আপডেট সময়
০১:৩০:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
২
বার পড়া হয়েছে
আমাদের মনোনীত প্রার্থী হারলে ওই ইউনিয়নে কোনো কাজ করব না: চিফ হুইপ মনি
রাজনীতি ডেস্ক: জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ এবং বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম মনি সম্প্রতি এক রাজনৈতিক সভায় অত্যন্ত কড়া ভাষায় মন্তব্য করেছেন যে, আগামী নির্বাচনে দলীয় মনোনীত প্রার্থী জয়লাভ না করলে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নগুলোতে কোনো ধরনের উন্নয়নমূলক কাজ করা হবে না। বামনা আসমাতুন্নেসা বালিকা বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত উপজেলা বিএনপির এক কর্মিসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই বিতর্কিত মন্তব্য করেন। তাঁর এমন স্পষ্ট হুমকি দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং বিভিন্ন মহོলে সমালোচনার সূত্রপাত ঘটিয়েছে। তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন যে, অন্য কেউ বিজয়ী হয়ে তাঁর কাছে কোনো অনুদান বা বরাদ্দের জন্য গেলে তিনি তা ফিরিয়ে দেবেন এবং ওই অঞ্চলের ভাগ্য খারাপ হবে বলে উল্লেখ করেন।সভায় সরকারের বর্তমান মেয়াদ ও কাজের পরিধি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বর্তমান বিরোধী দলগুলোর বিভিন্ন সমালোচনার কঠোর জবাব দেন। একটি শিশু জন্ম নিতে যেমন নির্দিষ্ট সময় প্রয়োজন হয়, তেমনি বর্তমান সরকার মাত্র কিছুদিন আগে ক্ষমতায় এসেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এই অল্প সময়ের মধ্যেই গ্যাস ও বিদ্যুতের দাবি তুলে সরকারের পদত্যাগ চাওয়া অযৌক্তিক বলে মন্তব্য করেন চিফ হুইপ। তিনি বিগত সরকারের শাসনামলে দেশের জ্বালানি খাতের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রসঙ্গ টেনে বলেন, বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ এবং বিদ্যুৎ আমদানির নামে লাখ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে। বিশেষ করে ভারতের আদানি গ্রুপের সঙ্গে সম্পাদিত বিদ্যুৎ চুক্তির কঠোর সমালোচনা করে তিনি দাবি করেন যে, ওই চুক্তির বিপুল অর্থ দিয়ে দেশের ভেতরই একাধিক আধুনিক বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরি করা সম্ভব ছিল।বক্তব্যের একটি বড় অংশ জুড়ে তিনি আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে দেশের সনাতন ধর্মাবলম্বী নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ জোর দেন। নূরুল ইসলাম মনি সতর্ক করে বলেন যে, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের দিকে কেউ কুদৃষ্টি দিলে বা তাদের কোনো ধরনের ক্ষতি করার চেষ্টা করলে তা কঠোর হাতে দমন করা হবে। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষণা অনুযায়ী দেশে কোনো সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু ভেদাভেদ নেই, সবাই এ দেশের সমান অধিকারসম্পন্ন নাগরিক। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে সব সম্প্রদায়ের মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করেছে বলেও তিনি তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন।চিফ হুইপ আরও বলেন যে, সংবিধান অনুযায়ী এ দেশের প্রতিটি নাগরিকের সমান সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার অধিকার রয়েছে এবং কেউ যদি স্বপ্নেও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কোনো ক্ষতি করার কথা ভাবে, তবে সেই চক্রান্তের শিকড় উৎপাটন করা হবে। পূজামণ্ডপগুলোতে দলমত নির্বিশেষে সকলকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার জন্য তিনি স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান। তাঁর এই দ্বিমুখী বক্তব্য, একদিকে দলীয় প্রার্থীকে জয়ী করার জন্য একরকম প্রচ্ছন্ন চাপ প্রয়োগ এবং অন্যদিকে ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষার দৃঢ় অঙ্গীকার, স্থানীয় রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
