আপডেট সময়
০৮:৪৬:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
১
বার পড়া হয়েছে
বিদেশে কোনো ফল নেওয়া যায় না কেন
ডেস্ক রিপোর্ট: যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ কিংবা অস্ট্রেলিয়ার মতো উন্নত দেশগুলোতে ভ্রমণের সময় সঙ্গে করে কোনো টাটকা ফল নিয়ে যাওয়া কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। মূলত স্থানীয় কৃষিব্যবস্থা এবং উদ্ভিদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখেই এসব দেশে এই আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। সাধারণ ফলমূলের ভেতরে বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর পোকা, লার্ভা বা অণুজীব লুকিয়ে থাকতে পারে, যা অসাবধানতাবশত অন্য দেশে প্রবেশ করলে সেখানকার গোটা উদ্ভিদ ও কৃষিসম্পদ ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। বিদেশি কীটপতঙ্গের আক্রমণ থেকে নিজেদের ফল ও ফসল রক্ষা করার জন্যই বিমানবন্দরগুলোতে এই কড়া নিয়ম বজায় রাখা হয়।বাণিজ্যিক উপায়ে বিভিন্ন দেশ থেকে ফল আমদানি করার সময় সেগুলোকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় জীবাণুমুক্ত বা নিষ্ক্রিয় করে নেওয়া হয়। প্রচলিত নিয়মে গামারশ্মি প্রয়োগ করে ফলের ভেতর থাকা পোকার ডিম ও লার্ভাগুলোর প্রজননক্ষমতা নষ্ট করা হয়। নির্দিষ্ট মাত্রায় এই রশ্মি প্রয়োগ করলে পোকাগুলো বংশবৃদ্ধি করার ক্ষমতা সম্পূর্ণ হারিয়ে ফেলে এবং আমদানিকৃত ফলগুলো স্থানীয় কৃষির জন্য নিরাপদ হয়ে ওঠে। তবে এই জীবাণুমুক্তকরণ প্রক্রিয়াটি সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করার জন্য বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার প্রয়োজন পড়ে।বাংলাদেশের খ্যাতনামা জীববিজ্ঞানী রেজাউর রহমান আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার স্কলারশিপ নিয়ে ভিয়েনায় গবেষণা করার সময় এ বিষয়ে একটি যুগান্তকারী পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। ১৯৮৭ সালে উদ্ভাবিত এই সহজ পদ্ধতিতে গামারশ্মি প্রয়োগের ফলে ফলের ভেতরে থাকা শূককীটের মস্তিষ্কের আয়তন প্রায় ৮০ শতাংশ পর্যন্ত সংকুচিত হয়ে যাওয়ার বিষয়টি প্রমাণিত হয়। এর মাধ্যমে অত্যন্ত দ্রুত ও নিখুঁতভাবে বোঝা সম্ভব হয় যে ফলগুলো সঠিকভাবে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে কিনা। মাত্র এক মিনিটে সম্পন্ন হওয়া এই পরীক্ষাটি এতটাই কার্যকর ছিল যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগ বা ইউএসডিএ হাওয়াই থেকে আমদানিকৃত ফল পরীক্ষার জন্য পদ্ধতিটি লুফে নেয়।যুক্তরাষ্ট্রের একটি নামী বিজ্ঞান পত্রিকায় এই যুগান্তকারী আবিষ্কারের বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশিত হওয়ার পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এর কদর বৃদ্ধি পায়। তবে বাণিজ্যিক আমদানির ক্ষেত্রে এই ধরনের ল্যাবরেটরি পরীক্ষা সম্ভব হলেও বিমানবন্দর দিয়ে যাতায়াতকারী সাধারণ যাত্রীদের ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য নয়। যাত্রীদের ব্যাগে থাকা দু-একটি তাজা ফল তাৎক্ষণিকভাবে পরীক্ষা করার মতো পর্যাপ্ত ব্যবস্থা বিমানবন্দরে রাখা অবাস্তব ও দুরূহ। আর সে কারণেই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোতে যাত্রীদের ব্যক্তিগতভাবে সঙ্গে করে কোনো ধরনের তাজা ফল বা শাকসবজি বহনের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে।
