আপডেট সময়
০৫:৩০:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
৩
বার পড়া হয়েছে
এনসিপির নবগঠিত কমিটির আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে হট্টগোল
রাজনীতি ডেস্ক: নেত্রকোনা শহরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নবগঠিত জেলা কমিটির পরিচিতি সভা ও সংবাদ সম্মেলন চলাকালে তীব্র হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। বিভিন্ন উপজেলা কমিটি গঠন এবং জেলা কমিটির পদ-পদবি বণ্টনকে কেন্দ্র করে দলের ভেতরকার অসন্তোষ প্রকাশ্য রূপ নেয়। এর ফলে নির্ধারিত অনুষ্ঠান প্রায় এক ঘণ্টা বন্ধ রাখতে বাধ্য হন আয়োজকরা। পরে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় জ্যেষ্ঠ নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হলে পুনরায় সভার কার্যক্রম শুরু হয়। স্থানীয় নেত্রকোনা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এই বিশৃঙ্খলার পরিবেশ তৈরি হয়।প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ অনুযায়ী, অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার পরপরই দলের একটি অংশ বিভিন্ন পদবঞ্চিত ও অবমূল্যায়ন করা হয়েছে দাবি করে আপত্তি তুলতে শুরু করে। একপর্যায়ে প্রতিবাদকারী নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সাথে মঞ্চে থাকা দায়িত্বশীলদের বাকবিতণ্ডা বাধে এবং মুহূর্তের মধ্যে পুরো মিলনায়তনে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার উপক্রম হলে উপস্থিত কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের জ্যেষ্ঠ নেতারা দ্রুত এগিয়ে যান। তাঁরা ক্ষুব্ধ নেতা-কর্মীদের শান্ত করার চেষ্টা করেন এবং দীর্ঘক্ষণ আলোচনার পর পরিবেশ অনুকূলে আসে।এই ঘটনার বিষয়ে জেলা কমিটির সদস্যসচিব তারিক জামিল ফয়েজী সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেছেন। তিনি জানান, নতুন একটি কমিটি গঠিত হলে সেখানে অনেক কাঙ্ক্ষিত মুখ বাদ পড়তে পারে, যা স্বাভাবিক একটি প্রক্রিয়া। এই বাদ পড়ার ক্ষোভ থেকেই সূচনালগ্নে সামান্য উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন। তবে বিষয়টিকে অভ্যন্তরীণ ভুল বোঝাবুঝি হিসেবে উল্লেখ করে তিনি জানান, বড় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি পুরোপুরি সামাল দেওয়া সম্ভব হয়েছে।দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এর আগে কেন্দ্রীয় সদস্যসচিব আখতার হোসেন ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের যৌথ স্বাক্ষরে এনসিপির নেত্রকোনা জেলা শাখার ৬৯ সদস্যবিশিষ্ট এই নতুন কমিটি অনুমোদিত হয়। ঘোষিত কমিটিতে ইফতেখার শামীমকে আহ্বায়ক এবং তারিক জামিল ফয়েজীকে সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মজার ব্যাপার হলো, এর আগের কমিটিতেও আহ্বায়ক হিসেবে ইফতেখার শামীমই দায়িত্বে ছিলেন। নতুন এই কমিটিতে শাহ এনায়েমকে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক এবং সৈয়দ এমদাদুল হককে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে আরও বেশ কয়েকজন নেতাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
রাজনীতি ডেস্ক: নেত্রকোনা শহরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নবগঠিত জেলা কমিটির পরিচিতি সভা ও সংবাদ সম্মেলন চলাকালে তীব্র হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। বিভিন্ন উপজেলা কমিটি গঠন এবং জেলা কমিটির পদ-পদবি বণ্টনকে কেন্দ্র করে দলের ভেতরকার অসন্তোষ প্রকাশ্য রূপ নেয়। এর ফলে নির্ধারিত অনুষ্ঠান প্রায় এক ঘণ্টা বন্ধ রাখতে বাধ্য হন আয়োজকরা। পরে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় জ্যেষ্ঠ নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হলে পুনরায় সভার কার্যক্রম শুরু হয়। স্থানীয় নেত্রকোনা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এই বিশৃঙ্খলার পরিবেশ তৈরি হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ অনুযায়ী, অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার পরপরই দলের একটি অংশ বিভিন্ন পদবঞ্চিত ও অবমূল্যায়ন করা হয়েছে দাবি করে আপত্তি তুলতে শুরু করে। একপর্যায়ে প্রতিবাদকারী নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সাথে মঞ্চে থাকা দায়িত্বশীলদের বাকবিতণ্ডা বাধে এবং মুহূর্তের মধ্যে পুরো মিলনায়তনে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার উপক্রম হলে উপস্থিত কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের জ্যেষ্ঠ নেতারা দ্রুত এগিয়ে যান। তাঁরা ক্ষুব্ধ নেতা-কর্মীদের শান্ত করার চেষ্টা করেন এবং দীর্ঘক্ষণ আলোচনার পর পরিবেশ অনুকূলে আসে।
এই ঘটনার বিষয়ে জেলা কমিটির সদস্যসচিব তারিক জামিল ফয়েজী সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেছেন। তিনি জানান, নতুন একটি কমিটি গঠিত হলে সেখানে অনেক কাঙ্ক্ষিত মুখ বাদ পড়তে পারে, যা স্বাভাবিক একটি প্রক্রিয়া। এই বাদ পড়ার ক্ষোভ থেকেই সূচনালগ্নে সামান্য উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন। তবে বিষয়টিকে অভ্যন্তরীণ ভুল বোঝাবুঝি হিসেবে উল্লেখ করে তিনি জানান, বড় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি পুরোপুরি সামাল দেওয়া সম্ভব হয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এর আগে কেন্দ্রীয় সদস্যসচিব আখতার হোসেন ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের যৌথ স্বাক্ষরে এনসিপির নেত্রকোনা জেলা শাখার ৬৯ সদস্যবিশিষ্ট এই নতুন কমিটি অনুমোদিত হয়। ঘোষিত কমিটিতে ইফতেখার শামীমকে আহ্বায়ক এবং তারিক জামিল ফয়েজীকে সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মজার ব্যাপার হলো, এর আগের কমিটিতেও আহ্বায়ক হিসেবে ইফতেখার শামীমই দায়িত্বে ছিলেন। নতুন এই কমিটিতে শাহ এনায়েমকে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক এবং সৈয়দ এমদাদুল হককে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে আরও বেশ কয়েকজন নেতাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।