আপডেট সময়
১২:৪৬:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
৩
বার পড়া হয়েছে
ইলিশ রক্ষায় নিষেধাজ্ঞা, পদ্মায় অন্য চিত্র
জাতীয় ডেস্ক: মা ইলিশ রক্ষার সরকারি নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকলেও দেশের অন্যতম প্রধান নদীতল পদ্মায় তার তেমন কোনো প্রভাব দেখা যাচ্ছে না। গত কয়েকদিন আগে আরিচা ফেরিঘাট এলাকা থেকে পাবনার নাজিরহাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া একটি লঞ্চযাত্রার সময় নদীর দৃশ্যপট সম্পূর্ণ ভিন্ন এক বাস্তবতাই তুলে ধরেছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর নজরদারি এড়িয়ে পদ্মার বুকে অনেকেই নির্বিচারে মা ইলিশ শিকার করে চলেছেন।প্রশাসনের কঠোর নির্দেশিকা ও সচেতনতামূলক প্রচার সত্ত্বেও অসাধু মৎস্যজীবীরা সরকারের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে জাল ফেলছেন। বিশেষ করে দূরবর্তী ও দুর্গম চরাঞ্চলগুলোতে এই বেআইনি কর্মকাণ্ডের মাত্রা অনেক বেশি দেখা যাচ্ছে। ফলস্বরূপ, প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ সুরক্ষার যে মূল লক্ষ্য, তা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।নদীর উজান বেয়ে চলা ওই জলযান থেকে দেখা যায়, জেলেরা প্রকাশ্যেই ছোট-বড় ট্রলার নিয়ে নদীর বুকে অবস্থান করছেন এবং নির্ধারিত নিয়মনীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাচ্ছেন। অথচ সরকারের পক্ষ থেকে পরিষ্কার ঘোষণা রয়েছে যে, এই নির্দিষ্ট সময়ে সারা দেশে ইলিশ ধরা, পরিবহন, মজুত ও বাজারজাতকরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তা সত্ত্বেও স্থানীয় প্রশাসনের তদারকি ও নজরদারির ফাঁকফোকর গলিয়ে এই বেআইনি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, মা ইলিশ যদি নিরাপদে ডিম ছাড়ার সুযোগ না পায়, তবে আগামীতে ইলিশের উৎপাদন বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। তাই কেবল নির্দেশনা জারি করলেই চলবে না, বরং নদীপথে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা এবং কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। অন্যথায়, পদ্মাসহ প্রধান নদনদীগুলোতে ইলিশ সংরক্ষণের সরকারি এই উদ্যোগ ব্যর্থ হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যায়।
জাতীয় ডেস্ক: মা ইলিশ রক্ষার সরকারি নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকলেও দেশের অন্যতম প্রধান নদীতল পদ্মায় তার তেমন কোনো প্রভাব দেখা যাচ্ছে না। গত কয়েকদিন আগে আরিচা ফেরিঘাট এলাকা থেকে পাবনার নাজিরহাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া একটি লঞ্চযাত্রার সময় নদীর দৃশ্যপট সম্পূর্ণ ভিন্ন এক বাস্তবতাই তুলে ধরেছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর নজরদারি এড়িয়ে পদ্মার বুকে অনেকেই নির্বিচারে মা ইলিশ শিকার করে চলেছেন।
প্রশাসনের কঠোর নির্দেশিকা ও সচেতনতামূলক প্রচার সত্ত্বেও অসাধু মৎস্যজীবীরা সরকারের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে জাল ফেলছেন। বিশেষ করে দূরবর্তী ও দুর্গম চরাঞ্চলগুলোতে এই বেআইনি কর্মকাণ্ডের মাত্রা অনেক বেশি দেখা যাচ্ছে। ফলস্বরূপ, প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ সুরক্ষার যে মূল লক্ষ্য, তা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
নদীর উজান বেয়ে চলা ওই জলযান থেকে দেখা যায়, জেলেরা প্রকাশ্যেই ছোট-বড় ট্রলার নিয়ে নদীর বুকে অবস্থান করছেন এবং নির্ধারিত নিয়মনীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাচ্ছেন। অথচ সরকারের পক্ষ থেকে পরিষ্কার ঘোষণা রয়েছে যে, এই নির্দিষ্ট সময়ে সারা দেশে ইলিশ ধরা, পরিবহন, মজুত ও বাজারজাতকরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তা সত্ত্বেও স্থানীয় প্রশাসনের তদারকি ও নজরদারির ফাঁকফোকর গলিয়ে এই বেআইনি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, মা ইলিশ যদি নিরাপদে ডিম ছাড়ার সুযোগ না পায়, তবে আগামীতে ইলিশের উৎপাদন বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। তাই কেবল নির্দেশনা জারি করলেই চলবে না, বরং নদীপথে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা এবং কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। অন্যথায়, পদ্মাসহ প্রধান নদনদীগুলোতে ইলিশ সংরক্ষণের সরকারি এই উদ্যোগ ব্যর্থ হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যায়।