আপডেট সময়
০১:৪৫:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬
২
বার পড়া হয়েছে
স্থাপত্য ও চিত্রে পুরান ঢাকার কাব্যময়তা
বিনোদন ডেস্ক: রাজধানীর পুরান ঢাকার ঐতিহাসিক লালবাগ এলাকাতেই জন্মগ্রহণ করেছেন খ্যাতিমান চিত্রশিল্পী ও স্থপতি রফিক আজম। তাঁর মননে ও চেতনায় গভীরভাবে জড়িয়ে রয়েছে এই প্রাচীন জনপদের আবহ, স্থাপত্য এবং শৈশবের নান্দনিক স্মৃতি। পরবর্তী সময়ে তাঁর শিল্পকর্মে এই অঞ্চলের ঐতিহ্য ও কাব্যময় রূপ অত্যন্ত চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে, যা শিল্পপ্রেমীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার নানা মাত্রিক পরিবর্তন ও রূপান্তর অত্যন্ত নিখুঁতভাবে পর্যবেক্ষণ করে আসছেন এই শিল্পী। বর্তমান সময়ে অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে ঢাকা যেভাবে তার সবুজ প্রান্তর হারিয়ে ফেলেছে এবং একটি রুক্ষ কংক্রিটের শহরে পরিণত হয়েছে, সেই বাস্তবতা তাঁর কাজে গভীর ক্ষোভ ও উপলব্ধির মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়েছে। নাগরিক জীবনের এই যান্ত্রিকতা ও প্রকৃতির অভাব তিনি অত্যন্ত সংবেদনশীলতার সঙ্গে তুলে ধরেছেন।তাঁর ছবিতে ইট-কাঠের এই নিষ্ঠুর শহরের পাশাপাশি পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী দালানকোঠা ও জীবনযাত্রার চিত্র ভিন্ন এক মাত্রায় প্রকাশ পায়। ঐতিহাসিক এই এলাকার সরু গলি, পুরনো ইমারত এবং মানুষের যাপিত জীবন তাঁর স্থাপত্য ও চিত্রশিল্পে এক অদ্ভুত কাব্যিক রূপ লাভ করে। এই শিল্পকর্মগুলো কেবল দৃশ্যমান রূপ নয়, বরং ঢাকার হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যকে ফিরে পাওয়ার এক আকুল আবেদন।শিল্পীর সামগ্রিক সৃষ্টিশীলতায় পুরান ঢাকার নাড়ির টান এবং আধুনিক ঢাকার রূপান্তরের দ্বন্দ্ব অত্যন্ত স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হয়। তাঁর এই সুচিন্তিত ও গভীর পর্যবেক্ষণমূলক কাজ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে ঢাকার অতীত রূপ তুলে ধরার পাশাপাশি অপরিকল্পিত উন্নয়নের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা যায়।
বিনোদন ডেস্ক: রাজধানীর পুরান ঢাকার ঐতিহাসিক লালবাগ এলাকাতেই জন্মগ্রহণ করেছেন খ্যাতিমান চিত্রশিল্পী ও স্থপতি রফিক আজম। তাঁর মননে ও চেতনায় গভীরভাবে জড়িয়ে রয়েছে এই প্রাচীন জনপদের আবহ, স্থাপত্য এবং শৈশবের নান্দনিক স্মৃতি। পরবর্তী সময়ে তাঁর শিল্পকর্মে এই অঞ্চলের ঐতিহ্য ও কাব্যময় রূপ অত্যন্ত চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে, যা শিল্পপ্রেমীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার নানা মাত্রিক পরিবর্তন ও রূপান্তর অত্যন্ত নিখুঁতভাবে পর্যবেক্ষণ করে আসছেন এই শিল্পী। বর্তমান সময়ে অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে ঢাকা যেভাবে তার সবুজ প্রান্তর হারিয়ে ফেলেছে এবং একটি রুক্ষ কংক্রিটের শহরে পরিণত হয়েছে, সেই বাস্তবতা তাঁর কাজে গভীর ক্ষোভ ও উপলব্ধির মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়েছে। নাগরিক জীবনের এই যান্ত্রিকতা ও প্রকৃতির অভাব তিনি অত্যন্ত সংবেদনশীলতার সঙ্গে তুলে ধরেছেন।
তাঁর ছবিতে ইট-কাঠের এই নিষ্ঠুর শহরের পাশাপাশি পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী দালানকোঠা ও জীবনযাত্রার চিত্র ভিন্ন এক মাত্রায় প্রকাশ পায়। ঐতিহাসিক এই এলাকার সরু গলি, পুরনো ইমারত এবং মানুষের যাপিত জীবন তাঁর স্থাপত্য ও চিত্রশিল্পে এক অদ্ভুত কাব্যিক রূপ লাভ করে। এই শিল্পকর্মগুলো কেবল দৃশ্যমান রূপ নয়, বরং ঢাকার হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যকে ফিরে পাওয়ার এক আকুল আবেদন।
শিল্পীর সামগ্রিক সৃষ্টিশীলতায় পুরান ঢাকার নাড়ির টান এবং আধুনিক ঢাকার রূপান্তরের দ্বন্দ্ব অত্যন্ত স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হয়। তাঁর এই সুচিন্তিত ও গভীর পর্যবেক্ষণমূলক কাজ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে ঢাকার অতীত রূপ তুলে ধরার পাশাপাশি অপরিকল্পিত উন্নয়নের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা যায়।