আপডেট সময়
০৪:৪৬:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
২
বার পড়া হয়েছে
কৃষককে কেন্দ্রবিন্দুতে রেখেই কৃষিখাতের নীতি নির্ধারণ করতে হবে: জহির উদ্দিন
জাতীয় ডেস্ক: কৃষি খাতের সার্বিক উন্নয়ন, বাজার ব্যবস্থাপনার শৃঙ্খলা কিংবা আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার—যেকোনো আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে কৃষক এবং তাদের পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি স্পষ্ট করে জানান যে, কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের বাজার নিরাপত্তা ও লাভজনক মূল্য নিশ্চিত করা ছাড়া দেশের কৃষির প্রকৃত অগ্রগতি সম্ভব নয়। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকার একটি হোটেলে আয়োজিত কৃষি ইকোসিস্টেম ও ব্লকচেইন বিষয়ক একটি বিশেষ সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ অভিমত ব্যক্ত করেন।জহির উদ্দিন স্বপন তাঁর বক্তব্যে বলেন, আধুনিক কৃষি বাণিজ্যের বিভিন্ন স্তরে জড়িত মধ্যস্বত্বভোগীদের নানা সমস্যা নিয়ে যতটা আলোচনা হয়, প্রকৃত খাদ্য উৎপাদনকারী কৃষকের সংকট নিয়ে সেভাবে কথা বলা হয় না। প্রযুক্তি যতটুকুই উন্নত হোক না কেন, মানুষের টিকে থাকার অনিবার্য প্রয়োজনেই কৃষির ওপর নির্ভর করতে হয় এবং দেশের প্রায় পঁয়তাল্লিশ শতাংশ মানুষ এখনো জীবিকার জন্য কৃষির ওপর নির্ভরশীল। অথচ অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, সমাজে কৃষিপেশাকে এখনো অনেক ক্ষেত্রে অবহেলার দৃষ্টিতে দেখা হয়। কৃষি ও কৃষকের এই কৌশলগত গুরুত্ব বা স্ট্র্যাটেজিক ভ্যালু উপলব্ধি না করলে কৃষি খাত নিয়ে করা যেকোনো আলোচনাই অপূর্ণাঙ্গ থেকে যাবে।বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা জানান যে, দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই সরকার কৃষি ও কৃষক সমাজকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আসছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতিমধ্যেই দেশব্যাপী ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ এবং কৃষকদের জন্য কৃষিঋণ মওকুফের মতো যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়ে পরিষ্কার বার্তা দিয়েছেন। দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি এবং জিডিপি সচল ও শক্তিশালী রাখার ক্ষেত্রে কৃষি খাতই সবচেয়ে বড় কৌশলগত চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।সেমিনারে উপস্থিত দেশি-বিদেশি কৃষি বিশেষজ্ঞ ও নীতিনির্ধারকদের উদ্দেশে তিনি আহ্বান জানান যেন প্রযুক্তির সুফল এবং আধুনিক সুবিধা সরাসরি মাঠপর্যায়ের কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছে যায়। কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের সংরক্ষণ বিশেষ করে পচনশীল কৃষিপণ্য সুরক্ষায় আধুনিক কোল্ড স্টোরেজ বা হিমাগার নির্মাণের ওপর তিনি জোর দেন। এছাড়া, কৃষক সমাজ যেন কোনো ধরনের সিন্ডিকেট বা মধ্যস্বত্বভোগীর প্রতারণার শিকার না হয়, সে বিষয়ে কাঠামোগত ও স্থায়ী সমাধানের দাবি জানান তিনি।অনুষ্ঠানে বক্তারা কৃষি খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এবং আধুনিক ব্লকচেইন প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে পুরো বাজার ব্যবস্থাপনাকে আরও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ওই সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি তাবিথ আউয়াল, আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের বা আইএফএডি-র কান্ট্রি ডিরেক্টর ভ্যালেন্টাইন আচানচো, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ জিয়াওকুন শি এবং গেইন-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর রুদাবা খন্দকারসহ দেশি-বিদেশি বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
