ঢাকা ০৭:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে কমনওয়েলথে বাংলাদেশের পদক Logo ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ৪৮ কেন্দ্রের ফলে কে এগিয়ে Logo বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে ইইউ প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo এলপিজি ব্যবসায়ীদের মাফিয়া বলায় শুনানিতে হট্টগোল Logo সারা দেশের বাস্তুচ্যুত মানুষের দায়িত্ব ডিএসসিসি নিতে পারবে না: আবদুস সালাম Logo আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে সরকারের পদত্যাগ করা উচিত: জামায়াত এমপি Logo বাংলাদেশের শিক্ষা ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে আগ্রহী কানাডা Logo মাতারবাড়ি সমুদ্রবন্দর নিয়ে জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব বিসর্জনের সুযোগ নেই: জামায়াত আমির Logo সচিবালয় স্থানান্তরের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শেকৃবি শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ Logo বাণিজ্য, বিনিয়োগসহ কর্মসংস্থান খাতে মালদ্বীপের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

এলপিজি ব্যবসায়ীদের মাফিয়া বলায় শুনানিতে হট্টগোল

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:১৬:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানীর বিয়াম মিলনায়তনে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজি নিয়ে আয়োজিত বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের দিনব্যাপী গণশুনানির শেষ পর্যায়ে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। মূলত ব্যবসায়ীদের একটি পক্ষকে মাফিয়া হিসেবে অভিহিত করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই হট্টগোল শুরু হয়। দিনভর বিভিন্ন পক্ষের নানা মতবিনিময়ের পর এই অপ্রীতিকর পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটে, যা অল্প সময়ের জন্য হলেও পুরো মিলনায়তনের পরিবেশকে উত্তপ্ত করে তোলে।

শুনানিতে অংশ নিয়ে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ বা এফবিসিসিআইয়ের সদস্য শাহ আলম সরকার অভিযোগ করেন যে কমিশন নির্ধারিত দাম ঘোষণা করেই তাদের দায়িত্ব শেষ করে দেয়। তিনি আরও বলেন যে সাধারণ ভোক্তারা নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি দামে সিলিন্ডার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন এবং এই অসাধু ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণের কোনো কার্যকর ব্যবস্থা দেখা যাচ্ছে না। তার এই বক্তব্যে এলপিজি ব্যবসায়ীদের কার্যক্রম নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ পায়।

বক্তব্যের একপর্যায়ে শাহ আলম সরকার সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের মাফিয়া ডন হিসেবে উল্লেখ করলে সঙ্গে সঙ্গে আপত্তি জানান গণশুনানি কমিশনের চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ। তিনি মন্তব্য করেন যে সংবাদমাধ্যম বা অন্য কেউ এই শব্দ ব্যবহার করলেও এই ধরনের ফোরামে কাউকে এভাবে সম্বোধন করা যায় না। এই প্রতিবাদের জবাবে শাহ আলম সরকার বলেন যে সাধারণ মানুষ অতিরিক্ত মূল্য পরিশোধ করে হয়রানির শিকার হচ্ছে এবং সংবাদপত্রেও নিয়মিত এই চিত্র উঠে আসছে, তাই তিনি বাস্তব অবস্থাই তুলে ধরেছেন।

চেয়ারম্যানের এই অবস্থানের প্রতিবাদ জানিয়ে উপস্থিত সাধারণ শ্রোতাদের অনেকেই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন এবং কমিশন ব্যবসায়ীদের পক্ষ নিচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন। এই পরিস্থিতিতে হলের ভেতর ব্যবসায়ীদের একাংশ এবং ক্যাবসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিদের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। তবে কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে এবং স্বল্প সময়ের ব্যবধানে পরিস্থিতি শান্ত করা সম্ভব হয় এবং স্বাভাবিক পরিবেশেই শুনানির বাকি কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

ট্যাগস :

স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে কমনওয়েলথে বাংলাদেশের পদক

এলপিজি ব্যবসায়ীদের মাফিয়া বলায় শুনানিতে হট্টগোল

আপডেট সময় ০৬:১৬:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানীর বিয়াম মিলনায়তনে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজি নিয়ে আয়োজিত বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের দিনব্যাপী গণশুনানির শেষ পর্যায়ে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। মূলত ব্যবসায়ীদের একটি পক্ষকে মাফিয়া হিসেবে অভিহিত করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই হট্টগোল শুরু হয়। দিনভর বিভিন্ন পক্ষের নানা মতবিনিময়ের পর এই অপ্রীতিকর পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটে, যা অল্প সময়ের জন্য হলেও পুরো মিলনায়তনের পরিবেশকে উত্তপ্ত করে তোলে।

শুনানিতে অংশ নিয়ে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ বা এফবিসিসিআইয়ের সদস্য শাহ আলম সরকার অভিযোগ করেন যে কমিশন নির্ধারিত দাম ঘোষণা করেই তাদের দায়িত্ব শেষ করে দেয়। তিনি আরও বলেন যে সাধারণ ভোক্তারা নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি দামে সিলিন্ডার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন এবং এই অসাধু ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণের কোনো কার্যকর ব্যবস্থা দেখা যাচ্ছে না। তার এই বক্তব্যে এলপিজি ব্যবসায়ীদের কার্যক্রম নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ পায়।

বক্তব্যের একপর্যায়ে শাহ আলম সরকার সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের মাফিয়া ডন হিসেবে উল্লেখ করলে সঙ্গে সঙ্গে আপত্তি জানান গণশুনানি কমিশনের চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ। তিনি মন্তব্য করেন যে সংবাদমাধ্যম বা অন্য কেউ এই শব্দ ব্যবহার করলেও এই ধরনের ফোরামে কাউকে এভাবে সম্বোধন করা যায় না। এই প্রতিবাদের জবাবে শাহ আলম সরকার বলেন যে সাধারণ মানুষ অতিরিক্ত মূল্য পরিশোধ করে হয়রানির শিকার হচ্ছে এবং সংবাদপত্রেও নিয়মিত এই চিত্র উঠে আসছে, তাই তিনি বাস্তব অবস্থাই তুলে ধরেছেন।

চেয়ারম্যানের এই অবস্থানের প্রতিবাদ জানিয়ে উপস্থিত সাধারণ শ্রোতাদের অনেকেই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন এবং কমিশন ব্যবসায়ীদের পক্ষ নিচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন। এই পরিস্থিতিতে হলের ভেতর ব্যবসায়ীদের একাংশ এবং ক্যাবসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিদের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। তবে কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে এবং স্বল্প সময়ের ব্যবধানে পরিস্থিতি শান্ত করা সম্ভব হয় এবং স্বাভাবিক পরিবেশেই শুনানির বাকি কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।