আপডেট সময়
০৮:০১:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
৩
বার পড়া হয়েছে
প্রযুক্তি, কৃষি ও হালকা প্রকৌশল খাতে জাপানি বিনিয়োগ চায় বাংলাদেশ
অর্থনীতি ডেস্ক: প্রযুক্তি উদ্ভাবন, কৃষি খাতের আধুনিকীকরণ এবং হালকা প্রকৌশল শিল্পে জাপানি বিনিয়োগ ও কৌশলগত অংশীদারত্ব জোরালোভাবে প্রত্যাশা করছে বাংলাদেশ। সম্প্রতি জাপান সফরকালে টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির। তিনি উল্লেখ করেন যে, দেশের জ্বালানি খাতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সার্বিক সক্ষমতা বাড়াতে জাপানি সহযোগিতার বিশেষভাবে আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। জাইকা ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ উদ্যোগে দেশের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলো আরও গতিশীল হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।টোকিওতে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয় যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফরে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে দক্ষতা উন্নয়ন, প্রযুক্তি নগরী নির্মাণ এবং কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পে জাপানি উদ্যোক্তাদের বড় ধরনের বিনিয়োগের আহ্বান জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ এখন কেবল বৈদেশিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল থাকতে চায় না, বরং পারস্পরিক বিনিয়োগ ও অংশীদারত্বের মাধ্যমে একটি টেকসই অর্থনৈতিক ভিত্তি গড়ে তুলতে সচেষ্ট রয়েছে।সফরের প্রথম দিনের সমাপ্তি ঘটে জাপানের নিপ্পন ফাউন্ডেশন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের সম্মানসূচক চেয়ারম্যান ইয়োহেই সাসাকাওয়ার দেওয়া এক বিশেষ নৈশভোজের মাধ্যমে। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের ভূয়সী প্রশংসা করেন এই বিশিষ্ট সুশীল সমাজ ব্যক্তিত্ব। ওই নৈশভোজে দুই ফাউন্ডেশনের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা ছাড়াও বাংলাদেশের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী ও বিশেষ সহকারী উপস্থিত ছিলেন, যা দুই দেশের মধ্যকার সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করেছে।পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও জানান যে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতি বিশ্ববাসীর ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ও আগ্রহ বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। অতীতে বিভিন্ন কারণে অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও বর্তমান সরকারের স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক নীতির ফলে নতুন বিনিয়োগের দিগন্ত উন্মোচিত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি জাপান সফরের মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনাগুলো সফলভাবে তুলে ধরছেন।
অর্থনীতি ডেস্ক: প্রযুক্তি উদ্ভাবন, কৃষি খাতের আধুনিকীকরণ এবং হালকা প্রকৌশল শিল্পে জাপানি বিনিয়োগ ও কৌশলগত অংশীদারত্ব জোরালোভাবে প্রত্যাশা করছে বাংলাদেশ। সম্প্রতি জাপান সফরকালে টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির। তিনি উল্লেখ করেন যে, দেশের জ্বালানি খাতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সার্বিক সক্ষমতা বাড়াতে জাপানি সহযোগিতার বিশেষভাবে আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। জাইকা ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ উদ্যোগে দেশের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলো আরও গতিশীল হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
টোকিওতে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয় যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফরে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে দক্ষতা উন্নয়ন, প্রযুক্তি নগরী নির্মাণ এবং কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পে জাপানি উদ্যোক্তাদের বড় ধরনের বিনিয়োগের আহ্বান জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ এখন কেবল বৈদেশিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল থাকতে চায় না, বরং পারস্পরিক বিনিয়োগ ও অংশীদারত্বের মাধ্যমে একটি টেকসই অর্থনৈতিক ভিত্তি গড়ে তুলতে সচেষ্ট রয়েছে।
সফরের প্রথম দিনের সমাপ্তি ঘটে জাপানের নিপ্পন ফাউন্ডেশন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের সম্মানসূচক চেয়ারম্যান ইয়োহেই সাসাকাওয়ার দেওয়া এক বিশেষ নৈশভোজের মাধ্যমে। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের ভূয়সী প্রশংসা করেন এই বিশিষ্ট সুশীল সমাজ ব্যক্তিত্ব। ওই নৈশভোজে দুই ফাউন্ডেশনের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা ছাড়াও বাংলাদেশের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী ও বিশেষ সহকারী উপস্থিত ছিলেন, যা দুই দেশের মধ্যকার সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করেছে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও জানান যে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতি বিশ্ববাসীর ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ও আগ্রহ বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। অতীতে বিভিন্ন কারণে অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও বর্তমান সরকারের স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক নীতির ফলে নতুন বিনিয়োগের দিগন্ত উন্মোচিত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি জাপান সফরের মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনাগুলো সফলভাবে তুলে ধরছেন।