রাজনীতি ডেস্ক: জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ এবং বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম মনি সম্প্রতি এক রাজনৈতিক সভায় অত্যন্ত কড়া ভাষায় মন্তব্য করেছেন যে, আগামী নির্বাচনে দলীয় মনোনীত প্রার্থী জয়লাভ না করলে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নগুলোতে কোনো ধরনের উন্নয়নমূলক কাজ করা হবে না। বামনা আসমাতুন্নেসা বালিকা বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত উপজেলা বিএনপির এক কর্মিসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই বিতর্কিত মন্তব্য করেন। তাঁর এমন স্পষ্ট হুমকি দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং বিভিন্ন মহོলে সমালোচনার সূত্রপাত ঘটিয়েছে। তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন যে, অন্য কেউ বিজয়ী হয়ে তাঁর কাছে কোনো অনুদান বা বরাদ্দের জন্য গেলে তিনি তা ফিরিয়ে দেবেন এবং ওই অঞ্চলের ভাগ্য খারাপ হবে বলে উল্লেখ করেন।
সভায় সরকারের বর্তমান মেয়াদ ও কাজের পরিধি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বর্তমান বিরোধী দলগুলোর বিভিন্ন সমালোচনার কঠোর জবাব দেন। একটি শিশু জন্ম নিতে যেমন নির্দিষ্ট সময় প্রয়োজন হয়, তেমনি বর্তমান সরকার মাত্র কিছুদিন আগে ক্ষমতায় এসেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এই অল্প সময়ের মধ্যেই গ্যাস ও বিদ্যুতের দাবি তুলে সরকারের পদত্যাগ চাওয়া অযৌক্তিক বলে মন্তব্য করেন চিফ হুইপ। তিনি বিগত সরকারের শাসনামলে দেশের জ্বালানি খাতের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রসঙ্গ টেনে বলেন, বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ এবং বিদ্যুৎ আমদানির নামে লাখ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে। বিশেষ করে ভারতের আদানি গ্রুপের সঙ্গে সম্পাদিত বিদ্যুৎ চুক্তির কঠোর সমালোচনা করে তিনি দাবি করেন যে, ওই চুক্তির বিপুল অর্থ দিয়ে দেশের ভেতরই একাধিক আধুনিক বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরি করা সম্ভব ছিল।
বক্তব্যের একটি বড় অংশ জুড়ে তিনি আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে দেশের সনাতন ধর্মাবলম্বী নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ জোর দেন। নূরুল ইসলাম মনি সতর্ক করে বলেন যে, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের দিকে কেউ কুদৃষ্টি দিলে বা তাদের কোনো ধরনের ক্ষতি করার চেষ্টা করলে তা কঠোর হাতে দমন করা হবে। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষণা অনুযায়ী দেশে কোনো সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু ভেদাভেদ নেই, সবাই এ দেশের সমান অধিকারসম্পন্ন নাগরিক। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে সব সম্প্রদায়ের মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করেছে বলেও তিনি তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন।
চিফ হুইপ আরও বলেন যে, সংবিধান অনুযায়ী এ দেশের প্রতিটি নাগরিকের সমান সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার অধিকার রয়েছে এবং কেউ যদি স্বপ্নেও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কোনো ক্ষতি করার কথা ভাবে, তবে সেই চক্রান্তের শিকড় উৎপাটন করা হবে। পূজামণ্ডপগুলোতে দলমত নির্বিশেষে সকলকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার জন্য তিনি স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান। তাঁর এই দ্বিমুখী বক্তব্য, একদিকে দলীয় প্রার্থীকে জয়ী করার জন্য একরকম প্রচ্ছন্ন চাপ প্রয়োগ এবং অন্যদিকে ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষার দৃঢ় অঙ্গীকার, স্থানীয় রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।