ঢাকা ০১:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo সাগরে তেল-গ্যাসের ইজারা পেছাল ৪ মাস Logo ঐকমত্য চান শিক্ষাবিদেরা, বিরোধী দল অংশ নেবে, আশা সরকারের Logo বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি সীমিত করছে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় Logo বৈদেশিক মুদ্রাসহ প্রায় ২৪ কেজি সোনা–রুপার অলংকার মিলল পাগলা মসজিদের দানসিন্দুকে Logo বিশ্ববাজারে চিংড়ির প্রতিযোগিতা বাড়াতে ৬০০ চাষিকে নিয়ে উদ্যোগ Logo স্কুলে শিক্ষক–শিক্ষিকার মারামারির ভিডিও ভাইরাল, পরে যা জানা গেল Logo ফরিদপুর মেডিকেলে বাক্সবন্দী ২৩ কোটি টাকার যন্ত্র, অ্যাম্বুলেন্স ভাড়াও গায়েব Logo প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি লটারিতে, অন্যগুলোতে পরীক্ষার মাধ্যমে Logo বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে দরপত্রের সময়সীমা বৃদ্ধি Logo সমাজে নারীর অবস্থান নিয়ে আমাদের নতুন করে ভাবতে হবে: সারা হোসেন
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

বৈদেশিক মুদ্রাসহ প্রায় ২৪ কেজি সোনা–রুপার অলংকার মিলল পাগলা মসজিদের দানসিন্দুকে

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:৩১:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক: কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানসিন্দুক বা সিন্দুকগুলো থেকে এবার রেকর্ড পরিমাণ সোনা, রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রা উদ্ধার করা হয়েছে। সম্প্রতি নিয়মিত নিয়ম অনুযায়ী মসজিদের সিন্দুকগুলো খোলার পর সেখানে বিপুল পরিমাণ সম্পদ পাওয়া যায়। সাধারণত তিন থেকে চার মাস পরপর এই সিন্দুকগুলো খোলা হলেও এবার একটু দীর্ঘ সময় পর সেগুলো খোলা হয়েছিল। আর এতেই মিলেছে ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ এই দানসামগ্রী।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দীর্ঘ সময় পর দানবাক্সগুলো খোলার পর গণনার কাজ শুরু করেন নানা পেশার মানুষ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা। দীর্ঘক্ষণ ধরে গণনার পর দেখা যায়, দানসিন্দুকে নগদ টাকার পাশাপাশি জমা পড়েছে প্রায় ২৪ কেজি সোনা ও রুপার অলংকার। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সৌদি আরবসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন অঙ্কের বৈদেশিক মুদ্রাও পাওয়া গেছে এসব বাক্সে।

স্থানীয় প্রশাসন ও মসজিদ কমিটির তত্ত্বাবধানে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে এই অর্থ ও সম্পদ গণনার কাজ পরিচালিত হয়। সাধারণত ছুটির দিন বা বিশেষ সময়ে এই ঐতিহাসিক মসজিদে মানুষের ঢল নামে এবং তারা বিপুল পরিমাণে নগদ অর্থ, সোনাদানা ও বিভিন্ন জিনিসপত্র দান করে থাকেন। এসব দানের অর্থ মসজিদ ও এর সাথে জড়িত একটি বড় মাদ্রাসার খরচ ছাড়াও জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কাজে ব্যয় করা হয়।

পাগলা মসজিদের এই দানবাক্সগুলো খোলার পর প্রতিবারই নতুন নতুন রেকর্ড তৈরি হয়, যা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি, বরং সোনা-রুপার অলংকার ও বৈদেশিক মুদ্রার পরিমাণ আগের সব রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে। স্থানীয়রা মনে করেন, এই মসজিদের প্রতি মানুষের অগাধ বিশ্বাস ও ভক্তি রয়েছে, যে কারণে সর্বস্তরের মানুষ এখানে মুক্তহস্তে দান করে থাকেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাগরে তেল-গ্যাসের ইজারা পেছাল ৪ মাস

বৈদেশিক মুদ্রাসহ প্রায় ২৪ কেজি সোনা–রুপার অলংকার মিলল পাগলা মসজিদের দানসিন্দুকে

আপডেট সময় ১২:৩১:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানসিন্দুক বা সিন্দুকগুলো থেকে এবার রেকর্ড পরিমাণ সোনা, রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রা উদ্ধার করা হয়েছে। সম্প্রতি নিয়মিত নিয়ম অনুযায়ী মসজিদের সিন্দুকগুলো খোলার পর সেখানে বিপুল পরিমাণ সম্পদ পাওয়া যায়। সাধারণত তিন থেকে চার মাস পরপর এই সিন্দুকগুলো খোলা হলেও এবার একটু দীর্ঘ সময় পর সেগুলো খোলা হয়েছিল। আর এতেই মিলেছে ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ এই দানসামগ্রী।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দীর্ঘ সময় পর দানবাক্সগুলো খোলার পর গণনার কাজ শুরু করেন নানা পেশার মানুষ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা। দীর্ঘক্ষণ ধরে গণনার পর দেখা যায়, দানসিন্দুকে নগদ টাকার পাশাপাশি জমা পড়েছে প্রায় ২৪ কেজি সোনা ও রুপার অলংকার। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সৌদি আরবসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন অঙ্কের বৈদেশিক মুদ্রাও পাওয়া গেছে এসব বাক্সে।

স্থানীয় প্রশাসন ও মসজিদ কমিটির তত্ত্বাবধানে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে এই অর্থ ও সম্পদ গণনার কাজ পরিচালিত হয়। সাধারণত ছুটির দিন বা বিশেষ সময়ে এই ঐতিহাসিক মসজিদে মানুষের ঢল নামে এবং তারা বিপুল পরিমাণে নগদ অর্থ, সোনাদানা ও বিভিন্ন জিনিসপত্র দান করে থাকেন। এসব দানের অর্থ মসজিদ ও এর সাথে জড়িত একটি বড় মাদ্রাসার খরচ ছাড়াও জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কাজে ব্যয় করা হয়।

পাগলা মসজিদের এই দানবাক্সগুলো খোলার পর প্রতিবারই নতুন নতুন রেকর্ড তৈরি হয়, যা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি, বরং সোনা-রুপার অলংকার ও বৈদেশিক মুদ্রার পরিমাণ আগের সব রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে। স্থানীয়রা মনে করেন, এই মসজিদের প্রতি মানুষের অগাধ বিশ্বাস ও ভক্তি রয়েছে, যে কারণে সর্বস্তরের মানুষ এখানে মুক্তহস্তে দান করে থাকেন।