আপডেট সময়
১০:৪৬:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
৩
বার পড়া হয়েছে
বিদেশযাত্রার আগে চাকরি সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা থাকতে হবে: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী
জাতীয় ডেস্ক: বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ নিয়ে যাওয়ার পূর্বে সংশ্লিষ্ট চাকরি, বেতন-ভাতা, সুযোগ-সুবিধা এবং নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ধারণা থাকা অত্যন্ত জরুরি বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমীন পুতুল। তিনি সম্প্রতি নাটোরের লালপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই অভিমত ব্যক্ত করেন। দক্ষিণ কোরিয়াসহ বিভিন্ন উন্নত দেশে বাংলাদেশি তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে ‘স্টাডি অ্যাব্রড কনসালটেন্সি জিটি গ্রুপ’ এই বিশেষ সভার আয়োজন করে। তিনি স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেন যে, বিদেশে কাজের নামে দেশের কোনো তরুণ যেন কোনো ধরনের প্রতারণার ফাঁদে না পড়েন, সে বিষয়ে সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে আরও জানান যে, দক্ষিণ কোরিয়ার মতো উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোতে আমাদের তরুণ সমাজের কাজের সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব হলে তা জাতীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি বেকারত্ব হ্রাসে অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। তবে এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য কর্মীদের কেবল বিদেশ গমন করলেই হবে না, বরং তাদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ গ্রহণ, ভাষাগত দক্ষতা অর্জন, প্রয়োজনীয় যোগ্যতা এবং সম্পূর্ণ বৈধ অভিবাসন প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক। যুবসমাজকে দেশের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন যে, তাদের জন্য সবসময় নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই কর্মসংস্থানের পরিবেশ নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করার এই পুরো প্রক্রিয়ায় তরুণেরা যেন কোনোভাবেই আর্থিক বা সামাজিকভাবে ক্ষতির মুখে না পড়েন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে অত্যন্ত দায়িত্বশীল ও আন্তরিক ভূমিকা পালন করতে হবে। আয়োজিত এই সভায় জিটি গ্রুপের চেয়ারম্যান পার্ক জি ইয়ং, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান মামুন, লালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মো. মেশকাতুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার ভূমি মো. আবীর হোসেন এবং উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হারুনার রশিদ পাপ্পুসহ এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সভার আলোচনায় দক্ষিণ কোরিয়ার শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা, দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার কৌশল এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরা হয়।আলোচনায় বক্তারা একবাক্যে স্বীকার করেন যে, যথাযথ প্রশিক্ষণ এবং আধুনিক দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমেই কেবল তরুণেরা বিশ্ব শ্রমবাজারে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবেন। আয়োজক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা আশা প্রকাশ করেন যে, এই ধরনের সময়োপযোগী উদ্যোগের ফলে কর্মপ্রত্যাশী তরুণদের জন্য বহির্বিশ্বে কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। এর মাধ্যমে দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি পাবে এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে যুবসমাজ আরও বেশি কার্যকর ও গতিশীল ভূমিকা রাখতে পারবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
জাতীয় ডেস্ক: বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ নিয়ে যাওয়ার পূর্বে সংশ্লিষ্ট চাকরি, বেতন-ভাতা, সুযোগ-সুবিধা এবং নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ধারণা থাকা অত্যন্ত জরুরি বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমীন পুতুল। তিনি সম্প্রতি নাটোরের লালপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই অভিমত ব্যক্ত করেন। দক্ষিণ কোরিয়াসহ বিভিন্ন উন্নত দেশে বাংলাদেশি তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে ‘স্টাডি অ্যাব্রড কনসালটেন্সি জিটি গ্রুপ’ এই বিশেষ সভার আয়োজন করে। তিনি স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেন যে, বিদেশে কাজের নামে দেশের কোনো তরুণ যেন কোনো ধরনের প্রতারণার ফাঁদে না পড়েন, সে বিষয়ে সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে আরও জানান যে, দক্ষিণ কোরিয়ার মতো উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোতে আমাদের তরুণ সমাজের কাজের সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব হলে তা জাতীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি বেকারত্ব হ্রাসে অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। তবে এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য কর্মীদের কেবল বিদেশ গমন করলেই হবে না, বরং তাদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ গ্রহণ, ভাষাগত দক্ষতা অর্জন, প্রয়োজনীয় যোগ্যতা এবং সম্পূর্ণ বৈধ অভিবাসন প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক। যুবসমাজকে দেশের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন যে, তাদের জন্য সবসময় নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই কর্মসংস্থানের পরিবেশ নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।
বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করার এই পুরো প্রক্রিয়ায় তরুণেরা যেন কোনোভাবেই আর্থিক বা সামাজিকভাবে ক্ষতির মুখে না পড়েন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে অত্যন্ত দায়িত্বশীল ও আন্তরিক ভূমিকা পালন করতে হবে। আয়োজিত এই সভায় জিটি গ্রুপের চেয়ারম্যান পার্ক জি ইয়ং, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান মামুন, লালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মো. মেশকাতুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার ভূমি মো. আবীর হোসেন এবং উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হারুনার রশিদ পাপ্পুসহ এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সভার আলোচনায় দক্ষিণ কোরিয়ার শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা, দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার কৌশল এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরা হয়।
আলোচনায় বক্তারা একবাক্যে স্বীকার করেন যে, যথাযথ প্রশিক্ষণ এবং আধুনিক দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমেই কেবল তরুণেরা বিশ্ব শ্রমবাজারে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবেন। আয়োজক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা আশা প্রকাশ করেন যে, এই ধরনের সময়োপযোগী উদ্যোগের ফলে কর্মপ্রত্যাশী তরুণদের জন্য বহির্বিশ্বে কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। এর মাধ্যমে দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি পাবে এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে যুবসমাজ আরও বেশি কার্যকর ও গতিশীল ভূমিকা রাখতে পারবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।