আপডেট সময়
০৮:৪৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
৩
বার পড়া হয়েছে
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের আগ্রাসন আড়াল করার চেষ্টা করছে জাতিসংঘ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জাতিসংঘের মানবাধিকার ব্যবস্থার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের আগ্রাসন এবং অপরাধমূলক কার্যক্রম আড়াল করার গুরুতর অভিযোগ তুলেছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সম্প্রতি এমন মন্তব্য করা হয়েছে যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ইরানের মতে, জাতিসংঘ যে মানবাধিকার কাঠামোর মাধ্যমে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের চেষ্টা করছে, তা মূলত পশ্চিমা শক্তির একতরফা নিষেধাজ্ঞা ও নৃশংসতা থেকে নজর সরিয়ে নেওয়ার একটি অপকৌশল মাত্র।ইরানি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক মাই সাতোর কর্মকাণ্ড নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, ওই প্রতিবেদকের ওপর অর্পিত দায়িত্ব সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং এর পেছনে যুক্তরাজ্যের প্রচ্ছন্ন কূটনৈতিক চাপ রয়েছে। তেহরানের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র এবং তাদের মিত্র ইসরাইলের সামরিক আগ্রাসনের দায় ইরানের ওপর চাপানোর একটি সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্র হিসেবে এই বিশেষ প্রতিবেদকের ভূমিকা ব্যবহৃত হচ্ছে।জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে সম্প্রতি মাই সাতোর একটি প্রতিবেদন উপস্থাপিত হওয়ার পরই মূলত এই বিরোধ প্রকাশ্যে আসে। ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল যে, মার্কিন ও ইসরাইলি সামরিক অভিযান ইরানি নাগরিকদের জীবনযাত্রাকে আরও দুর্বিষহ করে তুলেছে। তবে একই প্রতিবেদনে এও দাবি করা হয় যে, আঞ্চলিক এই ভূরাজনৈতিক সংঘাতের সুযোগ নিয়ে তেহরান সরকার দেশের ভেতরে ভিন্নমতাবলম্বীদের দমনপীড়ন আরও জোরদার করেছে এবং ধরপাকড় ও মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের হার বৃদ্ধি পেয়েছে।মূলত বহির্বিশ্বের সামরিক চাপ এবং অভ্যন্তরীণ ভিন্নমত দমনের এই সমীকরণকে কেন্দ্র করেই জাতিসংঘ ও তেহরানের মধ্যকার কূটনৈতিক দূরত্ব আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ইরানের পক্ষ থেকে জাতিসংঘকে বারবার সতর্ক করে বলা হচ্ছে যে, বাস্তব পরিস্থিতি সঠিকভাবে মূল্যায়ন না করে পক্ষপাতদুষ্ট প্রতিবেদন তৈরি করা হলে তা বিশ্ববাসীর কাছে সংস্থার নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে। আন্তর্জাতিক এই টানাপোড়েনের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে সাধারণ মানুষের মাঝে।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জাতিসংঘের মানবাধিকার ব্যবস্থার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের আগ্রাসন এবং অপরাধমূলক কার্যক্রম আড়াল করার গুরুতর অভিযোগ তুলেছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সম্প্রতি এমন মন্তব্য করা হয়েছে যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ইরানের মতে, জাতিসংঘ যে মানবাধিকার কাঠামোর মাধ্যমে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের চেষ্টা করছে, তা মূলত পশ্চিমা শক্তির একতরফা নিষেধাজ্ঞা ও নৃশংসতা থেকে নজর সরিয়ে নেওয়ার একটি অপকৌশল মাত্র।
ইরানি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক মাই সাতোর কর্মকাণ্ড নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, ওই প্রতিবেদকের ওপর অর্পিত দায়িত্ব সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং এর পেছনে যুক্তরাজ্যের প্রচ্ছন্ন কূটনৈতিক চাপ রয়েছে। তেহরানের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র এবং তাদের মিত্র ইসরাইলের সামরিক আগ্রাসনের দায় ইরানের ওপর চাপানোর একটি সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্র হিসেবে এই বিশেষ প্রতিবেদকের ভূমিকা ব্যবহৃত হচ্ছে।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে সম্প্রতি মাই সাতোর একটি প্রতিবেদন উপস্থাপিত হওয়ার পরই মূলত এই বিরোধ প্রকাশ্যে আসে। ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল যে, মার্কিন ও ইসরাইলি সামরিক অভিযান ইরানি নাগরিকদের জীবনযাত্রাকে আরও দুর্বিষহ করে তুলেছে। তবে একই প্রতিবেদনে এও দাবি করা হয় যে, আঞ্চলিক এই ভূরাজনৈতিক সংঘাতের সুযোগ নিয়ে তেহরান সরকার দেশের ভেতরে ভিন্নমতাবলম্বীদের দমনপীড়ন আরও জোরদার করেছে এবং ধরপাকড় ও মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের হার বৃদ্ধি পেয়েছে।
মূলত বহির্বিশ্বের সামরিক চাপ এবং অভ্যন্তরীণ ভিন্নমত দমনের এই সমীকরণকে কেন্দ্র করেই জাতিসংঘ ও তেহরানের মধ্যকার কূটনৈতিক দূরত্ব আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ইরানের পক্ষ থেকে জাতিসংঘকে বারবার সতর্ক করে বলা হচ্ছে যে, বাস্তব পরিস্থিতি সঠিকভাবে মূল্যায়ন না করে পক্ষপাতদুষ্ট প্রতিবেদন তৈরি করা হলে তা বিশ্ববাসীর কাছে সংস্থার নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে। আন্তর্জাতিক এই টানাপোড়েনের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে সাধারণ মানুষের মাঝে।