ঢাকা ০৮:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

একটি প্রোগ্রামিং ত্রুটিতে স্থবির হয়ে পড়েছে বহু দেশের গুরুত্বপূর্ণ অনলাইন সেবা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৭:০০:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

প্রযুক্তি ডেস্ক: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সাহায্যে পিএইচপি নামক একটি জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ভাষায় মারাত্মক নিরাপত্তা ত্রুটি শনাক্ত হওয়ার পর বিশ্বজুড়ে গুরুত্বপূর্ণ অনলাইন সেবা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়। সম্ভাব্য বড় ধরনের সাইবার হামলা এড়াতে বিভিন্ন দেশের সরকার ও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো এই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এই কারিগরি ত্রুটির ফলে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি ওয়েবসাইট থেকে শুরু করে জার্মানির হাসপাতাল এবং ফ্রান্সের কর বিভাগের অনলাইন কার্যক্রম মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়।

নিরাপত্তা গবেষকদের কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার পর পিএইচপি ফাউন্ডেশন দ্রুত একটি প্যাচ বা নিরাপত্তা হালনাগাদ প্রকাশ করে, যার ফলে অনেক প্রতিষ্ঠান একদিনের মধ্যেই তাদের সেবা পুনরায় চালু করতে সক্ষম হয়। ফিনল্যান্ড, যুক্তরাজ্য, নেদারল্যান্ডস ও জাপানের মতো প্রযুক্তিনির্ভর দেশগুলোতে সরকারি পোর্টালগুলো বন্ধ থাকায় নাগরিকদের দৈনন্দিন ডিজিটাল সেবা পেতে বেশ ভোগান্তির শিকার হতে হয়। তবে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় বড় ধরনের কোনো বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

ক্লাউডফ্লেয়ারের প্রধান নির্বাহী ম্যাথিউ প্রিন্স জানিয়েছেন, ত্রুটিটি প্রকাশ পাওয়ার পরপরই হ্যাকাররা এটি অপব্যবহারের জন্য কয়েক লাখ বার চেষ্টা চালায়। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, সময়মতো নিরাপত্তা হালনাগাদ করা না হলে হ্যাকাররা সার্ভারের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেওয়া, গোপনীয় তথ্য হাতিয়ে নেওয়া এবং ওয়েবসাইটের কনটেন্ট পরিবর্তন করে ফেলার মতো মারাত্মক ক্ষতি করতে পারত। বিশ্বজুড়ে এখনো প্রায় ৭০ শতাংশ ওয়েবসাইট এই প্রোগ্রামিং ভাষার ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় এর ঝুঁকি ছিল অত্যন্ত ব্যাপক।

বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এই সাময়িক বিঘ্ন সামাল দেওয়া সহজ হলেও ছোট ব্যবসাগুলো দীর্ঘ সময় ধরে অনলাইন সেবার বাইরে থাকায় অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়ে। কেনিয়া ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন অঞ্চলের তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা সরকারি পর্যায়ে আরও দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তবে এই ঘটনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ইতিবাচক ভূমিকাও স্পষ্টভাবে সামনে এসেছে, কারণ এআই প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলেই বড় কোনো সাইবার হামলার আগেই এই মারাত্মক দুর্বলতা চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছিল।

ট্যাগস :

ওয়ানডের যন্ত্রণা ভুলে এখন টেস্টে চোখ বাংলাদেশের

একটি প্রোগ্রামিং ত্রুটিতে স্থবির হয়ে পড়েছে বহু দেশের গুরুত্বপূর্ণ অনলাইন সেবা

আপডেট সময় ০৭:০০:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

প্রযুক্তি ডেস্ক: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সাহায্যে পিএইচপি নামক একটি জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ভাষায় মারাত্মক নিরাপত্তা ত্রুটি শনাক্ত হওয়ার পর বিশ্বজুড়ে গুরুত্বপূর্ণ অনলাইন সেবা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়। সম্ভাব্য বড় ধরনের সাইবার হামলা এড়াতে বিভিন্ন দেশের সরকার ও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো এই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এই কারিগরি ত্রুটির ফলে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি ওয়েবসাইট থেকে শুরু করে জার্মানির হাসপাতাল এবং ফ্রান্সের কর বিভাগের অনলাইন কার্যক্রম মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়।

নিরাপত্তা গবেষকদের কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার পর পিএইচপি ফাউন্ডেশন দ্রুত একটি প্যাচ বা নিরাপত্তা হালনাগাদ প্রকাশ করে, যার ফলে অনেক প্রতিষ্ঠান একদিনের মধ্যেই তাদের সেবা পুনরায় চালু করতে সক্ষম হয়। ফিনল্যান্ড, যুক্তরাজ্য, নেদারল্যান্ডস ও জাপানের মতো প্রযুক্তিনির্ভর দেশগুলোতে সরকারি পোর্টালগুলো বন্ধ থাকায় নাগরিকদের দৈনন্দিন ডিজিটাল সেবা পেতে বেশ ভোগান্তির শিকার হতে হয়। তবে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় বড় ধরনের কোনো বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

ক্লাউডফ্লেয়ারের প্রধান নির্বাহী ম্যাথিউ প্রিন্স জানিয়েছেন, ত্রুটিটি প্রকাশ পাওয়ার পরপরই হ্যাকাররা এটি অপব্যবহারের জন্য কয়েক লাখ বার চেষ্টা চালায়। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, সময়মতো নিরাপত্তা হালনাগাদ করা না হলে হ্যাকাররা সার্ভারের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেওয়া, গোপনীয় তথ্য হাতিয়ে নেওয়া এবং ওয়েবসাইটের কনটেন্ট পরিবর্তন করে ফেলার মতো মারাত্মক ক্ষতি করতে পারত। বিশ্বজুড়ে এখনো প্রায় ৭০ শতাংশ ওয়েবসাইট এই প্রোগ্রামিং ভাষার ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় এর ঝুঁকি ছিল অত্যন্ত ব্যাপক।

বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এই সাময়িক বিঘ্ন সামাল দেওয়া সহজ হলেও ছোট ব্যবসাগুলো দীর্ঘ সময় ধরে অনলাইন সেবার বাইরে থাকায় অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়ে। কেনিয়া ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন অঞ্চলের তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা সরকারি পর্যায়ে আরও দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তবে এই ঘটনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ইতিবাচক ভূমিকাও স্পষ্টভাবে সামনে এসেছে, কারণ এআই প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলেই বড় কোনো সাইবার হামলার আগেই এই মারাত্মক দুর্বলতা চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছিল।