আপডেট সময়
০২:০০:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
৩
বার পড়া হয়েছে
অসংক্রামক রোগের বড় কারণ খাবারে ভেজাল
স্বাস্থ্য ডেস্ক: দেশের সামগ্রিক জনস্বাস্থ্য খাতে অসংক্রামক রোগের প্রকোপ আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। সাম্প্রতিক এক পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে যে, বর্তমানে বাংলাদেশে মোট মৃত্যুর প্রায় ৭০ শতাংশের জন্যই দায়ী এই ধরনের জটিল ব্যাধি। হৃদরোগ, ক্যানসার, ডায়াবেটিস এবং কিডনি জটিলতার মতো প্রাণঘাতী রোগগুলোর পেছনে খাদ্যে ভেজাল অন্যতম প্রধান অনুঘটক হিসেবে কাজ করছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, দৈনন্দিন জীবনে আমরা যেসব খাবার গ্রহণ করছি তার একটি বড় অংশই বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ, কৃত্রিম রং এবং ক্ষতিকর উপাদানে ভেজালযুক্ত থাকে। ফলমূল, সবজি থেকে শুরু করে প্রক্রিয়াজাত খাদ্য—সবক্ষেত্রেই ভেজালের এই দৌরাত্ম্য মানুষের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ক্রমান্বয়ে কমিয়ে দিচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদে এসব বিষাক্ত উপাদান মানবদেহে প্রবেশ করে অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলোকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে।চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরে এই পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছেন এবং ভেজাল রোধে কঠোর আইন প্রয়োগের ওপর জোর দিয়েছেন। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা না গেলে অসংক্রামক রোগের এই গ্রাফ আরও ঊর্ধ্বমুখী হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষের অসচেতনতা এবং ভেজালবিরোধী কার্যক্রমে শৈথিল্যের কারণে পরিস্থিতি দিন দিন আরও জটিল আকার ধারণ করছে।এই সংকট মোকাবিলায় কেবল আইন প্রণয়নই যথেষ্ট নয়, বরং তার সঠিক বাস্তবায়ন এবং মনিটরিং জোরদার করা অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে খাদ্যের গুণগত মান রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরও কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করতে হবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
স্বাস্থ্য ডেস্ক: দেশের সামগ্রিক জনস্বাস্থ্য খাতে অসংক্রামক রোগের প্রকোপ আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। সাম্প্রতিক এক পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে যে, বর্তমানে বাংলাদেশে মোট মৃত্যুর প্রায় ৭০ শতাংশের জন্যই দায়ী এই ধরনের জটিল ব্যাধি। হৃদরোগ, ক্যানসার, ডায়াবেটিস এবং কিডনি জটিলতার মতো প্রাণঘাতী রোগগুলোর পেছনে খাদ্যে ভেজাল অন্যতম প্রধান অনুঘটক হিসেবে কাজ করছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দৈনন্দিন জীবনে আমরা যেসব খাবার গ্রহণ করছি তার একটি বড় অংশই বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ, কৃত্রিম রং এবং ক্ষতিকর উপাদানে ভেজালযুক্ত থাকে। ফলমূল, সবজি থেকে শুরু করে প্রক্রিয়াজাত খাদ্য—সবক্ষেত্রেই ভেজালের এই দৌরাত্ম্য মানুষের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ক্রমান্বয়ে কমিয়ে দিচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদে এসব বিষাক্ত উপাদান মানবদেহে প্রবেশ করে অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলোকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরে এই পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছেন এবং ভেজাল রোধে কঠোর আইন প্রয়োগের ওপর জোর দিয়েছেন। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা না গেলে অসংক্রামক রোগের এই গ্রাফ আরও ঊর্ধ্বমুখী হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষের অসচেতনতা এবং ভেজালবিরোধী কার্যক্রমে শৈথিল্যের কারণে পরিস্থিতি দিন দিন আরও জটিল আকার ধারণ করছে।
এই সংকট মোকাবিলায় কেবল আইন প্রণয়নই যথেষ্ট নয়, বরং তার সঠিক বাস্তবায়ন এবং মনিটরিং জোরদার করা অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে খাদ্যের গুণগত মান রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরও কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করতে হবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।