আপডেট সময়
০৪:০০:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
৩
বার পড়া হয়েছে
দ্বন্দ্ব নয়, ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হবে: মামুনুল হক
জাতীয় ডেস্ক: ইসলামপন্থি দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক বিরোধ ও আত্মঘাতী সংঘাত পরিহার করার ওপর জোরালো গুরুত্ব আরোপ করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক। তিনি মনে করেন, মতপার্থক্য ভুলে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে পারলে দেশের বিপুল পরিমাণ সম্ভাবনাকে সঠিকভাবে কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি হবে। সম্প্রতি মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান। সেখানে উপস্থিত প্রবাসী শিক্ষার্থী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা তার এই দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য অত্যন্ত মনোযোগের সঙ্গে শোনেন।অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে মামুনুল হক বর্তমান সময়ের ইসলামপন্থি রাজনীতির নানা সংকট ও তার নেতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ইসলামপন্থিদের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন বিষয়ে কলহ এবং আত্মঘাতী প্রবণতা নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে, যা সামগ্রিক আন্দোলনের জন্য ক্ষতিকর। এই ধরনের জটিল সংকটের সমাধান কেবল কিছু গতানুগতিক কথা বলে বা তাৎক্ষণিক মন্তব্য করে সম্ভব নয়। বরং সংকটের মূল কারণগুলো গভীরভাবে উপলব্ধি করে সুদূরপ্রসারী ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করার সময় এসেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।দেশের বিভিন্ন ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যকার মতপার্থক্যের কথা উল্লেখ করে খেলাফত মজলিসের আমির সুনির্দিষ্ট কিছু প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক বা আদর্শিক মতপার্থক্যের ক্ষেত্রে বহুল প্রচলিত 'মতভিন্নতার সঙ্গে ঐক্য' নীতিটি অনুশীলন করা অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে দলগুলোর মধ্যকার গুরুতর বিরোধের জায়গাগুলো চিহ্নিত করে পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে তা দ্রুত নিরসন করতে হবে। বিভেদের দেয়াল ভেঙে ইসলামপন্থিরা যদি একমঞ্চে আসতে পারে, তবে তা দেশের সামগ্রিক অগ্রযাত্রায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।বাংলাদেশের বর্তমান সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করে আল্লামা মামুনুল হক জানান, সাধারণ মানুষের মধ্যে ইসলামের প্রতি ভালোবাসা এবং ইসলামি চেতনার যে জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে, তা একদিনে তৈরি হয়নি। এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘ প্রায় অর্ধশতাব্দীর ত্যাগ, সাধনা ও অক্লান্ত প্রচেষ্টা। জনগণের এই জাগরণ ও দেশের সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে হলে ইসলামপন্থিদের নিজেদের মধ্যকার বিরোধ নিয়ে গভীরভাবে ভাবতে হবে। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মাওলানা মোহাম্মদুল্লাহ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মোহাম্মদ ফয়সালসহ মালয়েশিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি শিক্ষক ও পেশাজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয় ডেস্ক: ইসলামপন্থি দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক বিরোধ ও আত্মঘাতী সংঘাত পরিহার করার ওপর জোরালো গুরুত্ব আরোপ করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক। তিনি মনে করেন, মতপার্থক্য ভুলে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে পারলে দেশের বিপুল পরিমাণ সম্ভাবনাকে সঠিকভাবে কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি হবে। সম্প্রতি মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান। সেখানে উপস্থিত প্রবাসী শিক্ষার্থী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা তার এই দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য অত্যন্ত মনোযোগের সঙ্গে শোনেন।
অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে মামুনুল হক বর্তমান সময়ের ইসলামপন্থি রাজনীতির নানা সংকট ও তার নেতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ইসলামপন্থিদের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন বিষয়ে কলহ এবং আত্মঘাতী প্রবণতা নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে, যা সামগ্রিক আন্দোলনের জন্য ক্ষতিকর। এই ধরনের জটিল সংকটের সমাধান কেবল কিছু গতানুগতিক কথা বলে বা তাৎক্ষণিক মন্তব্য করে সম্ভব নয়। বরং সংকটের মূল কারণগুলো গভীরভাবে উপলব্ধি করে সুদূরপ্রসারী ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করার সময় এসেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
দেশের বিভিন্ন ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যকার মতপার্থক্যের কথা উল্লেখ করে খেলাফত মজলিসের আমির সুনির্দিষ্ট কিছু প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক বা আদর্শিক মতপার্থক্যের ক্ষেত্রে বহুল প্রচলিত ‘মতভিন্নতার সঙ্গে ঐক্য’ নীতিটি অনুশীলন করা অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে দলগুলোর মধ্যকার গুরুতর বিরোধের জায়গাগুলো চিহ্নিত করে পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে তা দ্রুত নিরসন করতে হবে। বিভেদের দেয়াল ভেঙে ইসলামপন্থিরা যদি একমঞ্চে আসতে পারে, তবে তা দেশের সামগ্রিক অগ্রযাত্রায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বাংলাদেশের বর্তমান সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করে আল্লামা মামুনুল হক জানান, সাধারণ মানুষের মধ্যে ইসলামের প্রতি ভালোবাসা এবং ইসলামি চেতনার যে জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে, তা একদিনে তৈরি হয়নি। এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘ প্রায় অর্ধশতাব্দীর ত্যাগ, সাধনা ও অক্লান্ত প্রচেষ্টা। জনগণের এই জাগরণ ও দেশের সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে হলে ইসলামপন্থিদের নিজেদের মধ্যকার বিরোধ নিয়ে গভীরভাবে ভাবতে হবে। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মাওলানা মোহাম্মদুল্লাহ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মোহাম্মদ ফয়সালসহ মালয়েশিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি শিক্ষক ও পেশাজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।