আপডেট সময়
১১:০০:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
৩
বার পড়া হয়েছে
তদন্তে ঘুষের সত্যতা মিলেছে, তবু বহাল নায়েব
জাতীয় ডেস্ক: মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার দরগ্রাম ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা আব্দুল মোতালেবের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার সত্যতা মিলেছে। বিভিন্ন ভূমিসেবা দেওয়ার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বড় অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে আলোচনার সৃষ্টি হয়। নামজারি ও অন্যান্য সেবা প্রদানে ২০ হাজার থেকে শুরু করে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দাবি করার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ওঠে ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। অফিসে বসে তাঁর টাকা গণনার দৃশ্য প্রকাশ্যে আসার পর নড়েচড়ে বসে প্রশাসন এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয় সাটুরিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মোহাম্মদ অনিক ইসলামকে। তিনি বিভিন্ন পক্ষের শুনানি গ্রহণ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই জেলা প্রশাসনের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। তদন্ত শেষে তিনি নিশ্চিত করেন যে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে। তবে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে যে, তদন্তে দোষী প্রমাণিত হওয়ার পরেও কেন তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোনো দৃশ্যমান বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলো না।সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রের দাবি, এই দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তাকে লঘু দণ্ডে রক্ষা করতে বা পুরোপুরি দায়মুক্তি দিতে নেপথ্যে বড় অঙ্কের আর্থিক লেনদেনের চেষ্টা চলছে। গুঞ্জন রয়েছে যে প্রায় ১০ লাখ টাকার একটি বিশাল অঙ্কের বিনিময় রফাদফার চেষ্টা করা হচ্ছে যাতে তিনি কোনো বড় ধরনের প্রশাসনিক শাস্তির মুখোমুখি না হন। তবে এই অর্থ লেনদেনের অভিযোগের সরাসরি কোনো দাপ্তরিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ইতিমধ্যে নিজের চাকরির মেয়াদ শেষের দিকে থাকায় আব্দুল মোতালেব নিজেই স্বেচ্ছায় অবসরে যাওয়ার আবেদন করেছেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না বলে দাবি করেছেন।প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কোনো কর্মচারীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয় যা কিছুটা সময়সাপেক্ষ। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাং আলী জানান যে বিষয়টি নিয়ে দাপ্তরিক প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং স্বেচ্ছায় চাকরি ছেড়ে দেওয়াটাও এক ধরনের পরিণতি। এর আগেও এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে হয়রানি ও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের বহু অভিযোগ করেছিলেন স্থানীয় ভুক্তভোগীরা। এখন দেখার বিষয়, চাকরির মেয়াদ সম্পূর্ণ শেষ হওয়ার আগেই অভিযুক্ত এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনানুগ বিভাগীয় কোনো চূড়ান্ত পদক্ষেপ নেওয়া হয় কি না।
জাতীয় ডেস্ক: মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার দরগ্রাম ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা আব্দুল মোতালেবের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার সত্যতা মিলেছে। বিভিন্ন ভূমিসেবা দেওয়ার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বড় অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে আলোচনার সৃষ্টি হয়। নামজারি ও অন্যান্য সেবা প্রদানে ২০ হাজার থেকে শুরু করে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দাবি করার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ওঠে ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। অফিসে বসে তাঁর টাকা গণনার দৃশ্য প্রকাশ্যে আসার পর নড়েচড়ে বসে প্রশাসন এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয় সাটুরিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মোহাম্মদ অনিক ইসলামকে। তিনি বিভিন্ন পক্ষের শুনানি গ্রহণ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই জেলা প্রশাসনের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। তদন্ত শেষে তিনি নিশ্চিত করেন যে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে। তবে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে যে, তদন্তে দোষী প্রমাণিত হওয়ার পরেও কেন তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোনো দৃশ্যমান বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলো না।
সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রের দাবি, এই দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তাকে লঘু দণ্ডে রক্ষা করতে বা পুরোপুরি দায়মুক্তি দিতে নেপথ্যে বড় অঙ্কের আর্থিক লেনদেনের চেষ্টা চলছে। গুঞ্জন রয়েছে যে প্রায় ১০ লাখ টাকার একটি বিশাল অঙ্কের বিনিময় রফাদফার চেষ্টা করা হচ্ছে যাতে তিনি কোনো বড় ধরনের প্রশাসনিক শাস্তির মুখোমুখি না হন। তবে এই অর্থ লেনদেনের অভিযোগের সরাসরি কোনো দাপ্তরিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ইতিমধ্যে নিজের চাকরির মেয়াদ শেষের দিকে থাকায় আব্দুল মোতালেব নিজেই স্বেচ্ছায় অবসরে যাওয়ার আবেদন করেছেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না বলে দাবি করেছেন।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কোনো কর্মচারীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয় যা কিছুটা সময়সাপেক্ষ। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাং আলী জানান যে বিষয়টি নিয়ে দাপ্তরিক প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং স্বেচ্ছায় চাকরি ছেড়ে দেওয়াটাও এক ধরনের পরিণতি। এর আগেও এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে হয়রানি ও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের বহু অভিযোগ করেছিলেন স্থানীয় ভুক্তভোগীরা। এখন দেখার বিষয়, চাকরির মেয়াদ সম্পূর্ণ শেষ হওয়ার আগেই অভিযুক্ত এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনানুগ বিভাগীয় কোনো চূড়ান্ত পদক্ষেপ নেওয়া হয় কি না।