আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের দুর্গোৎসবের প্রাক্কালে প্রতিমা বিসর্জন সংক্রান্ত একটি নিয়ম নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সনাতন ধর্মাবলম্বী ছাড়া অন্য সম্প্রদায়ের মানুষের প্রতিমা স্পর্শ করার ওপর কড়াকড়ি আরোপের বিষয়টি সামনে আসার পর থেকেই এই নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। বিরোধীরা এই নির্দেশনার তীব্র সমালোচনা করে দাবি করছেন যে, এর মাধ্যমে সমাজে পুরোনো অস্পৃশ্যতার সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনার পাঁয়তারা চলছে।রাজ্যের বিরোধী রাজনৈতিক নেতা শুভেন্দু অধিকারী এই বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে মন্তব্য করেছেন যে, দুর্গাপূজা নিছক একটি সাধারণ উৎসব বা ধর্মনিরপেক্ষ অনুষ্ঠান নয়। তার মতে, এটি মূলত একটি ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান, যেখানে ধর্মীয় ঐতিহ্য ও রীতিনীতি রক্ষা করাটাই প্রধান অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। উৎসবের আনন্দ বা সার্বজনীনতার চেয়ে আচারিক পবিত্রতা বজায় রাখাকেই তিনি বেশি গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেছেন।তবে তার এই বক্তব্যের পরই সমাজ ও রাজনীতির বিভিন্ন মহল থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া আসতে শুরু করেছে। সমালোচকদের অভিযোগ, এ ধরনের মন্তব্য এবং ধর্মীয় আচার পালনের ক্ষেত্রে কঠোর বিভাজনমূলক নিয়ম সমাজে বিভেদ তৈরি করতে পারে। দীর্ঘকাল ধরে চলে আসা উৎসবের সর্বজনীন রূপকে ক্ষুণ্ন করে একটি নির্দিষ্ট গণ্ডির মধ্যে বন্দি করার চেষ্টা চলছে বলেও তারা দাবি করেছেন।বিশ্লেষকদের মতে, দুর্গাপূজার মতো একটি গণোৎসবকে কেন্দ্র করে এই ধরনের বিতর্ক পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। আসন্ন পূজার দিনগুলোতে এই ধর্মীয় ও রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষ এবং বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকেও এই বিষয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের দুর্গোৎসবের প্রাক্কালে প্রতিমা বিসর্জন সংক্রান্ত একটি নিয়ম নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সনাতন ধর্মাবলম্বী ছাড়া অন্য সম্প্রদায়ের মানুষের প্রতিমা স্পর্শ করার ওপর কড়াকড়ি আরোপের বিষয়টি সামনে আসার পর থেকেই এই নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। বিরোধীরা এই নির্দেশনার তীব্র সমালোচনা করে দাবি করছেন যে, এর মাধ্যমে সমাজে পুরোনো অস্পৃশ্যতার সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনার পাঁয়তারা চলছে।
রাজ্যের বিরোধী রাজনৈতিক নেতা শুভেন্দু অধিকারী এই বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে মন্তব্য করেছেন যে, দুর্গাপূজা নিছক একটি সাধারণ উৎসব বা ধর্মনিরপেক্ষ অনুষ্ঠান নয়। তার মতে, এটি মূলত একটি ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান, যেখানে ধর্মীয় ঐতিহ্য ও রীতিনীতি রক্ষা করাটাই প্রধান অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। উৎসবের আনন্দ বা সার্বজনীনতার চেয়ে আচারিক পবিত্রতা বজায় রাখাকেই তিনি বেশি গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেছেন।
তবে তার এই বক্তব্যের পরই সমাজ ও রাজনীতির বিভিন্ন মহল থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া আসতে শুরু করেছে। সমালোচকদের অভিযোগ, এ ধরনের মন্তব্য এবং ধর্মীয় আচার পালনের ক্ষেত্রে কঠোর বিভাজনমূলক নিয়ম সমাজে বিভেদ তৈরি করতে পারে। দীর্ঘকাল ধরে চলে আসা উৎসবের সর্বজনীন রূপকে ক্ষুণ্ন করে একটি নির্দিষ্ট গণ্ডির মধ্যে বন্দি করার চেষ্টা চলছে বলেও তারা দাবি করেছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, দুর্গাপূজার মতো একটি গণোৎসবকে কেন্দ্র করে এই ধরনের বিতর্ক পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। আসন্ন পূজার দিনগুলোতে এই ধর্মীয় ও রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষ এবং বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকেও এই বিষয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে।