ঢাকা ০৪:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

তিন ফাঁদে গভীর সংকটে অর্থনীতি, পরিত্রাণের পথ কী

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:১৫:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি বর্তমানে বহুমুখী চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। বিনিয়োগ খাতের বর্তমান স্থবিরতা এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রমে মন্থর গতির কারণে সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বেশ কঠিন এক সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য কার্যকর কোনো পথ না পেলে দেশের প্রবৃদ্ধির গতি আরও শ্লথ হয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিনিয়োগ পরিস্থিতির এই হতাশাজনক চিত্রের সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির ওপর। দীর্ঘদিন ধরে নতুন শিল্প স্থাপন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে যে ভাটা চলছে, তার ফলে জাতীয় উৎপাদনে কাঙ্ক্ষিত গতি বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে না। দেশি ও বিদেশি উদ্যোক্তারা আস্থার সংকটের কারণে বড় ধরনের মূলধনী বিনিয়োগ থেকে বিরত থাকছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, বিদ্যমান পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে হলে নীতিগত সংস্কার এবং ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নত করার কোনো বিকল্প নেই। বিশেষ করে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করা, ব্যাংক খাতের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং ব্যবসার খরচ কমানোর মতো সুনির্দিষ্ট কিছু পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। এসব সংকটের দ্রুত সুরাহা না হলে দীর্ঘমেয়াদে তা দেশের সামগ্রিক বাজারে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারক ও অংশীজনদের এখনই সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে। সরকারি ও বেসরকারি খাতের যৌথ প্রচেষ্টার মাধ্যমে বিনিয়োগের নতুন ক্ষেত্র তৈরি এবং আস্থার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার ওপর জোর দিচ্ছেন অর্থনীতিবিদরা। তবেই বর্তমানের এই বহুমুখী অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে দেশের অর্থনীতি আবার সঠিক গতিতে ফিরতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :

‘ক্ষমতা ওনাদের হাতে গেলে কী করবেন?’

তিন ফাঁদে গভীর সংকটে অর্থনীতি, পরিত্রাণের পথ কী

আপডেট সময় ০২:১৫:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি বর্তমানে বহুমুখী চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। বিনিয়োগ খাতের বর্তমান স্থবিরতা এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রমে মন্থর গতির কারণে সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বেশ কঠিন এক সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য কার্যকর কোনো পথ না পেলে দেশের প্রবৃদ্ধির গতি আরও শ্লথ হয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিনিয়োগ পরিস্থিতির এই হতাশাজনক চিত্রের সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির ওপর। দীর্ঘদিন ধরে নতুন শিল্প স্থাপন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে যে ভাটা চলছে, তার ফলে জাতীয় উৎপাদনে কাঙ্ক্ষিত গতি বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে না। দেশি ও বিদেশি উদ্যোক্তারা আস্থার সংকটের কারণে বড় ধরনের মূলধনী বিনিয়োগ থেকে বিরত থাকছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, বিদ্যমান পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে হলে নীতিগত সংস্কার এবং ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নত করার কোনো বিকল্প নেই। বিশেষ করে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করা, ব্যাংক খাতের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং ব্যবসার খরচ কমানোর মতো সুনির্দিষ্ট কিছু পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। এসব সংকটের দ্রুত সুরাহা না হলে দীর্ঘমেয়াদে তা দেশের সামগ্রিক বাজারে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারক ও অংশীজনদের এখনই সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে। সরকারি ও বেসরকারি খাতের যৌথ প্রচেষ্টার মাধ্যমে বিনিয়োগের নতুন ক্ষেত্র তৈরি এবং আস্থার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার ওপর জোর দিচ্ছেন অর্থনীতিবিদরা। তবেই বর্তমানের এই বহুমুখী অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে দেশের অর্থনীতি আবার সঠিক গতিতে ফিরতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।