আপডেট সময়
০৮:০১:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
১
বার পড়া হয়েছে
বকশীগঞ্জে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান, ড্রেজার জব্দ
জাতীয় ডেস্ক: জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার দশানী নদীতে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের চলায় তা বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। নদী তীরবর্তী এলাকার পরিবেশ ও প্রতিবেশ রক্ষায় সম্প্রতি সেখানে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অবৈধ উপায়ে বালু তোলার ফলে নদীর তীর ভাঙন ও আশপাশের আবাদি জমি হুমকির মুখে পড়ার অভিযোগ পেয়েছিল প্রশাসন। এই প্রেক্ষাপটে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই সাঁড়াশি অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে শেকেরচর এলাকায় নদীর বুকে অবৈধভাবে বসানো একটি শক্তিশালী ড্রেজার মেশিন ও দুটি ডিজেল ইঞ্জিন জব্দ করা হয়। স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এবং প্রশাসনের নিয়মিত নজরদারির অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। তবে প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে অবৈধ বালু উত্তোলনের সাথে জড়িত ব্যক্তিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। জব্দকৃত মালামালগুলো বর্তমানে প্রশাসনের হেফাজতে রয়েছে।উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসমা উল হুসনা এই ভ্রাম্যমাণ অভিযান পরিচালনা করেন। তিনি গণমাধ্যমকে জানান, দশানী নদীকে অবৈধ দখল ও বালু উত্তোলনের হাত থেকে রক্ষা করতে প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে। পরিবেশ ধ্বংসকারী অসাধু চক্রের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখতে এবং অবৈধ বালু উত্তোলন পুরোপুরি বন্ধ করতে স্থানীয় সচেতন মহল প্রশাসনের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে। নদী তীরবর্তী এলাকার সাধারণ মানুষ আশা প্রকাশ করেছেন যে, প্রশাসনের এই নিয়মিত অভিযানের ফলে অবৈধ বালু ব্যবসায়ীরা আর মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না। এতে করে এলাকার কৃষি জমি এবং বসতভিটা নদী ভাঙনের মারাত্মক ঝুঁকি থেকে রক্ষা পাবে।
জাতীয় ডেস্ক: জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার দশানী নদীতে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের চলায় তা বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। নদী তীরবর্তী এলাকার পরিবেশ ও প্রতিবেশ রক্ষায় সম্প্রতি সেখানে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অবৈধ উপায়ে বালু তোলার ফলে নদীর তীর ভাঙন ও আশপাশের আবাদি জমি হুমকির মুখে পড়ার অভিযোগ পেয়েছিল প্রশাসন। এই প্রেক্ষাপটে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই সাঁড়াশি অভিযান চালানো হয়।
অভিযান চলাকালে শেকেরচর এলাকায় নদীর বুকে অবৈধভাবে বসানো একটি শক্তিশালী ড্রেজার মেশিন ও দুটি ডিজেল ইঞ্জিন জব্দ করা হয়। স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এবং প্রশাসনের নিয়মিত নজরদারির অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। তবে প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে অবৈধ বালু উত্তোলনের সাথে জড়িত ব্যক্তিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। জব্দকৃত মালামালগুলো বর্তমানে প্রশাসনের হেফাজতে রয়েছে।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসমা উল হুসনা এই ভ্রাম্যমাণ অভিযান পরিচালনা করেন। তিনি গণমাধ্যমকে জানান, দশানী নদীকে অবৈধ দখল ও বালু উত্তোলনের হাত থেকে রক্ষা করতে প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে। পরিবেশ ধ্বংসকারী অসাধু চক্রের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখতে এবং অবৈধ বালু উত্তোলন পুরোপুরি বন্ধ করতে স্থানীয় সচেতন মহল প্রশাসনের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে। নদী তীরবর্তী এলাকার সাধারণ মানুষ আশা প্রকাশ করেছেন যে, প্রশাসনের এই নিয়মিত অভিযানের ফলে অবৈধ বালু ব্যবসায়ীরা আর মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না। এতে করে এলাকার কৃষি জমি এবং বসতভিটা নদী ভাঙনের মারাত্মক ঝুঁকি থেকে রক্ষা পাবে।