ঢাকা ১১:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo ৭ নভেম্বর ও জুলাই অভ্যুত্থানের একক দাবিদার কেউ নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo কীভাবে চলে মারিয়া–রমেশের সংসার Logo এইচএসসিতে ১০ লাখের বেশি উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের আবেদন, সময় আরও বেড়েছে Logo কুড়িয়ে পাওয়া টাকার মালিকের খোঁজে মাইকিং টেক্সটাইল শ্রমিকের Logo খাজা বই লিখে কত টাকা পাচ্ছেন, অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা প্রশ্ন কোচের Logo পাথরের ব্যবসা ছেড়ে কৃষি উদ্যোক্তা মনিরুজ্জামান, অনাবাদি জমিতে গড়েছেন সমন্বিত খামার Logo মেঘনার বুকে ১৭ কেজির কাতলা, বিক্রি হলো ১৭ হাজার ৫০০ টাকায় Logo ৭ নভেম্বর ও চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে বিএনপির দ্বিচারিতা আছে: হাসনাত Logo বৃষ্টি হওয়ার সময় পড়ার দোয়া Logo রাসেল লজ অবসায়নে আপিল বিভাগের যুগান্তকারী রায়
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

বিএসএসপি বিশ্ব শান্তি কুঠিরে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো দানোত্তম কঠিন চীবর দান

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:৪৫:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

ধর্ম ডেস্ক: রাজধানীর উত্তরার ১৭ নম্বর সেক্টরে অবস্থিত বিএসএসপি বিশ্ব শান্তি কুটিরে সম্প্রতি ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে প্রথমবারের মতো দানোত্তম কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানী ঢাকায় বসবাসরত বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা ও উদ্যোগে আয়োজিত এই দিনব্যাপী ধর্মীয় উৎসবটি স্থানীয় সম্প্রদায়ের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার সৃষ্টি করে। মনোরম ও শান্ত পরিবেশে নবপ্রতিষ্ঠিত এই ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে এমন একটি বড় আয়োজন সম্পন্ন হওয়ায় অংশ নেওয়া মানুষেরা অত্যন্ত আনন্দ প্রকাশ করেন।

দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে ভিক্ষু সংঘের প্রধান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রবীণ বৌদ্ধ ভিক্ষু ভদন্ত শাসনরক্ষিত মহাথেরসহ অন্যান্য ভিক্ষুরা। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন জাতীয় সংসদের রাঙামাটি আসনের সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমাসহ ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন এলাকার বৌদ্ধ উপাসক-উপাসিকারা। আমন্ত্রিত অতিথিদের উপস্থিতি এবং ধর্মীয় গুণীজনদের সান্নিধ্যে অনুষ্ঠানটি এক অনন্য মিলনমেলায় পরিণত হয়।

পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে কর্ম বা অন্য কোনো কারণে ঢাকায় এসে বসবাস করা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের উদ্যোগে এই শান্তি কুটিরটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। নবনির্মিত এই ধর্মীয় কেন্দ্রে কঠিন চীবর দানের মতো একটি শ্রেষ্ঠ ও পবিত্র অনুষ্ঠান আয়োজন স্থানীয় সম্প্রদায়ের জন্য বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। আয়োজকদের মতে, প্রবাসে থেকেও নিজেদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বজায় রাখতে এই ধরনের অনুষ্ঠান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

উল্লেখ্য, বৌদ্ধ ধর্মীয় ঐতিহ্য অনুযায়ী তিন মাসের বর্ষাবাস সমাপ্তির পর প্রবারণা পূর্ণিমা থেকে কার্তিকী পূর্ণিমা পর্যন্ত নির্দিষ্ট নিয়মে কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের কাছে এটি দানোত্তম বা সর্বশ্রেষ্ঠ দান হিসেবে বিবেচিত হয় এবং এর মাধ্যমে অসীম পুণ্য অর্জিত হয় বলে বিশ্বাস করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে সমগ্র দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং বিশ্বের সব মানুষের সুখ-শান্তি কামনা করে বিশেষ প্রার্থনা পরিচালনা করা হয়।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

৭ নভেম্বর ও জুলাই অভ্যুত্থানের একক দাবিদার কেউ নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিএসএসপি বিশ্ব শান্তি কুঠিরে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো দানোত্তম কঠিন চীবর দান

আপডেট সময় ০৬:৪৫:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

ধর্ম ডেস্ক: রাজধানীর উত্তরার ১৭ নম্বর সেক্টরে অবস্থিত বিএসএসপি বিশ্ব শান্তি কুটিরে সম্প্রতি ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে প্রথমবারের মতো দানোত্তম কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানী ঢাকায় বসবাসরত বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা ও উদ্যোগে আয়োজিত এই দিনব্যাপী ধর্মীয় উৎসবটি স্থানীয় সম্প্রদায়ের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার সৃষ্টি করে। মনোরম ও শান্ত পরিবেশে নবপ্রতিষ্ঠিত এই ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে এমন একটি বড় আয়োজন সম্পন্ন হওয়ায় অংশ নেওয়া মানুষেরা অত্যন্ত আনন্দ প্রকাশ করেন।

দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে ভিক্ষু সংঘের প্রধান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রবীণ বৌদ্ধ ভিক্ষু ভদন্ত শাসনরক্ষিত মহাথেরসহ অন্যান্য ভিক্ষুরা। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন জাতীয় সংসদের রাঙামাটি আসনের সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমাসহ ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন এলাকার বৌদ্ধ উপাসক-উপাসিকারা। আমন্ত্রিত অতিথিদের উপস্থিতি এবং ধর্মীয় গুণীজনদের সান্নিধ্যে অনুষ্ঠানটি এক অনন্য মিলনমেলায় পরিণত হয়।

পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে কর্ম বা অন্য কোনো কারণে ঢাকায় এসে বসবাস করা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের উদ্যোগে এই শান্তি কুটিরটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। নবনির্মিত এই ধর্মীয় কেন্দ্রে কঠিন চীবর দানের মতো একটি শ্রেষ্ঠ ও পবিত্র অনুষ্ঠান আয়োজন স্থানীয় সম্প্রদায়ের জন্য বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। আয়োজকদের মতে, প্রবাসে থেকেও নিজেদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বজায় রাখতে এই ধরনের অনুষ্ঠান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

উল্লেখ্য, বৌদ্ধ ধর্মীয় ঐতিহ্য অনুযায়ী তিন মাসের বর্ষাবাস সমাপ্তির পর প্রবারণা পূর্ণিমা থেকে কার্তিকী পূর্ণিমা পর্যন্ত নির্দিষ্ট নিয়মে কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের কাছে এটি দানোত্তম বা সর্বশ্রেষ্ঠ দান হিসেবে বিবেচিত হয় এবং এর মাধ্যমে অসীম পুণ্য অর্জিত হয় বলে বিশ্বাস করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে সমগ্র দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং বিশ্বের সব মানুষের সুখ-শান্তি কামনা করে বিশেষ প্রার্থনা পরিচালনা করা হয়।