই পক্ষের মধ্যকার বোঝাপড়া আরও সুদৃঢ় হবে এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন মাত্রায় উন্নীত হবে।
বৈঠক চলাকালে দেশের চলমান সংস্কার প্রক্রিয়া এবং জাতীয় সংসদের সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে জাতীয় সংসদে সরকারি দল ও বিরোধী দলের কার্যকর ভূমিকা কেমন হওয়া উচিত, তা নিয়ে উভয়পক্ষ খোলামেলা আলোচনা করেন। এছাড়া জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় যথাযথভাবে বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়েও বৈঠকে চুলচেরা বিশ্লেষণ হয়। দেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার সাধনে এই বিষয়গুলো অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে বৈঠকে মত প্রকাশ করা হয়।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে, পুরো বৈঠকটি অত্যন্ত আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। দুই পক্ষের আলোচনায় পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো প্রসারিত করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। ভবিষ্যতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার বিষয়ে উভয়েই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বিশেষ করে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং গণতান্ত্রিক অগ্রগতির ধারা অব্যাহত রাখতে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
এই সৌজন্য সাক্ষাতে জামায়াত আমিরের সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান এমপি এবং পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর। বৈঠকে উপস্থিত নেতারা বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে অতিথিদের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা করেন। এই বৈঠকের মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও অর্থবহ হয়ে উঠবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।