ঢাকা ০৩:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo হেফাজতের নেতৃত্বে ঐক্য প্রক্রিয়ায় মতবিরোধ, সন্দেহ কেন জামায়াতের Logo জবিতে রসায়ন অলিম্পিয়াডে নিবন্ধনের সময় বাড়ল Logo চেক ডিজঅনার মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ নেতা গ্রেপ্তার Logo স্নাতক অন্য বিষয়ে, তবু মাধ্যমিকে ইংরেজি-গণিত পড়ান ২০ হাজারের বেশি শিক্ষক Logo নিরাপত্তা ও স্বস্তিতে পূজা উদ্‌যাপনের ব্যবস্থা নিতে জামায়াত আমিরের আহ্বান Logo বিল গেটসের চোখে এই তিন পেশা এআই সহজে কেড়ে নিতে পারবে না Logo আমাদের মনোনীত প্রার্থী হারলে ওই ইউনিয়নে কোনো কাজ করব না: চিফ হুইপ মনি Logo দুর্গাপূজাকে ঘিরে নাশকতার কোনো আশঙ্কা নেই: ডিএমপি কমিশনার Logo তরুণদের নেতৃত্বেই গড়ে উঠবে সুন্দর বাংলাদেশ: ডেপুটি স্পিকার Logo দুই মাস পর বড়পুকুরিয়া কয়লাখনিতে উত্তোলন শুরু
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

বিল গেটসের চোখে এই তিন পেশা এআই সহজে কেড়ে নিতে পারবে না

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:৪৫:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট: প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির সাথে সাথে কর্মসংস্থানের বাজারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর প্রভাব দিন দিন বেড়েই চলেছে। প্রযুক্তির এই বিপ্লব মানুষের বহু প্রচলিত কাজের ধরন বদলে দিচ্ছে এবং ভবিষ্যতে অনেক রুটিন কাজ যন্ত্রের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তবে প্রখ্যাত প্রযুক্তিবিদ ও মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস মনে করেন, প্রযুক্তির জয়জয়কার সত্ত্বেও মানুষের কর্মসংস্থান সম্পূর্ণ হুমকির মুখে পড়বে না। কারণ এমন কিছু বিশেষ ক্ষেত্র রয়েছে যেখানে মানুষের বুদ্ধিমত্তা, আবেগ এবং সৃজনশীলতার কোনো বিকল্প নেই।

বিল গেটসের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, প্রধানত তিনটি নির্দিষ্ট সেক্টরে মানুষের প্রয়োজনীয়তা চিরকাল অপরিবর্তিত থাকবে। এর মধ্যে প্রথমটি হলো শক্তি খাতের উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা, দ্বিতীয়টি হলো আধুনিক জীবপ্রযুক্তি এবং তৃতীয়টি হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিজেই। এই পেশাগুলোতে এমন কিছু জটিল সিদ্ধান্ত এবং উদ্ভাবনী চিন্তার প্রয়োজন হয়, যা কোনো সাধারণ বা উন্নত এআই অ্যালগরিদমের পক্ষে একা করা সম্ভব নয়। ভবিষ্যতের পৃথিবীতে এই খাতগুলোর চাহিদা আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, এআই যতই উন্নত হোক না কেন, মানুষের সাথে মেশিনের মৌলিক কিছু পার্থক্য থেকেই যায়। বিশেষ করে জীবপ্রযুক্তি এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষণা ক্ষেত্রে প্রতিনিয়ত নতুন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়, যা অনুধাবন করার জন্য মানবিক অনুভূতির প্রয়োজন হয়। এছাড়া জ্বালানি বা শক্তি খাতের মতো কৌশলগত সেক্টরগুলোতে নীতিনির্ধারণের ক্ষেত্রে মানুষের বিচক্ষণতা ও দূরদর্শিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। ফলে এই পেশাগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে বিলুপ্ত হওয়ার পরিবর্তে উল্টো আরও বেশি মানবকেন্দ্রিক দক্ষতাপূর্ণ হয়ে উঠবে।

