আপডেট সময়
০৩:১৫:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
৩
বার পড়া হয়েছে
এইচএসসির বাংলা ১ম পত্রে ২৪ কবি-সাহিত্যিকের লেখা পড়বেন শিক্ষার্থীরা
শিক্ষা ডেস্ক: আসন্ন ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা এইচএসসি পরীক্ষার বাংলা প্রথম পত্রের পাঠ্যসূচিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে। নতুন এই পাঠ্যবর্জিত ও পরিমার্জিত সিলেবাসে দেশের বিশিষ্ট ২৪ জন কবি ও সাহিত্যিকের নির্বাচিত লেখা শিক্ষার্থীদের পাঠ্য করা হয়েছে। শিক্ষাসংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারক ও শিক্ষাবিদদের দীর্ঘ পর্যালোচনা এবং পর্যালোচনার পর এই নতুন পাঠ্যতালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে আরও গভীরভাবে শিক্ষার্থীদের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।নতুন এই পাঠ্যসূচির অধীনে শিক্ষার্থীদের জন্য ১২টি নির্বাচিত গদ্য এবং সমসংখ্যক অর্থাৎ ১২টি কবিতা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি সাহিত্যের বিভিন্ন শাখার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে একটি উপন্যাস ও একটি নাটকও এই তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে। বিগত বছরের সিলেবাসের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এবং আধুনিক শিক্ষাক্রমের চাহিদা মাথায় রেখেই মূলত এই সাহিত্যকর্মগুলো নির্বাচন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা যাতে সাহিত্যের বহুমুখী রূপের সঙ্গে পরিচিত হতে পারে, সেই বিষয়টি এখানে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের মননশীলতা বৃদ্ধি এবং বাংলা ভাষার প্রতি অনুরাগ বাড়াতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশের খ্যাতনামা সাহিত্যিকদের লেখনীর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা কেবল পরীক্ষাই নয়, বরং জীবনের নানা মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হতে পারবে। সিলেবাসে স্থান পাওয়া এই সাহিত্যকর্মগুলো শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল চিন্তা বিকাশ করতেও দারুণভাবে সহায়তা করবে বলে আশা প্রকাশ করছেন শিক্ষাবিদেরা।শিক্ষাসংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, নতুন এই সিলেবাস বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে উচ্চমাধ্যমিক স্তরে বাংলা সাহিত্য শিক্ষার মান আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে খুব শীঘ্রই এই নতুন পাঠ্যতালিকা অনুযায়ী পাঠদান শুরু করার প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। শিক্ষার্থীরাও এই যুগোপযোগী ও সমৃদ্ধ সিলেবাসের সুফল পাবে বলে শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মনে করছে।
শিক্ষা ডেস্ক: আসন্ন ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা এইচএসসি পরীক্ষার বাংলা প্রথম পত্রের পাঠ্যসূচিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে। নতুন এই পাঠ্যবর্জিত ও পরিমার্জিত সিলেবাসে দেশের বিশিষ্ট ২৪ জন কবি ও সাহিত্যিকের নির্বাচিত লেখা শিক্ষার্থীদের পাঠ্য করা হয়েছে। শিক্ষাসংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারক ও শিক্ষাবিদদের দীর্ঘ পর্যালোচনা এবং পর্যালোচনার পর এই নতুন পাঠ্যতালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে আরও গভীরভাবে শিক্ষার্থীদের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নতুন এই পাঠ্যসূচির অধীনে শিক্ষার্থীদের জন্য ১২টি নির্বাচিত গদ্য এবং সমসংখ্যক অর্থাৎ ১২টি কবিতা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি সাহিত্যের বিভিন্ন শাখার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে একটি উপন্যাস ও একটি নাটকও এই তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে। বিগত বছরের সিলেবাসের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এবং আধুনিক শিক্ষাক্রমের চাহিদা মাথায় রেখেই মূলত এই সাহিত্যকর্মগুলো নির্বাচন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা যাতে সাহিত্যের বহুমুখী রূপের সঙ্গে পরিচিত হতে পারে, সেই বিষয়টি এখানে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের মননশীলতা বৃদ্ধি এবং বাংলা ভাষার প্রতি অনুরাগ বাড়াতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশের খ্যাতনামা সাহিত্যিকদের লেখনীর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা কেবল পরীক্ষাই নয়, বরং জীবনের নানা মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হতে পারবে। সিলেবাসে স্থান পাওয়া এই সাহিত্যকর্মগুলো শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল চিন্তা বিকাশ করতেও দারুণভাবে সহায়তা করবে বলে আশা প্রকাশ করছেন শিক্ষাবিদেরা।
শিক্ষাসংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, নতুন এই সিলেবাস বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে উচ্চমাধ্যমিক স্তরে বাংলা সাহিত্য শিক্ষার মান আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে খুব শীঘ্রই এই নতুন পাঠ্যতালিকা অনুযায়ী পাঠদান শুরু করার প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। শিক্ষার্থীরাও এই যুগোপযোগী ও সমৃদ্ধ সিলেবাসের সুফল পাবে বলে শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মনে করছে।