জাতীয় ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড মুহাম্মদ ইউনূস একদল কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সমর্থকের হাতে পথরোধ ও হেনস্তার শিকার হয়েছেন। তিনি যখন অসুস্থ অবস্থায় হুইলচেয়ারে বসে বিমানবন্দর ত্যাগ করছিলেন, সে সময় তাকে ঘিরে ধরে কটূক্তি ও গালিগালাজ করা হয়। বিশ্বজুড়ে সমাদৃত একজন প্রবীণ ব্যক্তিত্বের সঙ্গে এমন অশালীন আচরণ নজিরবিহীন এবং এটি চরম রাজনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত একটি ঘটনা।বিমানবন্দরে নোবেলজয়ী এই গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদকে হেনস্তা করার এই অনভিপ্রেত ঘটনার পর তীব্র নিন্দা ও কঠোর প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় যুবশক্তি। সংগঠনটির তরফ থেকে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বলা হয়, চব্বিশের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকেই একটি মহল ক্রমাগত দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। চরম সংকটময় মুহূর্তে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব কাঁধে নেওয়া ড ইউনূসের মতো একজন আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্বকে অসম্মান করা কোনো সুস্থ রাজনীতির অংশ হতে পারে না।বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয় যে, এর আগে ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন শহরে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের নেতৃবৃন্দকে লক্ষ্য করে একই কায়দায় হামলা ও হেনস্তার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। সুদূর প্রবাসে বসে একটি বিশেষ রাজনৈতিক গোষ্ঠীর এই ধরনের উসকানিমূলক ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী কর্মকাণ্ড কেবল দেশের মর্যাদাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করছে না, বরং প্রবাসীদের মধ্যেও চরম অসন্তোষ তৈরি করছে। বিদেশি মাটিতে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার এমন অপচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না বলে মন্তব্য করে সংগঠনটি।এ ধরনের হীন কর্মকাণ্ড ও মিথ্যা অপপ্রচার রোধে দেশের সকল স্তরের দেশপ্রেমিক নাগরিকদের অত্যন্ত সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে জাতীয় যুবশক্তি। তারা দৃঢ়কণ্ঠে ঘোষণা করেছে যে, কোনো ধরনের হুমকি বা অপমান করে জুলাইয়ের মহান চেতনাকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়। ছাত্র-জনতার রক্তে অর্জিত বিপ্লবকে নস্যাৎ করে রাজনৈতিকভাবে পুনর্বাসিত হওয়ার যেকোনো ধরনের ষড়যন্ত্র দেশের তরুণ সমাজ ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করবে।
জাতীয় ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড মুহাম্মদ ইউনূস একদল কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সমর্থকের হাতে পথরোধ ও হেনস্তার শিকার হয়েছেন। তিনি যখন অসুস্থ অবস্থায় হুইলচেয়ারে বসে বিমানবন্দর ত্যাগ করছিলেন, সে সময় তাকে ঘিরে ধরে কটূক্তি ও গালিগালাজ করা হয়। বিশ্বজুড়ে সমাদৃত একজন প্রবীণ ব্যক্তিত্বের সঙ্গে এমন অশালীন আচরণ নজিরবিহীন এবং এটি চরম রাজনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত একটি ঘটনা।
বিমানবন্দরে নোবেলজয়ী এই গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদকে হেনস্তা করার এই অনভিপ্রেত ঘটনার পর তীব্র নিন্দা ও কঠোর প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় যুবশক্তি। সংগঠনটির তরফ থেকে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বলা হয়, চব্বিশের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকেই একটি মহল ক্রমাগত দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। চরম সংকটময় মুহূর্তে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব কাঁধে নেওয়া ড ইউনূসের মতো একজন আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্বকে অসম্মান করা কোনো সুস্থ রাজনীতির অংশ হতে পারে না।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয় যে, এর আগে ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন শহরে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের নেতৃবৃন্দকে লক্ষ্য করে একই কায়দায় হামলা ও হেনস্তার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। সুদূর প্রবাসে বসে একটি বিশেষ রাজনৈতিক গোষ্ঠীর এই ধরনের উসকানিমূলক ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী কর্মকাণ্ড কেবল দেশের মর্যাদাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করছে না, বরং প্রবাসীদের মধ্যেও চরম অসন্তোষ তৈরি করছে। বিদেশি মাটিতে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার এমন অপচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না বলে মন্তব্য করে সংগঠনটি।
এ ধরনের হীন কর্মকাণ্ড ও মিথ্যা অপপ্রচার রোধে দেশের সকল স্তরের দেশপ্রেমিক নাগরিকদের অত্যন্ত সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে জাতীয় যুবশক্তি। তারা দৃঢ়কণ্ঠে ঘোষণা করেছে যে, কোনো ধরনের হুমকি বা অপমান করে জুলাইয়ের মহান চেতনাকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়। ছাত্র-জনতার রক্তে অর্জিত বিপ্লবকে নস্যাৎ করে রাজনৈতিকভাবে পুনর্বাসিত হওয়ার যেকোনো ধরনের ষড়যন্ত্র দেশের তরুণ সমাজ ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করবে।