আপডেট সময়
০৮:৪৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
৪
বার পড়া হয়েছে
প্রাথমিকের বাংলা বইয়ে নৌকার ছড়াছড়ি
জাতীয় ডেস্ক: আসন্ন ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের প্রাথমিক স্তরের বাংলা পাঠ্যবইগুলোতে নৌকার ছবির অস্বাভাবিক উপস্থিতি নিয়ে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে অনলাইন অ্যাকটিভিস্টদের একটি বড় অংশ প্রথম এবং তৃতীয় শ্রেণির বাংলা বইয়ের বিভিন্ন পাতায় অতিরিক্ত পরিমাণে নৌকার ছবি ব্যবহারের বিষয়টি জোরালোভাবে তুলে ধরেছেন। তাদের দাবি, শিশুদের পাঠ্যবইয়ে কোনো একটি নির্দিষ্ট প্রতীক বা বস্তুকে এভাবে বারবার উপস্থাপন করার পেছনে কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য থাকতে পারে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলার অবকাশ রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সচেতন মহলে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন পোস্টে দাবি করা হয়েছে যে, প্রথম শ্রেণির বাংলা বইয়ে অন্তত ৩০টি এবং তৃতীয় শ্রেণির বইয়ে ২৪টি নৌকার ছবি রয়েছে। অর্থাৎ এই দুটি শ্রেণি মিলেই ৫৪টিরও বেশি নৌকার ছবি স্থান পেয়েছে, যা নিয়ে অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট খালিদ মোহাম্মদসহ অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন যে, শিশুদের বর্ণমালা পরিচিতি, শব্দ গঠন কিংবা ছবি দেখে শেখার মতো প্রাথমিক পাঠগুলোতে কেন বারবার একই প্রতীকের পুনরাবৃত্তি করা হলো। এছাড়া জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) অভ্যন্তরে এখনও কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রভাব রয়ে গেছে কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবিও তুলেছেন কেউ কেউ।তবে এই সমালোচনার বিপরীতে ভিন্নমতও প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টদের একটি অংশ। তাদের মতে, বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক দেশ হওয়ায় এ দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং গ্রামীণ জনপদের বাস্তব চিত্র তুলে ধরার ক্ষেত্রে নৌকার ব্যবহার অত্যন্ত স্বাভাবিক ও যুক্তিযুক্ত। গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং সংস্কৃতির সঙ্গে নৌকার গভীর মেলবন্ধন রয়েছে, যা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের দেশের নিসর্গ ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত করতে সাহায্য করে। নদীপ্রধান জনপদের জীবিকা ও সংস্কৃতির প্রতীক হিসেবে নৌকার ছবি পাঠ্যবইয়ে থাকাটা শিক্ষণীয় হতে পারে বলে মনে করছেন তারা।অন্যদিকে, চিত্রের এই আধিক্য নিয়ে শিক্ষাবিদ ও সচেতন নাগরিকদের একাংশ মনে করছেন যে, একই ধরনের ছবির বারবার ব্যবহার শিশুদের শেখার আগ্রহ ও বৈচিত্র্য কিছুটা সীমিত করতে পারে। নৌকার পাশাপাশি দেশের পরিবেশ, ভিন্ন ভিন্ন পেশা, পশুপাখি, গাছপালা এবং দৈনন্দিন জীবনের নানা বহুমাত্রিক উপাদান ফুটিয়ে তুললে পাঠ্যবইগুলো আরও আকর্ষণীয় হতে পারত। প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে ছবি কেবল বইয়ের অলংকার নয়, বরং এটি শেখার একটি অত্যন্ত কার্যকর মাধ্যম। তাই পাঠ্যবইয়ের প্রতিটি ছবির ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিকতা, বয়সভিত্তিক উপযোগিতা এবং বৈচিত্র্য বজায় রাখা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
জাতীয় ডেস্ক: আসন্ন ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের প্রাথমিক স্তরের বাংলা পাঠ্যবইগুলোতে নৌকার ছবির অস্বাভাবিক উপস্থিতি নিয়ে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে অনলাইন অ্যাকটিভিস্টদের একটি বড় অংশ প্রথম এবং তৃতীয় শ্রেণির বাংলা বইয়ের বিভিন্ন পাতায় অতিরিক্ত পরিমাণে নৌকার ছবি ব্যবহারের বিষয়টি জোরালোভাবে তুলে ধরেছেন। তাদের দাবি, শিশুদের পাঠ্যবইয়ে কোনো একটি নির্দিষ্ট প্রতীক বা বস্তুকে এভাবে বারবার উপস্থাপন করার পেছনে কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য থাকতে পারে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলার অবকাশ রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সচেতন মহলে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন পোস্টে দাবি করা হয়েছে যে, প্রথম শ্রেণির বাংলা বইয়ে অন্তত ৩০টি এবং তৃতীয় শ্রেণির বইয়ে ২৪টি নৌকার ছবি রয়েছে। অর্থাৎ এই দুটি শ্রেণি মিলেই ৫৪টিরও বেশি নৌকার ছবি স্থান পেয়েছে, যা নিয়ে অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট খালিদ মোহাম্মদসহ অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন যে, শিশুদের বর্ণমালা পরিচিতি, শব্দ গঠন কিংবা ছবি দেখে শেখার মতো প্রাথমিক পাঠগুলোতে কেন বারবার একই প্রতীকের পুনরাবৃত্তি করা হলো। এছাড়া জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) অভ্যন্তরে এখনও কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রভাব রয়ে গেছে কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবিও তুলেছেন কেউ কেউ।
তবে এই সমালোচনার বিপরীতে ভিন্নমতও প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টদের একটি অংশ। তাদের মতে, বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক দেশ হওয়ায় এ দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং গ্রামীণ জনপদের বাস্তব চিত্র তুলে ধরার ক্ষেত্রে নৌকার ব্যবহার অত্যন্ত স্বাভাবিক ও যুক্তিযুক্ত। গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং সংস্কৃতির সঙ্গে নৌকার গভীর মেলবন্ধন রয়েছে, যা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের দেশের নিসর্গ ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত করতে সাহায্য করে। নদীপ্রধান জনপদের জীবিকা ও সংস্কৃতির প্রতীক হিসেবে নৌকার ছবি পাঠ্যবইয়ে থাকাটা শিক্ষণীয় হতে পারে বলে মনে করছেন তারা।
অন্যদিকে, চিত্রের এই আধিক্য নিয়ে শিক্ষাবিদ ও সচেতন নাগরিকদের একাংশ মনে করছেন যে, একই ধরনের ছবির বারবার ব্যবহার শিশুদের শেখার আগ্রহ ও বৈচিত্র্য কিছুটা সীমিত করতে পারে। নৌকার পাশাপাশি দেশের পরিবেশ, ভিন্ন ভিন্ন পেশা, পশুপাখি, গাছপালা এবং দৈনন্দিন জীবনের নানা বহুমাত্রিক উপাদান ফুটিয়ে তুললে পাঠ্যবইগুলো আরও আকর্ষণীয় হতে পারত। প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে ছবি কেবল বইয়ের অলংকার নয়, বরং এটি শেখার একটি অত্যন্ত কার্যকর মাধ্যম। তাই পাঠ্যবইয়ের প্রতিটি ছবির ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিকতা, বয়সভিত্তিক উপযোগিতা এবং বৈচিত্র্য বজায় রাখা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।