ঢাকা ০৪:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo জাতীয় নিরাপত্তায় ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি অনুসরণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo শ্রমিক আন্দোলন ঘিরে নিষিদ্ধ দলের ষড়যন্ত্র সফল হবে না: মাহদী আমিন Logo শ্রমিক আন্দোলনে ঢুকে ‘পলাতক অপশক্তির’ অস্থিরতা সৃষ্টির প্রমাণ এসেছে: মাহদী আমিন Logo সনদ অর্জনের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে গবেষণায় মনোযোগ দিতে হবে: জবির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‎ Logo ভবন নির্মাণে জাতীয় বিল্ডিং কোড অনুসরণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর Logo ফেরদৌসীর শূন্য আসনে সংসদ সদস্য হলেন এলিজা জামান Logo পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভে কিছু শিল্পমালিক, সাবেক এমপি-প্রতিমন্ত্রীরাও জড়িত Logo গার্মেন্টস শ্রমিক বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে মিরপুরে পাঁচটি মামলা, আটক ২৯ Logo ১৯তম বিজেএস প্রিলির ফলে চমক: ২৫০ পদের জন্য লিখিত পরীক্ষা দেবেন মাত্র ৩৪৩ প্রার্থী Logo যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে লড়াইয়ে রেকর্ড ১২৫ চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞ
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভে কিছু শিল্পমালিক, সাবেক এমপি-প্রতিমন্ত্রীরাও জড়িত

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:৩১:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক: দেশের তৈরি পোশাকশিল্পের চলমান আন্দোলনকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া অস্থিরতার নেপথ্যে কিছু শিল্পমালিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। সম্প্রতি সচিবালয়ে পোশাকশিল্পের দুই শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ এবং বিকেএমইএর নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এই অভিযোগ করেন। তিনি জানান, কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত কিছু শিল্পমালিক এবং সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রীরাও এই অস্থিতিশীলতা তৈরিতে ভূমিকা রাখছেন। শ্রমিকদের ন্যায্য আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার এমন অপচেষ্টা অত্যন্ত দুঃখজনক বলে উল্লেখ করেন তিনি।

বৈঠকে সুনির্দিষ্ট কিছু কারখানা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বন্ধ রাখার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয় এবং জড়িত মালিকদের তালিকা চেয়েছে সরকার। একই সঙ্গে শ্রমিকদের বিক্ষোভে ইন্ধন জোগানো কিছু শ্রমিকনেতা ও সংগঠনের তথ্যও চাওয়া হয়েছে। শিল্পাঞ্চলের সামগ্রিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ২৪ ঘণ্টা নজরদারির বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ বিভাগ এবং মালিক সংগঠনের মনোনীত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে এই নজরদারি পরিচালিত হবে এবং পুলিশের সদর দপ্তরে একটি বিশেষ নিয়ন্ত্রণকক্ষ স্থাপন করা হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে সরকার কোনোভাবেই কারখানা বন্ধ থাকুক তা চায় না এবং সাধারণ শ্রমিকদের আন্দোলনকে ব্যবহার করে যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। ন্যূনতম মাসিক মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে চলা এই আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে সরকার ইতোমধ্যে একটি মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। খুব দ্রুত যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শ্রমিকদের নতুন ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ ও ঘোষণা করা হবে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি। এছাড়া পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে শ্রমিক সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গেও সরকারের আনুষ্ঠানিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং শ্রমিকনেতা ও সংসদ সদস্য শিমুল বিশ্বাস। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে শ্রমিকদের স্বার্থের বিরুদ্ধে গিয়ে যারা দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চক্রান্ত করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে এ ধরনের কর্মকাণ্ডের ভিডিও ফুটেজ ও তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করে বেশ কয়েকজনকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে বলেও নিশ্চিত করা হয়।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় নিরাপত্তায় ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি অনুসরণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভে কিছু শিল্পমালিক, সাবেক এমপি-প্রতিমন্ত্রীরাও জড়িত

আপডেট সময় ০২:৩১:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: দেশের তৈরি পোশাকশিল্পের চলমান আন্দোলনকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া অস্থিরতার নেপথ্যে কিছু শিল্পমালিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। সম্প্রতি সচিবালয়ে পোশাকশিল্পের দুই শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ এবং বিকেএমইএর নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এই অভিযোগ করেন। তিনি জানান, কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত কিছু শিল্পমালিক এবং সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রীরাও এই অস্থিতিশীলতা তৈরিতে ভূমিকা রাখছেন। শ্রমিকদের ন্যায্য আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার এমন অপচেষ্টা অত্যন্ত দুঃখজনক বলে উল্লেখ করেন তিনি।

বৈঠকে সুনির্দিষ্ট কিছু কারখানা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বন্ধ রাখার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয় এবং জড়িত মালিকদের তালিকা চেয়েছে সরকার। একই সঙ্গে শ্রমিকদের বিক্ষোভে ইন্ধন জোগানো কিছু শ্রমিকনেতা ও সংগঠনের তথ্যও চাওয়া হয়েছে। শিল্পাঞ্চলের সামগ্রিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ২৪ ঘণ্টা নজরদারির বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ বিভাগ এবং মালিক সংগঠনের মনোনীত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে এই নজরদারি পরিচালিত হবে এবং পুলিশের সদর দপ্তরে একটি বিশেষ নিয়ন্ত্রণকক্ষ স্থাপন করা হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে সরকার কোনোভাবেই কারখানা বন্ধ থাকুক তা চায় না এবং সাধারণ শ্রমিকদের আন্দোলনকে ব্যবহার করে যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। ন্যূনতম মাসিক মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে চলা এই আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে সরকার ইতোমধ্যে একটি মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। খুব দ্রুত যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শ্রমিকদের নতুন ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ ও ঘোষণা করা হবে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি। এছাড়া পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে শ্রমিক সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গেও সরকারের আনুষ্ঠানিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং শ্রমিকনেতা ও সংসদ সদস্য শিমুল বিশ্বাস। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে শ্রমিকদের স্বার্থের বিরুদ্ধে গিয়ে যারা দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চক্রান্ত করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে এ ধরনের কর্মকাণ্ডের ভিডিও ফুটেজ ও তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করে বেশ কয়েকজনকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে বলেও নিশ্চিত করা হয়।