ডেস্ক রিপোর্ট: যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ কিংবা অস্ট্রেলিয়ার মতো উন্নত দেশগুলোতে ভ্রমণের সময় সঙ্গে করে কোনো টাটকা ফল নিয়ে যাওয়া কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। মূলত স্থানীয় কৃষিব্যবস্থা এবং উদ্ভিদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখেই এসব দেশে এই আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। সাধারণ ফলমূলের ভেতরে বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর পোকা, লার্ভা বা অণুজীব লুকিয়ে থাকতে পারে, যা অসাবধানতাবশত অন্য দেশে প্রবেশ করলে সেখানকার গোটা উদ্ভিদ ও কৃষিসম্পদ ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। বিদেশি কীটপতঙ্গের আক্রমণ থেকে নিজেদের ফল ও ফসল রক্ষা করার জন্যই বিমানবন্দরগুলোতে এই কড়া নিয়ম বজায় রাখা হয়।
বাণিজ্যিক উপায়ে বিভিন্ন দেশ থেকে ফল আমদানি করার সময় সেগুলোকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় জীবাণুমুক্ত বা নিষ্ক্রিয় করে নেওয়া হয়। প্রচলিত নিয়মে গামারশ্মি প্রয়োগ করে ফলের ভেতর থাকা পোকার ডিম ও লার্ভাগুলোর প্রজননক্ষমতা নষ্ট করা হয়। নির্দিষ্ট মাত্রায় এই রশ্মি প্রয়োগ করলে পোকাগুলো বংশবৃদ্ধি করার ক্ষমতা সম্পূর্ণ হারিয়ে ফেলে এবং আমদানিকৃত ফলগুলো স্থানীয় কৃষির জন্য নিরাপদ হয়ে ওঠে। তবে এই জীবাণুমুক্তকরণ প্রক্রিয়াটি সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করার জন্য বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার প্রয়োজন পড়ে।
বাংলাদেশের খ্যাতনামা জীববিজ্ঞানী রেজাউর রহমান আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার স্কলারশিপ নিয়ে ভিয়েনায় গবেষণা করার সময় এ বিষয়ে একটি যুগান্তকারী পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। ১৯৮৭ সালে উদ্ভাবিত এই সহজ পদ্ধতিতে গামারশ্মি প্রয়োগের ফলে ফলের ভেতরে থাকা শূককীটের মস্তিষ্কের আয়তন প্রায় ৮০ শতাংশ পর্যন্ত সংকুচিত হয়ে যাওয়ার বিষয়টি প্রমাণিত হয়। এর মাধ্যমে অত্যন্ত দ্রুত ও নিখুঁতভাবে বোঝা সম্ভব হয় যে ফলগুলো সঠিকভাবে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে কিনা। মাত্র এক মিনিটে সম্পন্ন হওয়া এই পরীক্ষাটি এতটাই কার্যকর ছিল যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগ বা ইউএসডিএ হাওয়াই থেকে আমদানিকৃত ফল পরীক্ষার জন্য পদ্ধতিটি লুফে নেয়।
যুক্তরাষ্ট্রের একটি নামী বিজ্ঞান পত্রিকায় এই যুগান্তকারী আবিষ্কারের বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশিত হওয়ার পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এর কদর বৃদ্ধি পায়। তবে বাণিজ্যিক আমদানির ক্ষেত্রে এই ধরনের ল্যাবরেটরি পরীক্ষা সম্ভব হলেও বিমানবন্দর দিয়ে যাতায়াতকারী সাধারণ যাত্রীদের ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য নয়। যাত্রীদের ব্যাগে থাকা দু-একটি তাজা ফল তাৎক্ষণিকভাবে পরীক্ষা করার মতো পর্যাপ্ত ব্যবস্থা বিমানবন্দরে রাখা অবাস্তব ও দুরূহ। আর সে কারণেই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোতে যাত্রীদের ব্যক্তিগতভাবে সঙ্গে করে কোনো ধরনের তাজা ফল বা শাকসবজি বহনের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে।