আপডেট সময়
০৩:৩০:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
৫
বার পড়া হয়েছে
অলিম্পিক-কমনওয়েলথ-এশিয়ান গেমসে লক্ষ্য এখন পদক জয়: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
খেলা ডেস্ক: দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। সম্প্রতি জাতীয় স্টেডিয়ামে আয়োজিত সামার অ্যাথলেটিকসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, সঠিক দিকনির্দেশনা ও নিবিড় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা গেলে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে অলিম্পিক, কমনওয়েলথ এবং এশিয়ান গেমসের মতো প্রতিযোগিতায় কেবল অংশগ্রহণেই সীমাবদ্ধ থাকবে না বাংলাদেশ, বরং পদক জয়ের জন্য শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলবে।এই দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য অর্জনে তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভা খুঁজে বের করার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রতিমন্ত্রী জানান, বিভিন্ন প্রতিযোগিতার মাধ্যমে promising অ্যাথলেটদের বাছাই করে দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণের জন্য বিকেএসপিতে স্থায়ীভাবে ভর্তি করা হবে। নির্বাচিত এসব তরুণ ক্রীড়াবিদের লেখাপড়া ও খেলাধুলার যাবতীয় ব্যয়ভার রাষ্ট্র বহন করবে। বিশ্বমানের অ্যাথলেট হিসেবে গড়ে না ওঠা পর্যন্ত তাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি উল্লেখ করেন যে, এই উদীয়মান তারকারাই একদিন বিশ্বমঞ্চে লাল-সবুজের পতাকা উজ্জ্বল করবে।আধুনিক সমাজের নানা নেতিবাচক প্রভাব থেকে তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। গ্যালারিতে উপস্থিত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আজকের প্রজন্মকে মোবাইল ও ইন্টারনেটের আসক্তি এবং মাদকের করাল গ্রাস থেকে দূরে রাখতে নিয়মিত খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করা অত্যন্ত জরুরি। খেলাধুলার চর্চা কেবল শারীরিক ও মানসিক বিকাশই ঘটায় না, বরং একটি ঐক্যবদ্ধ, সুস্থ এবং সুশৃঙ্খল জাতি গঠনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।ক্রীড়া খাতের আমূল পরিবর্তন রাতারাতি অর্জন করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করে প্রতিমন্ত্রী জানান যে বর্তমান প্রশাসন একদম শূন্য থেকে তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। তবে খেলোয়াড়দের মধ্যে পেশাদারিত্ব, অকৃত্রিম দেশপ্রেম এবং কঠোর পরিশ্রমের মানসিকতা তৈরি করা গেলে সফলতা অবধারিত। পরিশেষে, দেশের সব ক্রীড়াবিদ ও সংগঠকদের দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সবার আগে দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি এবং সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
খেলা ডেস্ক: দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। সম্প্রতি জাতীয় স্টেডিয়ামে আয়োজিত সামার অ্যাথলেটিকসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, সঠিক দিকনির্দেশনা ও নিবিড় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা গেলে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে অলিম্পিক, কমনওয়েলথ এবং এশিয়ান গেমসের মতো প্রতিযোগিতায় কেবল অংশগ্রহণেই সীমাবদ্ধ থাকবে না বাংলাদেশ, বরং পদক জয়ের জন্য শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলবে।
এই দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য অর্জনে তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভা খুঁজে বের করার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রতিমন্ত্রী জানান, বিভিন্ন প্রতিযোগিতার মাধ্যমে promising অ্যাথলেটদের বাছাই করে দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণের জন্য বিকেএসপিতে স্থায়ীভাবে ভর্তি করা হবে। নির্বাচিত এসব তরুণ ক্রীড়াবিদের লেখাপড়া ও খেলাধুলার যাবতীয় ব্যয়ভার রাষ্ট্র বহন করবে। বিশ্বমানের অ্যাথলেট হিসেবে গড়ে না ওঠা পর্যন্ত তাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি উল্লেখ করেন যে, এই উদীয়মান তারকারাই একদিন বিশ্বমঞ্চে লাল-সবুজের পতাকা উজ্জ্বল করবে।
আধুনিক সমাজের নানা নেতিবাচক প্রভাব থেকে তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। গ্যালারিতে উপস্থিত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আজকের প্রজন্মকে মোবাইল ও ইন্টারনেটের আসক্তি এবং মাদকের করাল গ্রাস থেকে দূরে রাখতে নিয়মিত খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করা অত্যন্ত জরুরি। খেলাধুলার চর্চা কেবল শারীরিক ও মানসিক বিকাশই ঘটায় না, বরং একটি ঐক্যবদ্ধ, সুস্থ এবং সুশৃঙ্খল জাতি গঠনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ক্রীড়া খাতের আমূল পরিবর্তন রাতারাতি অর্জন করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করে প্রতিমন্ত্রী জানান যে বর্তমান প্রশাসন একদম শূন্য থেকে তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। তবে খেলোয়াড়দের মধ্যে পেশাদারিত্ব, অকৃত্রিম দেশপ্রেম এবং কঠোর পরিশ্রমের মানসিকতা তৈরি করা গেলে সফলতা অবধারিত। পরিশেষে, দেশের সব ক্রীড়াবিদ ও সংগঠকদের দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সবার আগে দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি এবং সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।