জাতীয় ডেস্ক: কৃষি খাতের সার্বিক উন্নয়ন, বাজার ব্যবস্থাপনার শৃঙ্খলা কিংবা আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার—যেকোনো আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে কৃষক এবং তাদের পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি স্পষ্ট করে জানান যে, কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের বাজার নিরাপত্তা ও লাভজনক মূল্য নিশ্চিত করা ছাড়া দেশের কৃষির প্রকৃত অগ্রগতি সম্ভব নয়। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকার একটি হোটেলে আয়োজিত কৃষি ইকোসিস্টেম ও ব্লকচেইন বিষয়ক একটি বিশেষ সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ অভিমত ব্যক্ত করেন।
জহির উদ্দিন স্বপন তাঁর বক্তব্যে বলেন, আধুনিক কৃষি বাণিজ্যের বিভিন্ন স্তরে জড়িত মধ্যস্বত্বভোগীদের নানা সমস্যা নিয়ে যতটা আলোচনা হয়, প্রকৃত খাদ্য উৎপাদনকারী কৃষকের সংকট নিয়ে সেভাবে কথা বলা হয় না। প্রযুক্তি যতটুকুই উন্নত হোক না কেন, মানুষের টিকে থাকার অনিবার্য প্রয়োজনেই কৃষির ওপর নির্ভর করতে হয় এবং দেশের প্রায় পঁয়তাল্লিশ শতাংশ মানুষ এখনো জীবিকার জন্য কৃষির ওপর নির্ভরশীল। অথচ অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, সমাজে কৃষিপেশাকে এখনো অনেক ক্ষেত্রে অবহেলার দৃষ্টিতে দেখা হয়। কৃষি ও কৃষকের এই কৌশলগত গুরুত্ব বা স্ট্র্যাটেজিক ভ্যালু উপলব্ধি না করলে কৃষি খাত নিয়ে করা যেকোনো আলোচনাই অপূর্ণাঙ্গ থেকে যাবে।
বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা জানান যে, দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই সরকার কৃষি ও কৃষক সমাজকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আসছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতিমধ্যেই দেশব্যাপী ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ এবং কৃষকদের জন্য কৃষিঋণ মওকুফের মতো যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়ে পরিষ্কার বার্তা দিয়েছেন। দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি এবং জিডিপি সচল ও শক্তিশালী রাখার ক্ষেত্রে কৃষি খাতই সবচেয়ে বড় কৌশলগত চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
সেমিনারে উপস্থিত দেশি-বিদেশি কৃষি বিশেষজ্ঞ ও নীতিনির্ধারকদের উদ্দেশে তিনি আহ্বান জানান যেন প্রযুক্তির সুফল এবং আধুনিক সুবিধা সরাসরি মাঠপর্যায়ের কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছে যায়। কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের সংরক্ষণ বিশেষ করে পচনশীল কৃষিপণ্য সুরক্ষায় আধুনিক কোল্ড স্টোরেজ বা হিমাগার নির্মাণের ওপর তিনি জোর দেন। এছাড়া, কৃষক সমাজ যেন কোনো ধরনের সিন্ডিকেট বা মধ্যস্বত্বভোগীর প্রতারণার শিকার না হয়, সে বিষয়ে কাঠামোগত ও স্থায়ী সমাধানের দাবি জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে বক্তারা কৃষি খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এবং আধুনিক ব্লকচেইন প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে পুরো বাজার ব্যবস্থাপনাকে আরও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ওই সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি তাবিথ আউয়াল, আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের বা আইএফএডি-র কান্ট্রি ডিরেক্টর ভ্যালেন্টাইন আচানচো, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ জিয়াওকুন শি এবং গেইন-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর রুদাবা খন্দকারসহ দেশি-বিদেশি বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।