আপডেট সময়
০৩:৪৫:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
৩
বার পড়া হয়েছে
চা বানাতে গিয়ে দেখেন, রান্নাঘরে ফোঁস ফোঁস করছে ‘কিং কোবরা’
ডেস্ক রিপোর্ট: দৈনন্দিন কাজের অংশ হিসেবে রান্নাঘরে চা বানাতে প্রবেশ করে এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন এক গৃহিণী। গ্যাসের চুলায় পাত্র বসানোর প্রস্তুতি নেওয়ার সময় হঠাৎ করেই তিনি একটি ফোঁস ফোঁস শব্দ শুনতে পান। কৌতূহলী হয়ে শব্দটির উৎস খুঁজতে গিয়ে তিনি দেখতে পান রান্নাঘরের এক কোণে কুণ্ডলী পাকিয়ে বসে আছে একটি বিশাল আকৃতির বিষধর সাপ। অত্যন্ত বিপজ্জনক এই কিং কোবরাটিকে ঘরের ভেতর দেখতে পেয়ে আতঙ্কিত গৃহিণী চিৎকার শুরু করেন।ওই নারীর আত্মচিৎকারে মুহূর্তের মধ্যে আশেপাশের প্রতিবেশীরা ঘর থেকে ছুটে এসে রান্নাঘরে জড়ো হন। তারা ঘরের ভেতর এত বড় ও ভয়ংকর একটি সাপ দেখে হতবাক হয়ে যান এবং বুঝতে পারেন যে এটি সাধারণ কোনো সাপ নয়। সাপটি পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের জন্য চরম বিপদ ডেকে আনতে পারে এই আশנקায় উপস্থিত জনতা সেটিকে মেরে ফেলার উদ্যোগ নেন। লাঠিসোঁটা নিয়ে তারা সাপটিকে আক্রমণ করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন যাতে বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা এড়ানো যায়।তবে সৌভাগ্যবশত সময়মতো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চলে আসে এবং স্থানীয় কেউ একজন দ্রুত বন বিভাগকে পুরো বিষয়টি অবহিত করেন। খবর পাওয়া মাত্রই বন বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং স্থানীয়দের শান্ত করেন। তারা উত্তেজিত জনতাকে বুঝিয়ে শান্ত করেন যে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এই সাপটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং বিষধর হলেও এটিকে মেরে ফেলা আইনত অপরাধ। এরপর বন বিভাগের প্রশিক্ষিত কর্মীরা অত্যন্ত সতর্কতার সাথে কিং কোবরাটিকে নিরাপদ উপায়ে উদ্ধার করতে সক্ষম হন।উদ্ধারের পর সাপটিকে জনবসতিপূর্ণ এলাকা থেকে দূরে একটি নিরাপদ ও গভীর বনে অবমুক্ত করা হয়। বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, কিং কোবরা বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘ ও বিষধর সাপ হলেও সচরাচর তারা মানুষের মুখোমুখি হতে চায় না। খাবারের অন্বেষণে বা নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে প্রায়শই সাপগুলো লোকালয়ে চলে আসে। বন বিভাগের সময়মতো হস্তক্ষেপে সাপটির প্রাণ রক্ষা পাওয়ায় পরিবেশবাদীরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং সাধারণ মানুষকে বন্যপ্রাণী দেখলেই তা না মেরে বন বিভাগে খবর দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।
ডেস্ক রিপোর্ট: দৈনন্দিন কাজের অংশ হিসেবে রান্নাঘরে চা বানাতে প্রবেশ করে এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন এক গৃহিণী। গ্যাসের চুলায় পাত্র বসানোর প্রস্তুতি নেওয়ার সময় হঠাৎ করেই তিনি একটি ফোঁস ফোঁস শব্দ শুনতে পান। কৌতূহলী হয়ে শব্দটির উৎস খুঁজতে গিয়ে তিনি দেখতে পান রান্নাঘরের এক কোণে কুণ্ডলী পাকিয়ে বসে আছে একটি বিশাল আকৃতির বিষধর সাপ। অত্যন্ত বিপজ্জনক এই কিং কোবরাটিকে ঘরের ভেতর দেখতে পেয়ে আতঙ্কিত গৃহিণী চিৎকার শুরু করেন।
ওই নারীর আত্মচিৎকারে মুহূর্তের মধ্যে আশেপাশের প্রতিবেশীরা ঘর থেকে ছুটে এসে রান্নাঘরে জড়ো হন। তারা ঘরের ভেতর এত বড় ও ভয়ংকর একটি সাপ দেখে হতবাক হয়ে যান এবং বুঝতে পারেন যে এটি সাধারণ কোনো সাপ নয়। সাপটি পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের জন্য চরম বিপদ ডেকে আনতে পারে এই আশנקায় উপস্থিত জনতা সেটিকে মেরে ফেলার উদ্যোগ নেন। লাঠিসোঁটা নিয়ে তারা সাপটিকে আক্রমণ করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন যাতে বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা এড়ানো যায়।
তবে সৌভাগ্যবশত সময়মতো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চলে আসে এবং স্থানীয় কেউ একজন দ্রুত বন বিভাগকে পুরো বিষয়টি অবহিত করেন। খবর পাওয়া মাত্রই বন বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং স্থানীয়দের শান্ত করেন। তারা উত্তেজিত জনতাকে বুঝিয়ে শান্ত করেন যে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এই সাপটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং বিষধর হলেও এটিকে মেরে ফেলা আইনত অপরাধ। এরপর বন বিভাগের প্রশিক্ষিত কর্মীরা অত্যন্ত সতর্কতার সাথে কিং কোবরাটিকে নিরাপদ উপায়ে উদ্ধার করতে সক্ষম হন।
উদ্ধারের পর সাপটিকে জনবসতিপূর্ণ এলাকা থেকে দূরে একটি নিরাপদ ও গভীর বনে অবমুক্ত করা হয়। বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, কিং কোবরা বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘ ও বিষধর সাপ হলেও সচরাচর তারা মানুষের মুখোমুখি হতে চায় না। খাবারের অন্বেষণে বা নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে প্রায়শই সাপগুলো লোকালয়ে চলে আসে। বন বিভাগের সময়মতো হস্তক্ষেপে সাপটির প্রাণ রক্ষা পাওয়ায় পরিবেশবাদীরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং সাধারণ মানুষকে বন্যপ্রাণী দেখলেই তা না মেরে বন বিভাগে খবর দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।