ঢাকা ০৪:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo পুলিশ থাকার পরেও বিএনপির নেতা–কর্মীরা কেন লাঠিসোঁটা নিয়ে নামছেন, প্রশ্ন এবি পার্টির Logo আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম Logo সার পাচার ঠেকাতে সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে: কৃষিমন্ত্রী Logo শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ট্রাভেল পাস ইস্যু করা হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী Logo তারেক রহমানকে নিয়ে নাহিদ ইসলামের বক্তব্য প্রত্যাহারে আইনি নোটিশ Logo কারও ড্রেসআপ ঠিক নেই, এরা চিকিৎসক, নার্স না কি দালাল: ঢামেকে অভিযানে দুদক চেয়ারম্যান Logo কয়েক মাসের মধ্যেই নতুন মজুরি নির্ধারণ করবে মজুরি বোর্ড: প্রধানমন্ত্রী Logo ঢাকায় ভোরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের মিছিল থেকে আটক ৩: পুলিশ Logo রোনালদোকে নিয়ে সৌদি সাংবাদিকের দাবিতে তুমুল বিতর্ক Logo সোনামসজিদ স্থলবন্দরে চলছে তৃতীয় দিনের কর্মবিরতি, আটকা ৪৫০ পণ্যবাহী ট্রাক
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

কয়েক মাসের মধ্যেই নতুন মজুরি নির্ধারণ করবে মজুরি বোর্ড: প্রধানমন্ত্রী

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:৪৫:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক: দেশের খেটে খাওয়া ও শ্রমজীবী মানুষের জীবনমান উন্নত করার লক্ষ্যে সরকার সবসময় আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় দেশের বিভিন্ন খাতের শ্রমিকদের জন্য অতি দ্রুত একটি নতুন এবং সময়োপযোগী মজুরি কাঠামো তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও মজুরি বোর্ড খুব শীঘ্রই এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা তৈরি করে সরকারের কাছে পেশ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিগত কয়েক বছর ধরে জীবনযাত্রার ব্যয় যেভাবে বেড়েছে, তার সাথে সামঞ্জস্য রেখেই এই নতুন বেতন স্কেল নির্ধারণ করা হবে।

দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং সার্বিক উৎপাদনশীলতা অব্যাহত রাখতে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার বিকল্প নেই। বর্তমান সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে বিভিন্ন শিল্প কারখানার মালিকপক্ষ এবং শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের সাথে ধারাবাহিক আলোচনা চলছে। সকলের পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমেই একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে শিল্পে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে না।

এর আগে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের পক্ষ থেকে মজুরি বোর্ড পুনর্গঠন এবং বর্তমান বাজারদরের সাথে সংগতি রেখে ন্যূনতম মজুরি বাড়ানোর জোরালো দাবি জানানো হয়েছিল। সরকারের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশনার পর থেকেই এই বিষয়টি নিয়ে মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো। বিভিন্ন খাতের বর্তমান আর্থিক সক্ষমতা এবং মূল্যস্ফীতির বিষয়টি গভীরভাবে পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই এই জটিল প্রক্রিয়াটির একটি ইতিবাচক ও স্থায়ী সমাধান আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি আধুনিক ও বাস্তবসম্মত মজুরি কাঠামো দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তিকে আরও বেশি শক্তিশালী করবে এবং দীর্ঘমেয়াদে শিল্প খাতে সুশাসন বজায় রাখতে সহায়তা করবে। শ্রমিক ও মালিক উভয় পক্ষের স্বার্থ সুরক্ষিত রেখেই এই নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে। সরকার নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এই গুরুত্বপূর্ণ কাজটি সম্পন্ন করে দেশের শ্রম বাজারে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে বদ্ধপরিকর। সার্বিক এই উদ্যোগে দেশের শ্রমজীবী মানুষ উপকৃত হবে এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে এর একটি সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

ট্যাগস :

পুলিশ থাকার পরেও বিএনপির নেতা–কর্মীরা কেন লাঠিসোঁটা নিয়ে নামছেন, প্রশ্ন এবি পার্টির

কয়েক মাসের মধ্যেই নতুন মজুরি নির্ধারণ করবে মজুরি বোর্ড: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০২:৪৫:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: দেশের খেটে খাওয়া ও শ্রমজীবী মানুষের জীবনমান উন্নত করার লক্ষ্যে সরকার সবসময় আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় দেশের বিভিন্ন খাতের শ্রমিকদের জন্য অতি দ্রুত একটি নতুন এবং সময়োপযোগী মজুরি কাঠামো তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও মজুরি বোর্ড খুব শীঘ্রই এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা তৈরি করে সরকারের কাছে পেশ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিগত কয়েক বছর ধরে জীবনযাত্রার ব্যয় যেভাবে বেড়েছে, তার সাথে সামঞ্জস্য রেখেই এই নতুন বেতন স্কেল নির্ধারণ করা হবে।

দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং সার্বিক উৎপাদনশীলতা অব্যাহত রাখতে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার বিকল্প নেই। বর্তমান সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে বিভিন্ন শিল্প কারখানার মালিকপক্ষ এবং শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের সাথে ধারাবাহিক আলোচনা চলছে। সকলের পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমেই একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে শিল্পে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে না।

এর আগে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের পক্ষ থেকে মজুরি বোর্ড পুনর্গঠন এবং বর্তমান বাজারদরের সাথে সংগতি রেখে ন্যূনতম মজুরি বাড়ানোর জোরালো দাবি জানানো হয়েছিল। সরকারের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশনার পর থেকেই এই বিষয়টি নিয়ে মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো। বিভিন্ন খাতের বর্তমান আর্থিক সক্ষমতা এবং মূল্যস্ফীতির বিষয়টি গভীরভাবে পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই এই জটিল প্রক্রিয়াটির একটি ইতিবাচক ও স্থায়ী সমাধান আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি আধুনিক ও বাস্তবসম্মত মজুরি কাঠামো দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তিকে আরও বেশি শক্তিশালী করবে এবং দীর্ঘমেয়াদে শিল্প খাতে সুশাসন বজায় রাখতে সহায়তা করবে। শ্রমিক ও মালিক উভয় পক্ষের স্বার্থ সুরক্ষিত রেখেই এই নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে। সরকার নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এই গুরুত্বপূর্ণ কাজটি সম্পন্ন করে দেশের শ্রম বাজারে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে বদ্ধপরিকর। সার্বিক এই উদ্যোগে দেশের শ্রমজীবী মানুষ উপকৃত হবে এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে এর একটি সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।