জাতীয় ডেস্ক: নোয়াখালী জেলায় সার ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও দলীয়করণের অভিযোগ তুলেছে জামায়াতে ইসলামী। সম্প্রতি জেলা জামায়াতের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ তুলে ধরে দলটির পক্ষ থেকে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠনের জোর দাবি জানানো হয়েছে। জেলা জামায়াতের আমির ইসহাক খন্দকার সংবাদ সম্মেলনে সশরীরে উপস্থিত থেকে এই গুরুতর অভিযোগগুলো গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা এবং সারের সুষ্ঠু বিতরণ নিশ্চিত করতে অবিলম্বে এই পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয় যে, সার ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের সুনির্দিষ্ট নীতিমালা বা নিয়মকানুন সঠিকভাবে অনুসরণ করা হয়নি। যাদের সার ব্যবসার কোনো পূর্বঅভিজ্ঞতা নেই, নিজস্ব দোকান কিংবা নির্ধারিত গুদাম নেই—এমন অযোগ্য ব্যক্তিদেরও রাজনৈতিক বিবেচনায় ডিলারশিপ পাইয়ে দেওয়া হয়েছে। এমনকি কোথাও কোথাও কৃষি কর্মকর্তার নিকটাত্মীয়কে ডিলারশিপ দেওয়ার মতো অনৈতিক ঘটনার তথ্যও পাওয়া গেছে। পক্ষান্তরে, দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন এবং যাদের নিজস্ব অবকাঠামোগত সক্ষমতা রয়েছে, এমন বহু প্রকৃত ব্যবসায়ী ডিলারশিপ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।অভিজ্ঞতাহীন ও অনভিজ্ঞ ব্যক্তিদের হাতে সারের মতো কৃষিপণ্যের ডিলারশিপ তুলে দেওয়ায় সার সংরক্ষণ ও বিতরণ ব্যবস্থা নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জামায়াত নেতারা। তাঁদের আশঙ্কা, এই অব্যবস্থাপনার সুযোগ নিয়ে অতীতে ভারতের পাশাপাশি এবার মিয়ানমারেও সার পাচার হওয়ার গুরুতর ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। কৃষকদের জন্য বরাদ্দ করা সার এভাবে দেশের বাইরে পাচার হয়ে গেলে স্থানীয় বাজারে কৃত্রিম সংকট দেখা দিতে পারে। শুধু তাই নয়, পাচারের এই চোরাৈপথ ব্যবহার করে দেশে নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য প্রবেশের আশঙ্কাও রয়েছে, যা দেশের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি স্বরূপ।ডিলার নিয়োগের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে বারবার লিখিত অভিযোগ করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর প্রশাসনিক পদক্ষেপ দেখা যায়নি বলে অভিযোগ করেন ইসহাক খন্দকার। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ একে অপরের ওপর দোষ চাপিয়ে দায় এড়ানোর চেষ্টা করছে। অবিলম্বে একটি উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে সমস্ত অনিয়ম ও দুর্নীতির সত্যতা যাচাই করার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে প্রকৃত ও অভিজ্ঞ ব্যবসায়ীদের হাতে ডিলারশিপ পুনর্বহাল এবং অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান এই জামায়াত নেতা।
জাতীয় ডেস্ক: নোয়াখালী জেলায় সার ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও দলীয়করণের অভিযোগ তুলেছে জামায়াতে ইসলামী। সম্প্রতি জেলা জামায়াতের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ তুলে ধরে দলটির পক্ষ থেকে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠনের জোর দাবি জানানো হয়েছে। জেলা জামায়াতের আমির ইসহাক খন্দকার সংবাদ সম্মেলনে সশরীরে উপস্থিত থেকে এই গুরুতর অভিযোগগুলো গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা এবং সারের সুষ্ঠু বিতরণ নিশ্চিত করতে অবিলম্বে এই পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয় যে, সার ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের সুনির্দিষ্ট নীতিমালা বা নিয়মকানুন সঠিকভাবে অনুসরণ করা হয়নি। যাদের সার ব্যবসার কোনো পূর্বঅভিজ্ঞতা নেই, নিজস্ব দোকান কিংবা নির্ধারিত গুদাম নেই—এমন অযোগ্য ব্যক্তিদেরও রাজনৈতিক বিবেচনায় ডিলারশিপ পাইয়ে দেওয়া হয়েছে। এমনকি কোথাও কোথাও কৃষি কর্মকর্তার নিকটাত্মীয়কে ডিলারশিপ দেওয়ার মতো অনৈতিক ঘটনার তথ্যও পাওয়া গেছে। পক্ষান্তরে, দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন এবং যাদের নিজস্ব অবকাঠামোগত সক্ষমতা রয়েছে, এমন বহু প্রকৃত ব্যবসায়ী ডিলারশিপ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
অভিজ্ঞতাহীন ও অনভিজ্ঞ ব্যক্তিদের হাতে সারের মতো কৃষিপণ্যের ডিলারশিপ তুলে দেওয়ায় সার সংরক্ষণ ও বিতরণ ব্যবস্থা নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জামায়াত নেতারা। তাঁদের আশঙ্কা, এই অব্যবস্থাপনার সুযোগ নিয়ে অতীতে ভারতের পাশাপাশি এবার মিয়ানমারেও সার পাচার হওয়ার গুরুতর ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। কৃষকদের জন্য বরাদ্দ করা সার এভাবে দেশের বাইরে পাচার হয়ে গেলে স্থানীয় বাজারে কৃত্রিম সংকট দেখা দিতে পারে। শুধু তাই নয়, পাচারের এই চোরাৈপথ ব্যবহার করে দেশে নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য প্রবেশের আশঙ্কাও রয়েছে, যা দেশের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি স্বরূপ।
ডিলার নিয়োগের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে বারবার লিখিত অভিযোগ করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর প্রশাসনিক পদক্ষেপ দেখা যায়নি বলে অভিযোগ করেন ইসহাক খন্দকার। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ একে অপরের ওপর দোষ চাপিয়ে দায় এড়ানোর চেষ্টা করছে। অবিলম্বে একটি উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে সমস্ত অনিয়ম ও দুর্নীতির সত্যতা যাচাই করার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে প্রকৃত ও অভিজ্ঞ ব্যবসায়ীদের হাতে ডিলারশিপ পুনর্বহাল এবং অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান এই জামায়াত নেতা।