সবমিলিয়ে, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের এই ধরণের মতামত কর্মজীবী মানুষকে আশাবাদী করে তুলেছে যে এআই মানুষের বিকল্প নয় বরং পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে। ভবিষ্যতের কর্মবাজারে টিকে থাকতে হলে রুটিন কাজের বাইরে গিয়ে বিশেষায়িত দক্ষতা অর্জন করা এখন সময়ের দাবি। যারা নিজেদের প্রযুক্তিগত জ্ঞানের সাথে মানবিক সৃজনশীলতা ও বুদ্ধিমত্তার মেলবন্ধন ঘটাতে পারবেন, শ্রমবাজারে তাদের চাহিদা আগামী দিনে আরও বেশিিক মাত্রায় বৃদ্ধি পাবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

হেফাজতের নেতৃত্বে ঐক্য প্রক্রিয়ায় মতবিরোধ, সন্দেহ কেন জামায়াতের

বিল গেটসের চোখে এই তিন পেশা এআই সহজে কেড়ে নিতে পারবে না

আপডেট সময় ০১:৪৫:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট: প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির সাথে সাথে কর্মসংস্থানের বাজারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর প্রভাব দিন দিন বেড়েই চলেছে। প্রযুক্তির এই বিপ্লব মানুষের বহু প্রচলিত কাজের ধরন বদলে দিচ্ছে এবং ভবিষ্যতে অনেক রুটিন কাজ যন্ত্রের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তবে প্রখ্যাত প্রযুক্তিবিদ ও মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস মনে করেন, প্রযুক্তির জয়জয়কার সত্ত্বেও মানুষের কর্মসংস্থান সম্পূর্ণ হুমকির মুখে পড়বে না। কারণ এমন কিছু বিশেষ ক্ষেত্র রয়েছে যেখানে মানুষের বুদ্ধিমত্তা, আবেগ এবং সৃজনশীলতার কোনো বিকল্প নেই।

বিল গেটসের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, প্রধানত তিনটি নির্দিষ্ট সেক্টরে মানুষের প্রয়োজনীয়তা চিরকাল অপরিবর্তিত থাকবে। এর মধ্যে প্রথমটি হলো শক্তি খাতের উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা, দ্বিতীয়টি হলো আধুনিক জীবপ্রযুক্তি এবং তৃতীয়টি হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিজেই। এই পেশাগুলোতে এমন কিছু জটিল সিদ্ধান্ত এবং উদ্ভাবনী চিন্তার প্রয়োজন হয়, যা কোনো সাধারণ বা উন্নত এআই অ্যালগরিদমের পক্ষে একা করা সম্ভব নয়। ভবিষ্যতের পৃথিবীতে এই খাতগুলোর চাহিদা আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, এআই যতই উন্নত হোক না কেন, মানুষের সাথে মেশিনের মৌলিক কিছু পার্থক্য থেকেই যায়। বিশেষ করে জীবপ্রযুক্তি এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষণা ক্ষেত্রে প্রতিনিয়ত নতুন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়, যা অনুধাবন করার জন্য মানবিক অনুভূতির প্রয়োজন হয়। এছাড়া জ্বালানি বা শক্তি খাতের মতো কৌশলগত সেক্টরগুলোতে নীতিনির্ধারণের ক্ষেত্রে মানুষের বিচক্ষণতা ও দূরদর্শিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। ফলে এই পেশাগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে বিলুপ্ত হওয়ার পরিবর্তে উল্টো আরও বেশি মানবকেন্দ্রিক দক্ষতাপূর্ণ হয়ে উঠবে।

সবমিলিয়ে, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের এই ধরণের মতামত কর্মজীবী মানুষকে আশাবাদী করে তুলেছে যে এআই মানুষের বিকল্প নয় বরং পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে। ভবিষ্যতের কর্মবাজারে টিকে থাকতে হলে রুটিন কাজের বাইরে গিয়ে বিশেষায়িত দক্ষতা অর্জন করা এখন সময়ের দাবি। যারা নিজেদের প্রযুক্তিগত জ্ঞানের সাথে মানবিক সৃজনশীলতা ও বুদ্ধিমত্তার মেলবন্ধন ঘটাতে পারবেন, শ্রমবাজারে তাদের চাহিদা আগামী দিনে আরও বেশিিক মাত্রায় বৃদ্ধি পাবে।