ঢাকা ১১:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo কীভাবে চলে মারিয়া–রমেশের সংসার Logo এইচএসসিতে ১০ লাখের বেশি উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের আবেদন, সময় আরও বেড়েছে Logo কুড়িয়ে পাওয়া টাকার মালিকের খোঁজে মাইকিং টেক্সটাইল শ্রমিকের Logo খাজা বই লিখে কত টাকা পাচ্ছেন, অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা প্রশ্ন কোচের Logo পাথরের ব্যবসা ছেড়ে কৃষি উদ্যোক্তা মনিরুজ্জামান, অনাবাদি জমিতে গড়েছেন সমন্বিত খামার Logo মেঘনার বুকে ১৭ কেজির কাতলা, বিক্রি হলো ১৭ হাজার ৫০০ টাকায় Logo ৭ নভেম্বর ও চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে বিএনপির দ্বিচারিতা আছে: হাসনাত Logo বৃষ্টি হওয়ার সময় পড়ার দোয়া Logo রাসেল লজ অবসায়নে আপিল বিভাগের যুগান্তকারী রায় Logo মানুষ যখন ন্যায়বিচার পায় না তখন নিজেরাই প্রতিরোধ শুরু করে: নাহিদ ইসলাম
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

‘পৃথিবীর ধ্বংস ১৩ই নভেম্বর’- ৬৬ বছর আগের ভবিষ্যদ্বাণী নিয়ে আবারও বিতর্ক কেন?

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:৪৫:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পৃথিবীর ধ্বংস বা মহাপ্রলয় নিয়ে মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। এর মাঝেই গত শতাব্দীর ষাটের দশকের একটি পুরোনো বৈজ্ঞানিক গবেষণার প্রসঙ্গ টেনে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আগামী ১৩ নভেম্বর শুক্রবার মানবসভ্যতার অন্তিম লগ্ন উপস্থিত হতে পারে—এমন একটি তাত্ত্বিক দাবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিশ্বজুড়ে নানামুখী আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে আধুনিক বিজ্ঞানীরা এই ধারণাকে নিছক একটি গাণিতিক কৌতুক ও অনুমান ছাড়া আর কিছুই বলে মনে করছেন না।

এই আলোচনার মূল উৎস হলো ১৯৬০ সালের ৪ নভেম্বর মার্কিন বিজ্ঞান বিষয়ক মর্যাদাপূর্ণ সাময়িকী সায়েন্স-এ প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্র। সে সময় ফেইনস্টার হেইনজ, সেবাস্টিয়ান ফোরস্টার এবং লরেন্স ই. লস নামের তিনজন গবেষক ওই প্রবন্ধ প্রকাশ করেছিলেন। তাদের সেই গবেষণার শিরোনাম ছিল অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর—ডুমসডে: ফ্রাইডে, নভেম্বর ১৩। অর্থাৎ ত্রয়োদশ শতাব্দীর কোনো এক শুক্রবার মানবজাতির পতন ঘটবে এমন একটি গাণিতিক মডেল তাঁরা সেদিন উপস্থাপন করেছিলেন।

মূলত মানুষের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার এবং সেই অনুযায়ী পৃথিবীর সম্পদ ফুরিয়ে যাওয়ার প্রবণতা বিশ্লেষণ করে ওই গবেষক দল একটি প্রতীকী মডেল তৈরি করেছিলেন। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল বাস্তবসম্মত কোনো ধ্বংসের দিন ঘোষণা করা নয়, বরং অতিরিক্ত জনসংখ্যার লাগাম টেনে ধরতে বিশ্ববাসীকে সচেতন করা। কিন্তু বৈজ্ঞানিক পরিভাষায় করা সেই গবেষণার ফল সাধারণ মানুষের কাছে ভিন্নভাবে উপস্থাপিত হওয়ায় তখন থেকেই নানা বিভ্রান্তির ডালপালা গজাতে শুরু করে।

