ঢাকা ১২:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo আলো-ছায়ার দ্বৈত ভাষা ‘প্রতিবিম্ব কবিতা’ Logo উপসাগরীয় ৬ দেশকে যুক্ত করবে ২১০০ কিলোমিটারের এক রেললাইন Logo তিন বছরে পোশাকশ্রমিকের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে তিন ভাগের এক ভাগ Logo রাজনৈতিক সমর্থন দেখাতে হবে ব্যালট বাক্সে, সরকারি অফিসে নয়: নবীন কর্মকর্তাদের প্রধানমন্ত্রী Logo অ্যাটকোর নতুন সভাপতি অঞ্জন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম Logo ২৭৬ কোটি টাকা ঋণখেলাপি মামলায় সাবেক ভূমিমন্ত্রীসহ ৬ জনের সাজা Logo সৌদি রুটে বিধিনিষেধে বাতিল–স্থগিত ১৮৬ ফ্লাইট, ভোগান্তিতে ২৩ হাজারের বেশি যাত্রী Logo অগ্রণী ব্যাংকে টাকা রেখে এখন হিসাবের অস্তিত্ব পাচ্ছেন না ৩১৫ গ্রাহক Logo কোন পথে চীনের করিডর? Logo বাংলাদেশের পর্যটনে তুর্কি বিনিয়োগ ও পর্যটক আকর্ষণে বিটিবির উদ্যোগ
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

অগ্রণী ব্যাংকে টাকা রেখে এখন হিসাবের অস্তিত্ব পাচ্ছেন না ৩১৫ গ্রাহক

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:৩০:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

অর্থনীতি ডেস্ক: রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক অগ্রণী ব্যাংকের একটি শাখায় ভয়াবহ আর্থিক অনিয়মের ঘটনায় চরম বিপাকে পড়েছেন শত শত গ্রাহক। ব্যাংকটির মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর শাখায় হিসাবের বিপরীতে জমা রাখা প্রায় ত্রিশ কোটি টাকা আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে ব্যাংকটির কিছু অসাধু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। নিয়ম মেনে অর্থ জমা দিলেও ব্যাংক ব্যবস্থার ভেতরে এখন ওইসব হিসাবের কোনো অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে সঞ্চয়ের টাকা তুলতে না পেরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন সাধারণ আমানতকারীরা।

এই বিশাল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ ও ব্যাংক খাতের নজিরবিহীন জালিয়াতির ঘটনার প্রতিবাদে রাজধানীর মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী গ্রাহকরা। ভুক্তভোগী গ্রাহক ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা তাদের কষ্টার্জিত অর্থ উদ্ধার ও অপরাধীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানান। একই সঙ্গে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দপ্তরে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়ে এই সংকট নিরসনের আকুতি জানিয়েছেন তারা।

আন্দোলনকারী গ্রাহকদের ভাষ্য অনুযায়ী, তারা ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়ার সময় মুঠোফোনে নিশ্চিতকরণের বার্তা পেলেও পরবর্তীতে ব্যাংক হিসাবের অস্তিত্ব অস্বীকার করা হচ্ছে। কেউ কেউ দীর্ঘদিনের কষ্টার্জিত সঞ্চয়, পেনশনের অর্থ কিংবা ব্যবসার মূলধন এই ব্যাংকে রেখেছিলেন। কিন্তু বর্তমানে ব্যাংক কর্মকর্তাদের অসহযোগিতা ও টালবাহানায় গ্রাহকরা সম্পূর্ণ নিঃস্ব হওয়ার উপক্রম হয়েছেন। সরকারি একটি ব্যাংকে সাধারণ মানুষের এমন বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে সংঘটিত এই অপরাধ পুরো ব্যাংকিং খাতের ওপর জনগণের আস্থাকে বড় ধরনের ঝুঁকিতে ফেলে দিয়েছে।

মানববন্ধন থেকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সাত দফা দাবি তুলে ধরেছেন ক্ষতিগ্রস্তরা, যার মধ্যে রয়েছে একটি উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন এবং জালিয়াতির সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি। এদিকে ব্যাংকটির শীর্ষ পর্যায় থেকে জানানো হয়েছে যে, এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি নিয়ে ইতিমধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশন বা দুদক তদন্ত পরিচালনা করে মামলা দায়ের করেছে এবং বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া এবং অর্থ জমা হওয়ার সত্যতা যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে প্রতিটি ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহক তাদের পাওনা টাকা ফেরত পাবেন বলে ব্যাংকের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

আলো-ছায়ার দ্বৈত ভাষা ‘প্রতিবিম্ব কবিতা’

অগ্রণী ব্যাংকে টাকা রেখে এখন হিসাবের অস্তিত্ব পাচ্ছেন না ৩১৫ গ্রাহক

আপডেট সময় ১০:৩০:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক অগ্রণী ব্যাংকের একটি শাখায় ভয়াবহ আর্থিক অনিয়মের ঘটনায় চরম বিপাকে পড়েছেন শত শত গ্রাহক। ব্যাংকটির মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর শাখায় হিসাবের বিপরীতে জমা রাখা প্রায় ত্রিশ কোটি টাকা আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে ব্যাংকটির কিছু অসাধু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। নিয়ম মেনে অর্থ জমা দিলেও ব্যাংক ব্যবস্থার ভেতরে এখন ওইসব হিসাবের কোনো অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে সঞ্চয়ের টাকা তুলতে না পেরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন সাধারণ আমানতকারীরা।

এই বিশাল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ ও ব্যাংক খাতের নজিরবিহীন জালিয়াতির ঘটনার প্রতিবাদে রাজধানীর মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী গ্রাহকরা। ভুক্তভোগী গ্রাহক ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা তাদের কষ্টার্জিত অর্থ উদ্ধার ও অপরাধীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানান। একই সঙ্গে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দপ্তরে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়ে এই সংকট নিরসনের আকুতি জানিয়েছেন তারা।

আন্দোলনকারী গ্রাহকদের ভাষ্য অনুযায়ী, তারা ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়ার সময় মুঠোফোনে নিশ্চিতকরণের বার্তা পেলেও পরবর্তীতে ব্যাংক হিসাবের অস্তিত্ব অস্বীকার করা হচ্ছে। কেউ কেউ দীর্ঘদিনের কষ্টার্জিত সঞ্চয়, পেনশনের অর্থ কিংবা ব্যবসার মূলধন এই ব্যাংকে রেখেছিলেন। কিন্তু বর্তমানে ব্যাংক কর্মকর্তাদের অসহযোগিতা ও টালবাহানায় গ্রাহকরা সম্পূর্ণ নিঃস্ব হওয়ার উপক্রম হয়েছেন। সরকারি একটি ব্যাংকে সাধারণ মানুষের এমন বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে সংঘটিত এই অপরাধ পুরো ব্যাংকিং খাতের ওপর জনগণের আস্থাকে বড় ধরনের ঝুঁকিতে ফেলে দিয়েছে।

মানববন্ধন থেকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সাত দফা দাবি তুলে ধরেছেন ক্ষতিগ্রস্তরা, যার মধ্যে রয়েছে একটি উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন এবং জালিয়াতির সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি। এদিকে ব্যাংকটির শীর্ষ পর্যায় থেকে জানানো হয়েছে যে, এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি নিয়ে ইতিমধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশন বা দুদক তদন্ত পরিচালনা করে মামলা দায়ের করেছে এবং বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া এবং অর্থ জমা হওয়ার সত্যতা যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে প্রতিটি ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহক তাদের পাওনা টাকা ফেরত পাবেন বলে ব্যাংকের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে।