আপডেট সময়
১১:৪৫:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
১
বার পড়া হয়েছে
ঢাকা শহরে লাইসেন্সবিহীন ব্যাটারিচালিত রিকশা চলতে পারবে না
জাতীয় ডেস্ক: রাজধানী ঢাকা শহরে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং যানজট নিরসনে একটি নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি প্রকাশিত এই নীতিমালা অনুযায়ী, কোনোভাবেই লাইসেন্স ছাড়া ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল করতে পারবে না। দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীতে এই যানগুলোর অনিয়ন্ত্রিত চলাচলের ফলে সৃষ্ট নানা বিশৃঙ্খলা ও দুর্ঘটনা এড়াতে এই কঠোর অবস্থান নিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।নতুন এই নীতিমালায় ব্যাটারিচালিত রিকশার নিবন্ধনের জন্য নির্দিষ্ট কিছু শর্ত ও প্রক্রিয়া নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। কেবল যেসব রিকশা কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ করবে এবং বৈধ লাইসেন্স সংগ্রহ করবে, কেবল তারাই রাজপথে নামার অনুমতি পাবে। এর ফলে শহরের সড়কে অবৈধ ও ত্রুটিপূর্ণ যানের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।স্থানীয় সরকার বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, লাইসেন্স প্রদানের ক্ষেত্রে রিকশার গতি নিয়ন্ত্রণ, ব্রেকিং সিস্টেম এবং ব্যাটারির মান গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। অনুমোদনহীন কোনো যান যাতে সড়কে নেমে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক পুলিশ যৌথভাবে নজরদারি বাড়াবে। নীতিমালা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।পরিবহন বিশেষজ্ঞরা সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন যে, সঠিক নিয়মনীতি ও লাইসেন্সের আওতায় এনে ব্যাটারিচালিত রিকশাগুলোকে চলাচল করতে দিলে একদিকে যেমন বিশৃঙ্খলা কমবে, অন্যদিকে সাধারণ যাত্রীদের যাতায়াত অনেক বেশি নিরাপদ হবে। তবে এই নীতিমালা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর নিয়মিত তদারকি এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি বলে তারা মন্তব্য করেছেন।
জাতীয় ডেস্ক: রাজধানী ঢাকা শহরে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং যানজট নিরসনে একটি নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি প্রকাশিত এই নীতিমালা অনুযায়ী, কোনোভাবেই লাইসেন্স ছাড়া ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল করতে পারবে না। দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীতে এই যানগুলোর অনিয়ন্ত্রিত চলাচলের ফলে সৃষ্ট নানা বিশৃঙ্খলা ও দুর্ঘটনা এড়াতে এই কঠোর অবস্থান নিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
নতুন এই নীতিমালায় ব্যাটারিচালিত রিকশার নিবন্ধনের জন্য নির্দিষ্ট কিছু শর্ত ও প্রক্রিয়া নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। কেবল যেসব রিকশা কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ করবে এবং বৈধ লাইসেন্স সংগ্রহ করবে, কেবল তারাই রাজপথে নামার অনুমতি পাবে। এর ফলে শহরের সড়কে অবৈধ ও ত্রুটিপূর্ণ যানের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, লাইসেন্স প্রদানের ক্ষেত্রে রিকশার গতি নিয়ন্ত্রণ, ব্রেকিং সিস্টেম এবং ব্যাটারির মান গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। অনুমোদনহীন কোনো যান যাতে সড়কে নেমে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক পুলিশ যৌথভাবে নজরদারি বাড়াবে। নীতিমালা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
পরিবহন বিশেষজ্ঞরা সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন যে, সঠিক নিয়মনীতি ও লাইসেন্সের আওতায় এনে ব্যাটারিচালিত রিকশাগুলোকে চলাচল করতে দিলে একদিকে যেমন বিশৃঙ্খলা কমবে, অন্যদিকে সাধারণ যাত্রীদের যাতায়াত অনেক বেশি নিরাপদ হবে। তবে এই নীতিমালা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর নিয়মিত তদারকি এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি বলে তারা মন্তব্য করেছেন।