ঢাকা ০২:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo জাল সনদে চাকরি: প্রশাসন ও পররাষ্ট্র ক্যাডারের দুই কর্মকর্তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা Logo শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে ন্যায়বিচারের মুখোমুখি হবেন, মব নয়: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা Logo ইসলামী ব্যাংকের এক শাখা থেকেই ৬৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ, সাবেক ভূমিমন্ত্রীসহ ১৫ জনের নামে মামলা Logo মাও সে–তুংকে নিয়ে ‘রসিকতা’, চীনে বিপাকে এমবাপ্পে Logo ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ভোটার টানতে নানা প্রতিশ্রুতি Logo রূপপুরে পৌঁছাল দ্বিতীয় ইউনিটের ৪১ টন ইউরেনিয়ামের চালান Logo সব যোগ্যতা থাকার পরও শিক্ষা ক্যাডারে পদোন্নতিতে এত জটিলতা কেন Logo জাপানের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যাহ্নভোজে তারেক রহমান Logo সার্বিয়ায় ছাত্র আন্দোলনের বিজয়, নাহিদ ইসলামের অভিনন্দন Logo বে অব বেঙ্গল ঘিরে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী জাপান
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

রূপপুরে পৌঁছাল দ্বিতীয় ইউনিটের ৪১ টন ইউরেনিয়ামের চালান

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:৪৯:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক: পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য আরও এক চালান পারমাণবিক জ্বালানি বা ইউরেনিয়াম প্রকল্প এলাকায় এসে পৌঁছেছে। সম্প্রতি বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্য দিয়ে রাশিয়ার এই জ্বালানিবাহী লরিগুলো সরাসরি প্রকল্প চত্বরে প্রবেশ করে। এর আগে বিমানযোগে চালানটি ঢাকায় পৌঁছানোর পর প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সড়কপথে তা পাবনায় পাঠানো হয়। প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রটির দুটি ইউনিটের কাজ এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিয়মিত বিরতিতে এই জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা যায়, রাশিয়া থেকে রওনা দিয়ে ভারতের আকাশসীমা পেরিয়ে বিশেষ ফ্লাইটে জ্বালানির এই চালানটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। আভিয়াকন জিতোট্রান্স পরিচালিত উড়োজাহাজে করে মোট ১২টি টিপিএসে প্রায় ৪১ টন ইউরেনিয়াম বাংলাদেশে আনা হয়। বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে এই জ্বালানির চালান বুঝে নেন। এরপর পরবর্তী গন্তব্যে প্রেরণের জন্য তা বিশেষ লরিতে তোলার ব্যবস্থা করা হয়।

রাজধানী থেকে রূপপুর প্রকল্প পর্যন্ত এই বিপুল পরিমাণ সংবেদনশীল জ্বালানি পরিবহনের সময় নেওয়া হয়েছিল কঠোর নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা। সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার নজরদারিতে লরিগুলো ঢাকা থেকে ছেড়ে বঙ্গবন্ধু সেতু পার হয়ে নাটোর ও ঈশ্বরদীর দাশুড়িয়া হয়ে নির্ধারিত গন্তব্যে পৌঁছায়। মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে ছিলেন। এছাড়া জ্বালানি পরিবহনের সময় সড়কে যানজট এড়াতে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কিছু সময়ের জন্য ভারী যানবাহন চলাচল সীমিত রাখা হয়েছিল।

প্রকল্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী, রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য মোট সাতটি কার্গোতে ১৬৩টি ইউরেনিয়াম অ্যাসেম্বলি আনার কথা রয়েছে। এর পাশাপাশি প্রথম ইউনিটের জ্বালানি পুনঃস্থাপনের জন্য আরও দুটি কার্গোতে ৪৮টি অ্যাসেম্বলি আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, আগামী তিন বছর এই বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহ করবে রাশিয়ার রসাটম। আগামী ডিসেম্বর মাসের মধ্যে জ্বালানি সরবরাহের পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। দুটি ইউনিটের মাধ্যমে বাস্তবায়নাধীন এই মেগা প্রকল্প থেকে ভবিষ্যতে মোট দুই হাজার চার শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ট্যাগস :

জাল সনদে চাকরি: প্রশাসন ও পররাষ্ট্র ক্যাডারের দুই কর্মকর্তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

রূপপুরে পৌঁছাল দ্বিতীয় ইউনিটের ৪১ টন ইউরেনিয়ামের চালান

আপডেট সময় ১২:৪৯:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য আরও এক চালান পারমাণবিক জ্বালানি বা ইউরেনিয়াম প্রকল্প এলাকায় এসে পৌঁছেছে। সম্প্রতি বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্য দিয়ে রাশিয়ার এই জ্বালানিবাহী লরিগুলো সরাসরি প্রকল্প চত্বরে প্রবেশ করে। এর আগে বিমানযোগে চালানটি ঢাকায় পৌঁছানোর পর প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সড়কপথে তা পাবনায় পাঠানো হয়। প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রটির দুটি ইউনিটের কাজ এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিয়মিত বিরতিতে এই জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা যায়, রাশিয়া থেকে রওনা দিয়ে ভারতের আকাশসীমা পেরিয়ে বিশেষ ফ্লাইটে জ্বালানির এই চালানটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। আভিয়াকন জিতোট্রান্স পরিচালিত উড়োজাহাজে করে মোট ১২টি টিপিএসে প্রায় ৪১ টন ইউরেনিয়াম বাংলাদেশে আনা হয়। বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে এই জ্বালানির চালান বুঝে নেন। এরপর পরবর্তী গন্তব্যে প্রেরণের জন্য তা বিশেষ লরিতে তোলার ব্যবস্থা করা হয়।

রাজধানী থেকে রূপপুর প্রকল্প পর্যন্ত এই বিপুল পরিমাণ সংবেদনশীল জ্বালানি পরিবহনের সময় নেওয়া হয়েছিল কঠোর নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা। সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার নজরদারিতে লরিগুলো ঢাকা থেকে ছেড়ে বঙ্গবন্ধু সেতু পার হয়ে নাটোর ও ঈশ্বরদীর দাশুড়িয়া হয়ে নির্ধারিত গন্তব্যে পৌঁছায়। মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে ছিলেন। এছাড়া জ্বালানি পরিবহনের সময় সড়কে যানজট এড়াতে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কিছু সময়ের জন্য ভারী যানবাহন চলাচল সীমিত রাখা হয়েছিল।

প্রকল্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী, রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য মোট সাতটি কার্গোতে ১৬৩টি ইউরেনিয়াম অ্যাসেম্বলি আনার কথা রয়েছে। এর পাশাপাশি প্রথম ইউনিটের জ্বালানি পুনঃস্থাপনের জন্য আরও দুটি কার্গোতে ৪৮টি অ্যাসেম্বলি আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, আগামী তিন বছর এই বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহ করবে রাশিয়ার রসাটম। আগামী ডিসেম্বর মাসের মধ্যে জ্বালানি সরবরাহের পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। দুটি ইউনিটের মাধ্যমে বাস্তবায়নাধীন এই মেগা প্রকল্প থেকে ভবিষ্যতে মোট দুই হাজার চার শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।