ঢাকা ০৪:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo বাণিজ্য, বিনিয়োগসহ কর্মসংস্থান খাতে মালদ্বীপের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ Logo ৫ নভেম্বরের মধ্যে প্রাথমিকের সব বই সরবরাহের নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর Logo ভোটের দিন লিফলেট বিতরণ, জামায়াত নেতাকে দণ্ড Logo ২০ বছর আগে চুরি যাওয়া শিল্পকর্ম উদ্ধার করে দিল এআই Logo জাপানের বিগ–বি পরিকল্পনায় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সুযোগ Logo ৯৩০ কোটি টাকা মানিলন্ডারিং: পুতুলের সূচনা ফাউন্ডেশনের আয়কর নথি জব্দের আদেশ Logo অভিযোগ আছে—অনেক বিচারক দুই-তিন ঘণ্টা আদালত করেন: আইনমন্ত্রী Logo ২০২৭ সালের নভেম্বরে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু হবে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী Logo উপনির্বাচনকে ছোট করে দেখছি না, জাতীয় নির্বাচনের মতো গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে Logo অনেক বিচারক বেলা ১১টায় আসেন, দেড়টা-দুইটায় চলে যান —এটা চলবে না: আইনমন্ত্রী
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

৫ নভেম্বরের মধ্যে প্রাথমিকের সব বই সরবরাহের নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:১৬:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক: আসন্ন শিক্ষাবর্ষের জন্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হাতে সময়মতো নতুন বই পৌঁছে দেওয়ার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে আগামী পাঁচই নভেম্বরের মধ্যে প্রাথমিক স্তরের সব পাঠ্যবই মুদ্রণ ও সরবরাহ কাজ সম্পূর্ণ করার কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। সম্প্রতি রাজধানীর মাতুয়াইল এলাকায় অবস্থিত বেশ কয়েকটি মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান আকস্মিক পরিদর্শনকালে তিনি এই নির্দেশ প্রদান করেন। সংশ্লিষ্টরা যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সব কার্যক্রম সম্পন্ন করেন, সে বিষয়ে তাদের প্রতি কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কার্যক্রম, ব্যবহার করা যন্ত্রপাতি, কাগজের মান এবং বইয়ের ছাপার গুণগত মান অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড বা এনসিটিবি এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা ছাড়াও সংশ্লিষ্ট মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বইয়ের পাতার মান থেকে শুরু করে বাঁধাইয়ের কাজ পর্যন্ত সবকিছু নিয়ম অনুযায়ী হচ্ছে কি না, তা তিনি সরাসরি খতিয়ে দেখেন।

পাঠ্যবই মুদ্রণের ক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট করে দেওয়া মান ও স্পেসিফিকেশন কঠোরভাবে অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে আগামী বছর থেকে পুরোনো ও ত্রুটিপূর্ণ মেশিন ব্যবহার করে কোনো মুদ্রণকাজ করা যাবে না। যদি কোনো প্রতিষ্ঠান এই নির্দেশ অমান্য করে, তবে তাদের ভবিষ্যতে আর কোনো কাজের দায়িত্ব দেওয়া হবে না বলে তিনি সতর্ক করেন। বইয়ের মুদ্রণের দায়িত্ব নেওয়ার অর্থই হলো নির্ধারিত সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে কাজটি সফলভাবে শেষ করা।

মুদ্রণযন্ত্রের যান্ত্রিক সক্ষমতা বা কারিগরি সীমাবদ্ধতার অজুহাত দেখিয়ে কখনোই বইয়ের মানের সঙ্গে কোনো ধরনের আপস করা যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দেন প্রতিমন্ত্রী। সরকার যে মানের বই শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে, তা নিশ্চিত করার প্রাথমিক দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানগুলোরই। পরিদর্শনের সময় কয়েকটি বইয়ের পাতার রঙের বিন্যাস এবং অ্যালাইনমেন্টে কিছু অসংগতি বা ত্রুটি দেখতে পান তিনি। এই ধরনের ছোট ভুল যেন উৎপাদিত বইয়ের বড় অংশে ছড়িয়ে না পড়ে, সে বিষয়ে তিনি মুদ্রণ কর্তৃপক্ষকে বিশেষভাবে সতর্ক করে দেন।

ট্যাগস :

বাণিজ্য, বিনিয়োগসহ কর্মসংস্থান খাতে মালদ্বীপের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ

৫ নভেম্বরের মধ্যে প্রাথমিকের সব বই সরবরাহের নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর

আপডেট সময় ০৪:১৬:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: আসন্ন শিক্ষাবর্ষের জন্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হাতে সময়মতো নতুন বই পৌঁছে দেওয়ার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে আগামী পাঁচই নভেম্বরের মধ্যে প্রাথমিক স্তরের সব পাঠ্যবই মুদ্রণ ও সরবরাহ কাজ সম্পূর্ণ করার কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। সম্প্রতি রাজধানীর মাতুয়াইল এলাকায় অবস্থিত বেশ কয়েকটি মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান আকস্মিক পরিদর্শনকালে তিনি এই নির্দেশ প্রদান করেন। সংশ্লিষ্টরা যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সব কার্যক্রম সম্পন্ন করেন, সে বিষয়ে তাদের প্রতি কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কার্যক্রম, ব্যবহার করা যন্ত্রপাতি, কাগজের মান এবং বইয়ের ছাপার গুণগত মান অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড বা এনসিটিবি এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা ছাড়াও সংশ্লিষ্ট মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বইয়ের পাতার মান থেকে শুরু করে বাঁধাইয়ের কাজ পর্যন্ত সবকিছু নিয়ম অনুযায়ী হচ্ছে কি না, তা তিনি সরাসরি খতিয়ে দেখেন।

পাঠ্যবই মুদ্রণের ক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট করে দেওয়া মান ও স্পেসিফিকেশন কঠোরভাবে অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে আগামী বছর থেকে পুরোনো ও ত্রুটিপূর্ণ মেশিন ব্যবহার করে কোনো মুদ্রণকাজ করা যাবে না। যদি কোনো প্রতিষ্ঠান এই নির্দেশ অমান্য করে, তবে তাদের ভবিষ্যতে আর কোনো কাজের দায়িত্ব দেওয়া হবে না বলে তিনি সতর্ক করেন। বইয়ের মুদ্রণের দায়িত্ব নেওয়ার অর্থই হলো নির্ধারিত সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে কাজটি সফলভাবে শেষ করা।

মুদ্রণযন্ত্রের যান্ত্রিক সক্ষমতা বা কারিগরি সীমাবদ্ধতার অজুহাত দেখিয়ে কখনোই বইয়ের মানের সঙ্গে কোনো ধরনের আপস করা যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দেন প্রতিমন্ত্রী। সরকার যে মানের বই শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে, তা নিশ্চিত করার প্রাথমিক দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানগুলোরই। পরিদর্শনের সময় কয়েকটি বইয়ের পাতার রঙের বিন্যাস এবং অ্যালাইনমেন্টে কিছু অসংগতি বা ত্রুটি দেখতে পান তিনি। এই ধরনের ছোট ভুল যেন উৎপাদিত বইয়ের বড় অংশে ছড়িয়ে না পড়ে, সে বিষয়ে তিনি মুদ্রণ কর্তৃপক্ষকে বিশেষভাবে সতর্ক করে দেন।