আপডেট সময়
১১:০১:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
৩
বার পড়া হয়েছে
সিলেট নগরীতে ভেজাল পণ্য উৎপাদনের অভিযোগে ব্যবসায়ীকে কারাদণ্ড ও জরিমানা
জাতীয় ডেস্ক: সিলেট নগরীর লালদিঘিরপাড় হকার্স মার্কেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ভেজাল ও ক্ষতিকারক পণ্য উৎপাদনের দায়ে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে এই অপরাধে জড়িত এক ব্যবসায়ীকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। সম্প্রতি জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রশাসনের কর্মকর্তারা ওই মার্কেটের একটি ভবনে এই অভিযান চালান। প্রশাসনের এমন সময়োপযোগী পদক্ষেপে স্থানীয় সচেতন মহল সন্তোষ প্রকাশ করেছে এবং এই ধরনের অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।অভিযানে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যবসায়ীর নাম শাহ জামাল উদ্দিন, যিনি জামাল অ্যান্ড ব্রাদার্স নামক প্রতিষ্ঠানের মালিক। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, হকার্স মার্কেটের একটি ভবনের চারতলায় দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত গোপনে বিভিন্ন নিষিদ্ধ ও ভেজাল পণ্য তৈরি করা হচ্ছিল। এসব পণ্যে বাংলাদেশে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘনচিনি নামক একটি ক্ষতিকারক উপাদান ব্যবহার করা হতো। মূলত প্রত্যন্ত অঞ্চলের সহজ-সরল মানুষকে টার্গেট করে যৌন উদ্দীপক হিসেবে বিক্রির উদ্দেশ্যে এই বিষাক্ত উপাদান দিয়ে পণ্যগুলো প্রস্তুত করা হতো। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতিতে এই অবৈধ কারখানার সন্ধান মেলে এবং তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসনের যৌথ নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে প্রশাসনের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। অভিযানটি পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আরিফ মুর্শেদ মিশু, সিলেট জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রাকিবুল আলম এবং সিলেটের নিরাপদ খাদ্য অফিসার সৈয়দ সারফরাজ হোসেন। এ ছাড়া অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক জয়নাল আবেদীন, সংশ্লিষ্ট বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি এবং সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি বিশেষ দল। সার্বিক সহযোগিতায় নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের কড়া নজরদারির কারণে পুরো অভিযানটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়।অভিযান শেষে সিলেটের নিরাপদ খাদ্য অফিসার সৈয়দ সারফরাজ হোসেন সাংবাদিকদের জানান, এই ধরনের ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থ মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দেয়। ভেজাল এসব পণ্যের সেবনে ইতিমধ্যেই অনেকের মৃত্যুর মতো মর্মান্তিক ঘটনাও ঘটেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে এবং ভেজাল পণ্যের ব্যবসা চিরতরে বন্ধ করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে প্রশাসনের এই ধারাবাহিক তৎপরতা আগামী দিনেও বজায় থাকবে বলে আশা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।
জাতীয় ডেস্ক: সিলেট নগরীর লালদিঘিরপাড় হকার্স মার্কেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ভেজাল ও ক্ষতিকারক পণ্য উৎপাদনের দায়ে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে এই অপরাধে জড়িত এক ব্যবসায়ীকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। সম্প্রতি জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রশাসনের কর্মকর্তারা ওই মার্কেটের একটি ভবনে এই অভিযান চালান। প্রশাসনের এমন সময়োপযোগী পদক্ষেপে স্থানীয় সচেতন মহল সন্তোষ প্রকাশ করেছে এবং এই ধরনের অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
অভিযানে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যবসায়ীর নাম শাহ জামাল উদ্দিন, যিনি জামাল অ্যান্ড ব্রাদার্স নামক প্রতিষ্ঠানের মালিক। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, হকার্স মার্কেটের একটি ভবনের চারতলায় দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত গোপনে বিভিন্ন নিষিদ্ধ ও ভেজাল পণ্য তৈরি করা হচ্ছিল। এসব পণ্যে বাংলাদেশে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘনচিনি নামক একটি ক্ষতিকারক উপাদান ব্যবহার করা হতো। মূলত প্রত্যন্ত অঞ্চলের সহজ-সরল মানুষকে টার্গেট করে যৌন উদ্দীপক হিসেবে বিক্রির উদ্দেশ্যে এই বিষাক্ত উপাদান দিয়ে পণ্যগুলো প্রস্তুত করা হতো। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতিতে এই অবৈধ কারখানার সন্ধান মেলে এবং তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসনের যৌথ নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে প্রশাসনের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। অভিযানটি পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আরিফ মুর্শেদ মিশু, সিলেট জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রাকিবুল আলম এবং সিলেটের নিরাপদ খাদ্য অফিসার সৈয়দ সারফরাজ হোসেন। এ ছাড়া অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক জয়নাল আবেদীন, সংশ্লিষ্ট বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি এবং সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি বিশেষ দল। সার্বিক সহযোগিতায় নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের কড়া নজরদারির কারণে পুরো অভিযানটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়।
অভিযান শেষে সিলেটের নিরাপদ খাদ্য অফিসার সৈয়দ সারফরাজ হোসেন সাংবাদিকদের জানান, এই ধরনের ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থ মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দেয়। ভেজাল এসব পণ্যের সেবনে ইতিমধ্যেই অনেকের মৃত্যুর মতো মর্মান্তিক ঘটনাও ঘটেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে এবং ভেজাল পণ্যের ব্যবসা চিরতরে বন্ধ করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে প্রশাসনের এই ধারাবাহিক তৎপরতা আগামী দিনেও বজায় থাকবে বলে আশা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।