বর্তমানে ইন্টারনেটের কল্যাণে সেই পুরোনো ভবিষ্যদ্বাণীটি নতুন আঙ্গিকে সামনে আসায় তা আবারও ভাইরাল হয়েছে। অনেক কৌতূহলী মানুষ বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নানা রকম মন্তব্য প্রকাশ করছেন। তবে জ্যোতির্বিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞান বিশেষজ্ঞরা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, ওই গবেষণার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই এবং পৃথিবীর ধ্বংসের সময় নির্ধারণ করার মতো কোনো প্রযুক্তি বা অলৌকিক জ্ঞান মানুষের আয়ত্তে নেই।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কীভাবে চলে মারিয়া–রমেশের সংসার

‘পৃথিবীর ধ্বংস ১৩ই নভেম্বর’- ৬৬ বছর আগের ভবিষ্যদ্বাণী নিয়ে আবারও বিতর্ক কেন?

আপডেট সময় ০৫:৪৫:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পৃথিবীর ধ্বংস বা মহাপ্রলয় নিয়ে মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। এর মাঝেই গত শতাব্দীর ষাটের দশকের একটি পুরোনো বৈজ্ঞানিক গবেষণার প্রসঙ্গ টেনে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আগামী ১৩ নভেম্বর শুক্রবার মানবসভ্যতার অন্তিম লগ্ন উপস্থিত হতে পারে—এমন একটি তাত্ত্বিক দাবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিশ্বজুড়ে নানামুখী আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে আধুনিক বিজ্ঞানীরা এই ধারণাকে নিছক একটি গাণিতিক কৌতুক ও অনুমান ছাড়া আর কিছুই বলে মনে করছেন না।

এই আলোচনার মূল উৎস হলো ১৯৬০ সালের ৪ নভেম্বর মার্কিন বিজ্ঞান বিষয়ক মর্যাদাপূর্ণ সাময়িকী সায়েন্স-এ প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্র। সে সময় ফেইনস্টার হেইনজ, সেবাস্টিয়ান ফোরস্টার এবং লরেন্স ই. লস নামের তিনজন গবেষক ওই প্রবন্ধ প্রকাশ করেছিলেন। তাদের সেই গবেষণার শিরোনাম ছিল অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর—ডুমসডে: ফ্রাইডে, নভেম্বর ১৩। অর্থাৎ ত্রয়োদশ শতাব্দীর কোনো এক শুক্রবার মানবজাতির পতন ঘটবে এমন একটি গাণিতিক মডেল তাঁরা সেদিন উপস্থাপন করেছিলেন।

মূলত মানুষের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার এবং সেই অনুযায়ী পৃথিবীর সম্পদ ফুরিয়ে যাওয়ার প্রবণতা বিশ্লেষণ করে ওই গবেষক দল একটি প্রতীকী মডেল তৈরি করেছিলেন। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল বাস্তবসম্মত কোনো ধ্বংসের দিন ঘোষণা করা নয়, বরং অতিরিক্ত জনসংখ্যার লাগাম টেনে ধরতে বিশ্ববাসীকে সচেতন করা। কিন্তু বৈজ্ঞানিক পরিভাষায় করা সেই গবেষণার ফল সাধারণ মানুষের কাছে ভিন্নভাবে উপস্থাপিত হওয়ায় তখন থেকেই নানা বিভ্রান্তির ডালপালা গজাতে শুরু করে।

বর্তমানে ইন্টারনেটের কল্যাণে সেই পুরোনো ভবিষ্যদ্বাণীটি নতুন আঙ্গিকে সামনে আসায় তা আবারও ভাইরাল হয়েছে। অনেক কৌতূহলী মানুষ বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নানা রকম মন্তব্য প্রকাশ করছেন। তবে জ্যোতির্বিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞান বিশেষজ্ঞরা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, ওই গবেষণার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই এবং পৃথিবীর ধ্বংসের সময় নির্ধারণ করার মতো কোনো প্রযুক্তি বা অলৌকিক জ্ঞান মানুষের আয়ত্তে নেই।