অপরাধ ডেস্ক: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে চাঁদপুরের বিখ্যাত পদ্মার ইলিশ বিক্রির লোভনীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছে একটি চক্র। সম্প্রতি এই প্রতারণার মূল হোতাদের ধরতে মাঠে নামে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এরই ধারাবাহিকতায় নড়াইল জেলায় অবস্থান করে অনলাইনে এই জালিয়াতি পরিচালনা করা এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে এই সংঘবদ্ধ চক্রের মোট ৯ জন সদস্যকে আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হলেন তদন্তকারীরা।তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অভিযুক্ত ব্যক্তি নড়াইলে বসেই একটি ভুয়া ফেসবুক পেজ পরিচালনা করতেন। সেখানে আকর্ষণীয় মূল্যে আসল ইলিশ মাছ দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন ক্রেতার কাছ থেকে অগ্রিম টাকা হাতিয়ে নিতেন তিনি। টাকা পাওয়ার পর ক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়া হতো এবং মাছও পাঠানো হতো না। দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের অভিনব কায়দায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা চালিয়ে আসছিল চক্রটি।এর আগে পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এই প্রতারক চক্রের আরও ছয়জন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছিল। তাদের দেওয়া তথ্য ও ডিজিটাল মাধ্যমের সহায়তায় সম্প্রতি মূল হোতার অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে নড়াইলে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা সম্ভব হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই ব্যক্তি নিজের অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন।অনলাইন কেনাকাটায় এ ধরনের প্রতারণা রোধে সাধারণ মানুষকে আরও বেশি সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে অচেনা কোনো পেজ বা ব্যক্তির কাছ থেকে কোনো পণ্য কেনার আগে তাদের বিশ্বস্ততা যাচাই করার আহ্বান জানানো হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে এবং চক্রের বাকি কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
অপরাধ ডেস্ক: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে চাঁদপুরের বিখ্যাত পদ্মার ইলিশ বিক্রির লোভনীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছে একটি চক্র। সম্প্রতি এই প্রতারণার মূল হোতাদের ধরতে মাঠে নামে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এরই ধারাবাহিকতায় নড়াইল জেলায় অবস্থান করে অনলাইনে এই জালিয়াতি পরিচালনা করা এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে এই সংঘবদ্ধ চক্রের মোট ৯ জন সদস্যকে আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হলেন তদন্তকারীরা।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অভিযুক্ত ব্যক্তি নড়াইলে বসেই একটি ভুয়া ফেসবুক পেজ পরিচালনা করতেন। সেখানে আকর্ষণীয় মূল্যে আসল ইলিশ মাছ দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন ক্রেতার কাছ থেকে অগ্রিম টাকা হাতিয়ে নিতেন তিনি। টাকা পাওয়ার পর ক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়া হতো এবং মাছও পাঠানো হতো না। দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের অভিনব কায়দায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা চালিয়ে আসছিল চক্রটি।
এর আগে পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এই প্রতারক চক্রের আরও ছয়জন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছিল। তাদের দেওয়া তথ্য ও ডিজিটাল মাধ্যমের সহায়তায় সম্প্রতি মূল হোতার অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে নড়াইলে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা সম্ভব হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই ব্যক্তি নিজের অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন।
অনলাইন কেনাকাটায় এ ধরনের প্রতারণা রোধে সাধারণ মানুষকে আরও বেশি সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে অচেনা কোনো পেজ বা ব্যক্তির কাছ থেকে কোনো পণ্য কেনার আগে তাদের বিশ্বস্ততা যাচাই করার আহ্বান জানানো হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে এবং চক্রের বাকি কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।