ঢাকা ০৫:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo আলীকদমে ৩৮ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক Logo শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি দিপকের, এখনো আটক সৌরভ ও রাঙ্কা Logo রাগ দমন: মুমিনের প্রকৃত শক্তি যেভাবে প্রকাশ পায় Logo সারাদেশে শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গাপূজা উদযাপিত হচ্ছে: আইজিপি Logo চট্টগ্রাম মোটর ফেস্টে নাসির সিনট্যাক্সের জমকালো উপস্থিতি Logo ব্যাটসম্যানদেরই জেতানো উচিত ছিল, বলছেন তাসকিন Logo মিরপুরে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতার মতবিনিময় Logo মাদক সেবনের অভিযোগে ছাত্রদলের দুই নেতাসহ গ্রেপ্তার ৪ Logo মির্জাপুরে ভারতেশ্বরী হোমসের শিক্ষার্থীদের আরতিতে মুগ্ধ দর্শনার্থীরা Logo নাম বদলানোতে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ, রানার্সআপ ট্রাম্প
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

ব্যাটসম্যানদেরই জেতানো উচিত ছিল, বলছেন তাসকিন

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:৩০:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

খেলা ডেস্ক: আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দারুণ শুরু করেছিলেন পেসার তাসকিন আহমেদ। ইনিংসের প্রথম তিন উইকেট তুলে নিয়ে তিনি প্রতিপক্ষকে ভীষণ চাপে ফেলেছিলেন। একসময় ২৪ রানে তিন উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা জিম্বাবুয়ে সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে পুরো ৫০ ওভার ব্যাট করে। তারা বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ২৭২ রানের মাঝারি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দেয়।

তবে সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে টাইগারদের ব্যাটিং লাইনআপ পুরোপুরি ব্যর্থ হয়। প্রতিপক্ষের বোলারদের খুব বেশি সুবিধা না পেলেও বাংলাদেশ দল মাত্র ১৭২ রানে গুটিয়ে যায়। পিচের আচরণ এবং বোলারদের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করে তাসকিন স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে এই রান তাড়া করে জেতা উচিত ছিল। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি স্বীকার করেন যে দল হিসেবে তারা নিজেদের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি।

ম্যাচে বাংলাদেশের ইনিংসের একমাত্র উল্লেখযোগ্য জুটি ছিল উদ্বোধনী জুটিতে সৌম্য সরকার ও তানজিদ হাসানের তোলা ৪৭ রান। এছাড়া শেষ দিকে নবম উইকেটে তাসকিন ও রিশাদ হোসেনের ৩২ রানের একটি জুটি ছাড়া বলার মতো কোনো প্রতিরোধ ছিল না। বড় কোনো জুটি গড়তে না পারার ব্যর্থতাকেই ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে চিহ্নিত করেছেন এই অভিজ্ঞ পেসার। তিনি মনে করেন, উইকেটে কয়েকটি ছোট জুটি গড়ে উঠলেই ম্যাচের ফল বাংলাদেশের অনুকূলে আসতে পারত।

সংবাদ সম্মেলনে তাসকিন আরও উল্লেখ করেন যে দলের ব্যাটসম্যানদের দক্ষতার কোনো ঘাটতি নেই। তবে মাঝেমধ্যে চাপে পড়ে দ্রুত ভেঙে পড়ার পুরনো মানসিকতা থেকেই তাদের বেরিয়ে আসতে হবে। বড় দল হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে হলে ম্যাচ পরিস্থিতির সঠিক মূল্যায়ন করার ক্ষমতা বাড়াতে হবে। বর্তমান হতাশা ভুলে শেষ ম্যাচ জিতে ফাইনালে ওঠার লক্ষ্যেই দল এখন সম্পূর্ণ মনোযোগ দিচ্ছে।

ট্যাগস :

আলীকদমে ৩৮ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক

ব্যাটসম্যানদেরই জেতানো উচিত ছিল, বলছেন তাসকিন

আপডেট সময় ০৩:৩০:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

খেলা ডেস্ক: আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দারুণ শুরু করেছিলেন পেসার তাসকিন আহমেদ। ইনিংসের প্রথম তিন উইকেট তুলে নিয়ে তিনি প্রতিপক্ষকে ভীষণ চাপে ফেলেছিলেন। একসময় ২৪ রানে তিন উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা জিম্বাবুয়ে সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে পুরো ৫০ ওভার ব্যাট করে। তারা বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ২৭২ রানের মাঝারি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দেয়।

তবে সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে টাইগারদের ব্যাটিং লাইনআপ পুরোপুরি ব্যর্থ হয়। প্রতিপক্ষের বোলারদের খুব বেশি সুবিধা না পেলেও বাংলাদেশ দল মাত্র ১৭২ রানে গুটিয়ে যায়। পিচের আচরণ এবং বোলারদের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করে তাসকিন স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে এই রান তাড়া করে জেতা উচিত ছিল। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি স্বীকার করেন যে দল হিসেবে তারা নিজেদের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি।

ম্যাচে বাংলাদেশের ইনিংসের একমাত্র উল্লেখযোগ্য জুটি ছিল উদ্বোধনী জুটিতে সৌম্য সরকার ও তানজিদ হাসানের তোলা ৪৭ রান। এছাড়া শেষ দিকে নবম উইকেটে তাসকিন ও রিশাদ হোসেনের ৩২ রানের একটি জুটি ছাড়া বলার মতো কোনো প্রতিরোধ ছিল না। বড় কোনো জুটি গড়তে না পারার ব্যর্থতাকেই ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে চিহ্নিত করেছেন এই অভিজ্ঞ পেসার। তিনি মনে করেন, উইকেটে কয়েকটি ছোট জুটি গড়ে উঠলেই ম্যাচের ফল বাংলাদেশের অনুকূলে আসতে পারত।

সংবাদ সম্মেলনে তাসকিন আরও উল্লেখ করেন যে দলের ব্যাটসম্যানদের দক্ষতার কোনো ঘাটতি নেই। তবে মাঝেমধ্যে চাপে পড়ে দ্রুত ভেঙে পড়ার পুরনো মানসিকতা থেকেই তাদের বেরিয়ে আসতে হবে। বড় দল হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে হলে ম্যাচ পরিস্থিতির সঠিক মূল্যায়ন করার ক্ষমতা বাড়াতে হবে। বর্তমান হতাশা ভুলে শেষ ম্যাচ জিতে ফাইনালে ওঠার লক্ষ্যেই দল এখন সম্পূর্ণ মনোযোগ দিচ্ছে।