আপডেট সময়
০৭:১৫:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
৫
বার পড়া হয়েছে
রান্নার হাঁড়ি থেকেই খাবারে মিশছে সিসা, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ গবেষণা
স্বাস্থ্য ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশ বা আইসিডিডিআর,বি-এর এক যৌথ গবেষণায় রান্নাঘরের অ্যালুমিনিয়াম পাত্র নিয়ে উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে। গবেষকেরা দেখতে পেয়েছেন যে পুরোনো ধাতু বা স্ক্র্যাপ গলিয়ে তৈরি স্থানীয় অ্যালুমিনিয়াম হাঁড়িতে রান্নার সময় খাবারে ক্ষতিকর সিসা মিশে যেতে পারে। বিশেষ করে নতুন পাত্রগুলোতে এই দূষণের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি থাকে এবং স্টিলের তারের জালি দিয়ে মাজার ফলে সিসা নির্গমনের পরিমাণ আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। সিসা একটি অত্যন্ত বিষাক্ত ভারী ধাতু হলেও খাবারে মিশে যাওয়ার পর এর কোনো দৃশ্যমান রং, গন্ধ কিংবা স্বাদ থাকে না।সম্প্রতি প্রকাশিত এই গবেষণায় গবেষক দল স্থানীয় বাজার থেকে বেশ কিছু নতুন ও পুরোনো অ্যালুমিনিয়াম হাঁড়ি সংগ্রহ করে পরীক্ষা চালান। পরীক্ষামূলকভাবে এই পাত্রগুলোতে ভাত ও খিচুড়ি রান্না করে দেখা হয় এবং তরল পদার্থের ক্ষেত্রে অ্যাসিটিক অ্যাসিডের দ্রবণ ব্যবহার করা হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, নতুন হাঁড়িতে প্রথমবার ভাত বা খিচুড়ি রান্না করলে তাতে নিরাপদ মাত্রার চেয়ে বহুগুণ বেশি সিসা প্রবেশ করে। এমনকি পাত্রগুলো বারবার ব্যবহারের পরেও সিসার উপস্থিতি পাওয়া গেছে, যা প্রমাণ করে যে শুধু পুরোনো হলেই ঝুঁকি কমে যায় না।শরীরে সিসা প্রবেশ করলে তা মস্তিষ্ক, যকৃৎ, কিডনিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গে জমা হয়ে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে শিশুদের স্নায়ুতন্ত্র ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের ওপর এটি দীর্ঘমেয়াদি ও অপূরণীয় ক্ষতিসাধন করে। গর্ভবতী নারী এবং প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রেও সিসার বিষাক্ততা উচ্চ রক্তচাপ ও রক্তস্বল্পতার মতো জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। গবেষকেরা সতর্ক করে বলেছেন যে রান্না করার সময় ধাতব খুন্তি ব্যবহার এবং ইস্পাতের জালি দিয়ে ঘষে পাত্র পরিষ্কার করলে সিসা ঝরে পড়ার প্রবণতা আরও তীব্র হয়।তবে সব অ্যালুমিনিয়াম পাত্রকেই এই ঝুঁকির আওতাভুক্ত করা যাবে না বলে গবেষকেরা স্পষ্ট করেছেন। মূলত অনিয়ন্ত্রিত উপায়ে স্ক্র্যাপ ধাতু গলিয়ে তৈরি পাত্রগুলোই এই দূষণের প্রধান উৎস। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় গবেষকেরা নিরাপদ কাঁচামাল ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং উৎপাদিত পাত্রের মান যাচাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর প্রতি কঠোর নজরদারির আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি রান্নার পাত্র নির্বাচনে ভোক্তাদের সচেতন হওয়ার এবং স্টিলের তারের বদলে নরম উপায়ে পাত্র পরিষ্কার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্য ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশ বা আইসিডিডিআর,বি-এর এক যৌথ গবেষণায় রান্নাঘরের অ্যালুমিনিয়াম পাত্র নিয়ে উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে। গবেষকেরা দেখতে পেয়েছেন যে পুরোনো ধাতু বা স্ক্র্যাপ গলিয়ে তৈরি স্থানীয় অ্যালুমিনিয়াম হাঁড়িতে রান্নার সময় খাবারে ক্ষতিকর সিসা মিশে যেতে পারে। বিশেষ করে নতুন পাত্রগুলোতে এই দূষণের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি থাকে এবং স্টিলের তারের জালি দিয়ে মাজার ফলে সিসা নির্গমনের পরিমাণ আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। সিসা একটি অত্যন্ত বিষাক্ত ভারী ধাতু হলেও খাবারে মিশে যাওয়ার পর এর কোনো দৃশ্যমান রং, গন্ধ কিংবা স্বাদ থাকে না।
সম্প্রতি প্রকাশিত এই গবেষণায় গবেষক দল স্থানীয় বাজার থেকে বেশ কিছু নতুন ও পুরোনো অ্যালুমিনিয়াম হাঁড়ি সংগ্রহ করে পরীক্ষা চালান। পরীক্ষামূলকভাবে এই পাত্রগুলোতে ভাত ও খিচুড়ি রান্না করে দেখা হয় এবং তরল পদার্থের ক্ষেত্রে অ্যাসিটিক অ্যাসিডের দ্রবণ ব্যবহার করা হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, নতুন হাঁড়িতে প্রথমবার ভাত বা খিচুড়ি রান্না করলে তাতে নিরাপদ মাত্রার চেয়ে বহুগুণ বেশি সিসা প্রবেশ করে। এমনকি পাত্রগুলো বারবার ব্যবহারের পরেও সিসার উপস্থিতি পাওয়া গেছে, যা প্রমাণ করে যে শুধু পুরোনো হলেই ঝুঁকি কমে যায় না।
শরীরে সিসা প্রবেশ করলে তা মস্তিষ্ক, যকৃৎ, কিডনিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গে জমা হয়ে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে শিশুদের স্নায়ুতন্ত্র ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের ওপর এটি দীর্ঘমেয়াদি ও অপূরণীয় ক্ষতিসাধন করে। গর্ভবতী নারী এবং প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রেও সিসার বিষাক্ততা উচ্চ রক্তচাপ ও রক্তস্বল্পতার মতো জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। গবেষকেরা সতর্ক করে বলেছেন যে রান্না করার সময় ধাতব খুন্তি ব্যবহার এবং ইস্পাতের জালি দিয়ে ঘষে পাত্র পরিষ্কার করলে সিসা ঝরে পড়ার প্রবণতা আরও তীব্র হয়।
তবে সব অ্যালুমিনিয়াম পাত্রকেই এই ঝুঁকির আওতাভুক্ত করা যাবে না বলে গবেষকেরা স্পষ্ট করেছেন। মূলত অনিয়ন্ত্রিত উপায়ে স্ক্র্যাপ ধাতু গলিয়ে তৈরি পাত্রগুলোই এই দূষণের প্রধান উৎস। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় গবেষকেরা নিরাপদ কাঁচামাল ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং উৎপাদিত পাত্রের মান যাচাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর প্রতি কঠোর নজরদারির আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি রান্নার পাত্র নির্বাচনে ভোক্তাদের সচেতন হওয়ার এবং স্টিলের তারের বদলে নরম উপায়ে পাত্র পরিষ্কার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।