আপডেট সময়
০৪:৪৬:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
০
বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশে লোটোর ১৫ বছর: কাপাসিয়ায় নতুন কারখানা
অর্থনীতি ডেস্ক: জনপ্রিয় স্পোর্টি লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড লোটো বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রমের সফল দেড় দশক বা ১৫ বছর পূর্ণ করেছে। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকার গুলশান ক্লাবে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে এই উদ্যাপন সম্পন্ন হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধি, প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক অংশীদার এবং লোটো বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তাঁরা ব্র্যান্ডটির গত পনেরো বছরের পথচলার বিভিন্ন অর্জন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সবার সামনে তুলে ধরেন।যাত্রা শুরুর পর থেকে এই ব্র্যান্ডটি দেশের ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী আন্তর্জাতিক মানের ফুটওয়্যার, অ্যাপারেল ও বিভিন্ন ধরনের অ্যাকসেসরিজ সরবরাহ করে আসছে। বর্তমানে দেশজুড়ে লোটোর বিশাল নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে, যার মধ্যে ১৩৭টি ফ্ল্যাগশিপ এবং ১১০টি ফ্র্যাঞ্চাইজিসহ মোট ২৪৭টি আউটলেট রয়েছে। গ্রাহকদের আস্থা ও ভালোবাসার ওপর ভর করেই ব্র্যান্ডটি আজ দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় লাইফস্টাইল ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করেন।পনেরো বছর পূর্তির এই বিশেষ উপলক্ষকে স্মরণীয় করে রাখতে গাজীপুরের কাপাসিয়ায় একটি নতুন কারখানার উদ্বোধন করেছে লোটো বাংলাদেশ। আধুনিক প্রযুক্তি এবং দক্ষ জনবলের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এই কারখানায় টিপিআর, ইভিএ, পিইউ ও পিভিসিভিত্তিক বিভিন্ন ধরনের স্পোর্টস ও লেদার ফুটওয়্যার উৎপাদিত হবে। প্রতিষ্ঠানটির মতে, এই বিশ্বমানের কারখানাটি শুধু দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণই করবে না, বরং আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের উৎপাদন সক্ষমতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে একটি বিশেষ উদ্যোগের ঘোষণা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। সারা দেশে নতুন উদ্যোক্তা তৈরি এবং স্থানীয় ব্যবসা প্রসারে খুব শীঘ্রই ‘উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচি’ বা এন্টারপ্রেনিউর ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম চালু করা হবে। এই কর্মসূচির আওতায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সম্ভাবনাময় তরুণদের চিহ্নিত করে টেকসই ব্যবসার রূপরেখা দেওয়া হবে, যার মাধ্যমে সফল উদ্যোক্তারা আগামী দশ বছরে পর্যায়ক্রমে কুড়িটি পর্যন্ত নিজস্ব দোকান পরিচালনা করতে পারবেন।অনুষ্ঠানে লোটো বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী জামিল ইসলাম বলেন, মাত্র একজন গ্রাহক নিয়ে শুরু হওয়া এই দীর্ঘ যাত্রার প্রধান চালিকাশক্তি ছিল ক্রেতাদের আস্থাবান ভালোবাসা। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে দেশের তরুণ সমাজই তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি এবং সঠিক সুযোগ পেলে এই তরুণরাই কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে গ্রাহকদের সেবা দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে লোটো বাংলাদেশ তাদের এই সফল যাত্রাকে অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে।
অর্থনীতি ডেস্ক: জনপ্রিয় স্পোর্টি লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড লোটো বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রমের সফল দেড় দশক বা ১৫ বছর পূর্ণ করেছে। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকার গুলশান ক্লাবে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে এই উদ্যাপন সম্পন্ন হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধি, প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক অংশীদার এবং লোটো বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তাঁরা ব্র্যান্ডটির গত পনেরো বছরের পথচলার বিভিন্ন অর্জন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সবার সামনে তুলে ধরেন।
যাত্রা শুরুর পর থেকে এই ব্র্যান্ডটি দেশের ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী আন্তর্জাতিক মানের ফুটওয়্যার, অ্যাপারেল ও বিভিন্ন ধরনের অ্যাকসেসরিজ সরবরাহ করে আসছে। বর্তমানে দেশজুড়ে লোটোর বিশাল নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে, যার মধ্যে ১৩৭টি ফ্ল্যাগশিপ এবং ১১০টি ফ্র্যাঞ্চাইজিসহ মোট ২৪৭টি আউটলেট রয়েছে। গ্রাহকদের আস্থা ও ভালোবাসার ওপর ভর করেই ব্র্যান্ডটি আজ দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় লাইফস্টাইল ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করেন।
পনেরো বছর পূর্তির এই বিশেষ উপলক্ষকে স্মরণীয় করে রাখতে গাজীপুরের কাপাসিয়ায় একটি নতুন কারখানার উদ্বোধন করেছে লোটো বাংলাদেশ। আধুনিক প্রযুক্তি এবং দক্ষ জনবলের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এই কারখানায় টিপিআর, ইভিএ, পিইউ ও পিভিসিভিত্তিক বিভিন্ন ধরনের স্পোর্টস ও লেদার ফুটওয়্যার উৎপাদিত হবে। প্রতিষ্ঠানটির মতে, এই বিশ্বমানের কারখানাটি শুধু দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণই করবে না, বরং আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের উৎপাদন সক্ষমতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে একটি বিশেষ উদ্যোগের ঘোষণা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। সারা দেশে নতুন উদ্যোক্তা তৈরি এবং স্থানীয় ব্যবসা প্রসারে খুব শীঘ্রই ‘উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচি’ বা এন্টারপ্রেনিউর ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম চালু করা হবে। এই কর্মসূচির আওতায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সম্ভাবনাময় তরুণদের চিহ্নিত করে টেকসই ব্যবসার রূপরেখা দেওয়া হবে, যার মাধ্যমে সফল উদ্যোক্তারা আগামী দশ বছরে পর্যায়ক্রমে কুড়িটি পর্যন্ত নিজস্ব দোকান পরিচালনা করতে পারবেন।
অনুষ্ঠানে লোটো বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী জামিল ইসলাম বলেন, মাত্র একজন গ্রাহক নিয়ে শুরু হওয়া এই দীর্ঘ যাত্রার প্রধান চালিকাশক্তি ছিল ক্রেতাদের আস্থাবান ভালোবাসা। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে দেশের তরুণ সমাজই তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি এবং সঠিক সুযোগ পেলে এই তরুণরাই কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে গ্রাহকদের সেবা দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে লোটো বাংলাদেশ তাদের এই সফল যাত্রাকে অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে।