আপডেট সময়
১১:৪৬:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
১
বার পড়া হয়েছে
অনলাইনে চাঁদপুরের ইলিশ বিক্রি করতে লাগবে লাইসেন্স
জাতীয় ডেস্ক: দেশজুড়ে চাঁদপুরের সুস্বাদু ইলিশের ব্যাপক সুনাম রয়েছে। এই সুনামের সুযোগ নিয়ে সম্প্রতি একটি অসাধু চক্র দীর্ঘদিন ধরে ফেসবুক পেজের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিল। মূলত চাঁদপুরের ইলিশ বিক্রির নাম করে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিল এই চক্রটি। এই ধরনের প্রতারণামূলক কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ করতে এবার কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন। এখন থেকে অনলাইনে চাঁদপুরের ইলিশ বিক্রি করতে চাইলে লাইসেন্স নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।সম্প্রতি চাঁদপুর জেলা প্রশাসনের ব্যবসা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ শাখা থেকে এ বিষয়ে একটি বিশেষ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চাঁদপুর জেলার ইলিশের ঐতিহ্য ও সুনাম রক্ষা এবং এর মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসন নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ভুয়া ফেসবুক পেজ খুলে সাধারণ ক্রেতাদের সঙ্গে প্রতিনিয়ত প্রতারণা করে চলেছেন। এসব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড রোধ করতেই মূলত অনলাইনে ইলিশ ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের লাইসেন্সের আওতায় আনার এই যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।নতুন এই নিয়মের আওতায় অনলাইনে ইলিশ ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার জন্য আগ্রহী ব্যবসায়ীদের কিছু সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। এর অংশ হিসেবে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে নির্দিষ্ট ফরম সংগ্রহ করে তা পূরণ করে আবেদন করতে হবে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র যথাযথভাবে দাখিল করার মাধ্যমে লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই লাইসেন্স গ্রহণের নির্দিষ্ট সময়সীমাও বেঁধে দেওয়া হয়েছে, যাতে দ্রুত পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা সম্ভব হয়।এদিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, চাঁদপুরের ইলিশের নাম ভাঙিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রতারণা চালিয়ে আসছিল এসব চক্র। এ বিষয়ে পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান জানান যে ইতিমধ্যে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। নড়াইলসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে বেশ কয়েকজন প্রতারককে আটক করে ইতোমধ্যে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। জেলা প্রশাসনের এই নতুন লাইসেন্স প্রথার ফলে সাধারণ ক্রেতারা অনলাইনে নিরাপদভাবে ইলিশ কিনতে পারবেন এবং প্রতারণার শিকার হওয়ার আশঙ্কা অনেকাংশে কমে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
জাতীয় ডেস্ক: দেশজুড়ে চাঁদপুরের সুস্বাদু ইলিশের ব্যাপক সুনাম রয়েছে। এই সুনামের সুযোগ নিয়ে সম্প্রতি একটি অসাধু চক্র দীর্ঘদিন ধরে ফেসবুক পেজের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিল। মূলত চাঁদপুরের ইলিশ বিক্রির নাম করে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিল এই চক্রটি। এই ধরনের প্রতারণামূলক কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ করতে এবার কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন। এখন থেকে অনলাইনে চাঁদপুরের ইলিশ বিক্রি করতে চাইলে লাইসেন্স নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
সম্প্রতি চাঁদপুর জেলা প্রশাসনের ব্যবসা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ শাখা থেকে এ বিষয়ে একটি বিশেষ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চাঁদপুর জেলার ইলিশের ঐতিহ্য ও সুনাম রক্ষা এবং এর মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসন নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ভুয়া ফেসবুক পেজ খুলে সাধারণ ক্রেতাদের সঙ্গে প্রতিনিয়ত প্রতারণা করে চলেছেন। এসব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড রোধ করতেই মূলত অনলাইনে ইলিশ ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের লাইসেন্সের আওতায় আনার এই যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নতুন এই নিয়মের আওতায় অনলাইনে ইলিশ ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার জন্য আগ্রহী ব্যবসায়ীদের কিছু সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। এর অংশ হিসেবে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে নির্দিষ্ট ফরম সংগ্রহ করে তা পূরণ করে আবেদন করতে হবে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র যথাযথভাবে দাখিল করার মাধ্যমে লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই লাইসেন্স গ্রহণের নির্দিষ্ট সময়সীমাও বেঁধে দেওয়া হয়েছে, যাতে দ্রুত পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা সম্ভব হয়।
এদিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, চাঁদপুরের ইলিশের নাম ভাঙিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রতারণা চালিয়ে আসছিল এসব চক্র। এ বিষয়ে পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান জানান যে ইতিমধ্যে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। নড়াইলসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে বেশ কয়েকজন প্রতারককে আটক করে ইতোমধ্যে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। জেলা প্রশাসনের এই নতুন লাইসেন্স প্রথার ফলে সাধারণ ক্রেতারা অনলাইনে নিরাপদভাবে ইলিশ কিনতে পারবেন এবং প্রতারণার শিকার হওয়ার আশঙ্কা অনেকাংশে কমে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।