ঢাকা ০৩:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

কুষ্টিয়ায় খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিস থেকে নৈশপ্রহরীর মরদেহ উদ্ধার

ইসমাইল হােসন বাবুঃ

 

কুষ্টিয়া জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিস থেকে নৈশপ্রহরী আলম হোসেনের (৫৫) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১২ আগােষ্ট) সকাল ৯টার দিকে দরজা ভেঙে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মৃত আলম হোসেন কুষ্টিয়া সদর উপজেলার দহকোলা গ্রামের মৃত শহর আলী শেখের ছেলে।

মৃতের ভাই এনামুল হক বলেন, প্রতিদিন সন্ধ্যায় সে খাদ্য নিয়ন্ত্রকের অফিসে যায় এবং সকালে বাড়ি ফিরে আসে। সোমবার সন্ধ্যায় অফিসে যায়, মঙ্গলবার সকালে আমরা জানতে পারি যে, সে ঘুম থেকে উঠছে না। এরপর আমরা ওই অফিসে যাই। দরজা ভেঙে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে।

কুষ্টিয়া জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. আল্-ওয়াজিউর রহমান বলেন, সকাল ৮টার দিকে ঝাড়ুদার আজিজুর রহমান অফিসে পৌঁছান। সেসময় ডাকাডাকি করে নৈশপ্রহরী আলমের সাড়া পাচ্ছিলেন না। বিষয়টি আমাদের জানানোর পর আমরা পুলিশ ও নৈশপ্রহরীর পরিবারকে খবর দেই। এরপর ৯টার দিকে দরজা ভেঙে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহের শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন ছিল না। ঘুমন্ত অবস্থায় অসুস্থতাজনিত কারণে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তার পরিবারের পক্ষ থেকেও কোনো অভিযোগ নেই।

এ বিষয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন বলেন, কুষ্টিয়া খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিস থেকে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। দরজা ভেঙে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে কেউ অভিযোগ দেননি। স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে বলে পরিবার দাবি করছে।

ট্যাগস :

বোয়ালমারীতে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ

কুষ্টিয়ায় খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিস থেকে নৈশপ্রহরীর মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় ১০:৩৩:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ অগাস্ট ২০২৫

ইসমাইল হােসন বাবুঃ

 

কুষ্টিয়া জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিস থেকে নৈশপ্রহরী আলম হোসেনের (৫৫) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১২ আগােষ্ট) সকাল ৯টার দিকে দরজা ভেঙে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মৃত আলম হোসেন কুষ্টিয়া সদর উপজেলার দহকোলা গ্রামের মৃত শহর আলী শেখের ছেলে।

মৃতের ভাই এনামুল হক বলেন, প্রতিদিন সন্ধ্যায় সে খাদ্য নিয়ন্ত্রকের অফিসে যায় এবং সকালে বাড়ি ফিরে আসে। সোমবার সন্ধ্যায় অফিসে যায়, মঙ্গলবার সকালে আমরা জানতে পারি যে, সে ঘুম থেকে উঠছে না। এরপর আমরা ওই অফিসে যাই। দরজা ভেঙে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে।

কুষ্টিয়া জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. আল্-ওয়াজিউর রহমান বলেন, সকাল ৮টার দিকে ঝাড়ুদার আজিজুর রহমান অফিসে পৌঁছান। সেসময় ডাকাডাকি করে নৈশপ্রহরী আলমের সাড়া পাচ্ছিলেন না। বিষয়টি আমাদের জানানোর পর আমরা পুলিশ ও নৈশপ্রহরীর পরিবারকে খবর দেই। এরপর ৯টার দিকে দরজা ভেঙে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহের শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন ছিল না। ঘুমন্ত অবস্থায় অসুস্থতাজনিত কারণে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তার পরিবারের পক্ষ থেকেও কোনো অভিযোগ নেই।

এ বিষয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন বলেন, কুষ্টিয়া খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিস থেকে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। দরজা ভেঙে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে কেউ অভিযোগ দেননি। স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে বলে পরিবার দাবি করছে।