ঢাকা ০২:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo এক দফা আদায়ে সময়মতো ডাক আসবে, ঢাকায় সমবেত হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকুন: মামুনুল হক Logo বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ, জয়ের কাছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ Logo এইচএসসিতে ছাত্রদের অর্ধেকই ফেল, ছাত্রী ৪৩.৬৯ শতাংশ Logo এক মাসের মধ্যে ফের পরীক্ষা দিতে পারবে সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্যরা Logo লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে ছিল না এনসিপি, গাড়িবহরে ৪ নেতা Logo চাকরির বেতন ১০ হাজার, ব্যাংকে ঢুকল ১০ হাজার কোটি Logo সরকার জনগণের কাঁধে স্বৈরাচার চাপিয়ে দিতে চায়: শফিকুর রহমান Logo এইচএসসি ও সমমানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪০ হাজার Logo এইচএসসি ও সমমান: ‎২৯৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ, শতভাগ পাস ১৩৯টিতে Logo যশোর বোর্ডে পাসের হার ৪৪ দশমিক ৯২ শতাংশ
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

বিএনপি গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করলে চড়া মূল্য দিতে হবে: বিরোধীদলীয় নেতা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:৩০:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

রাজনীতি ডেস্ক: বিএনপি যদি জনগণের গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে, তবে দলটিকে এর জন্য চড়া মূল্য দিতে হবে বলে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকার বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ গেটে আয়োজিত এক বিশাল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন। ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে খুলনা ও কুষ্টিয়া অভিমুখে আয়োজিত লংমার্চের উদ্বোধনী উপলক্ষে ওই সমাবেშের আয়োজন করা হয়েছিল, যেখানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শফিকুর রহমান বলেন যে বর্তমান সরকার বা বিএনপি জনগণের বিশ্বাস পুরোপুরি ভঙ্গ করেছে এবং দেশবাসীকে চরমভাবে আশাহত করেছে। অতীতের বিভিন্ন রাজনৈতিক ভুল বা ব্যর্থতা থেকে দলটি কোনো ধরনের শিক্ষা নেয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। উল্টো তারা একের পর এক রাজনৈতিক জটিলতা ও জঞ্জাল তৈরি করে চলেছে বলে মন্তব্য করেন এই বিরোধীদলীয় নেতা। তিনি স্পষ্ট করে জানান যে তাদের এই আন্দোলন বা লংমার্চ কোনো ধরনের ব্যক্তিগত কিংবা সংকীর্ণ দলীয় দাবি আদায়ের জন্য নয়, বরং এটি সরাসরি আপামর জনসাধারণের মৌলিক অধিকার রক্ষার আন্দোলন।

অনুষ্ঠানে এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত অলি আহমেদ বলেন যে দেশের সামগ্রিক শাসনব্যবস্থা ও প্রশাসনিক কাঠামো সঠিক না থাকলে রাষ্ট্র কখনো সুন্দরভাবে চলতে পারে না। বর্তমান সরকারের আমলে দেশের বিভিন্ন স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান ও কর্পোরেশনগুলোকে দলীয় কার্যালয়ে পরিণত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক তাঁর বক্তব্যে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের ঊর্ধ্বগতির কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন যে রাষ্ট্র পরিচালনার মূল সমস্যা হলো সংবিধান সংস্কার না করা এবং গণভোটের রায় কার্যকর না করা।

উদ্বোধনী সমাবেশ শেষে ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতা ও কর্মীরা নির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে লংমার্চ নিয়ে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হন। পূর্বঘোষিত সূচি অনুযায়ী এই লংমার্চের পথিমধ্যে শরীয়তপুর, বাগেরহাট, খুলনা, যশোর ও ঝিনাইদহে একাধিক পথসভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সবশেষে কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে একটি বড় সমাপনী সমাবেশের মধ্য দিয়ে এই লংমার্চের কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত হওয়ার কথা রয়েছে।

ট্যাগস :

এক দফা আদায়ে সময়মতো ডাক আসবে, ঢাকায় সমবেত হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকুন: মামুনুল হক

বিএনপি গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করলে চড়া মূল্য দিতে হবে: বিরোধীদলীয় নেতা

আপডেট সময় ১০:৩০:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

রাজনীতি ডেস্ক: বিএনপি যদি জনগণের গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে, তবে দলটিকে এর জন্য চড়া মূল্য দিতে হবে বলে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকার বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ গেটে আয়োজিত এক বিশাল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন। ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে খুলনা ও কুষ্টিয়া অভিমুখে আয়োজিত লংমার্চের উদ্বোধনী উপলক্ষে ওই সমাবেშের আয়োজন করা হয়েছিল, যেখানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শফিকুর রহমান বলেন যে বর্তমান সরকার বা বিএনপি জনগণের বিশ্বাস পুরোপুরি ভঙ্গ করেছে এবং দেশবাসীকে চরমভাবে আশাহত করেছে। অতীতের বিভিন্ন রাজনৈতিক ভুল বা ব্যর্থতা থেকে দলটি কোনো ধরনের শিক্ষা নেয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। উল্টো তারা একের পর এক রাজনৈতিক জটিলতা ও জঞ্জাল তৈরি করে চলেছে বলে মন্তব্য করেন এই বিরোধীদলীয় নেতা। তিনি স্পষ্ট করে জানান যে তাদের এই আন্দোলন বা লংমার্চ কোনো ধরনের ব্যক্তিগত কিংবা সংকীর্ণ দলীয় দাবি আদায়ের জন্য নয়, বরং এটি সরাসরি আপামর জনসাধারণের মৌলিক অধিকার রক্ষার আন্দোলন।

অনুষ্ঠানে এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত অলি আহমেদ বলেন যে দেশের সামগ্রিক শাসনব্যবস্থা ও প্রশাসনিক কাঠামো সঠিক না থাকলে রাষ্ট্র কখনো সুন্দরভাবে চলতে পারে না। বর্তমান সরকারের আমলে দেশের বিভিন্ন স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান ও কর্পোরেশনগুলোকে দলীয় কার্যালয়ে পরিণত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক তাঁর বক্তব্যে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের ঊর্ধ্বগতির কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন যে রাষ্ট্র পরিচালনার মূল সমস্যা হলো সংবিধান সংস্কার না করা এবং গণভোটের রায় কার্যকর না করা।

উদ্বোধনী সমাবেশ শেষে ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতা ও কর্মীরা নির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে লংমার্চ নিয়ে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হন। পূর্বঘোষিত সূচি অনুযায়ী এই লংমার্চের পথিমধ্যে শরীয়তপুর, বাগেরহাট, খুলনা, যশোর ও ঝিনাইদহে একাধিক পথসভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সবশেষে কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে একটি বড় সমাপনী সমাবেশের মধ্য দিয়ে এই লংমার্চের কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত হওয়ার কথা রয়েছে।