ঢাকা ০১:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুই ইউনিটে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা স্থাপন Logo যুক্তরাষ্ট্রে ড. ইউনূসকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ সমর্থকদের হেনস্তায় যুবশক্তির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ Logo আমিরাতে কর্মসংস্থানের নতুন দুয়ার খুলতে মাহ্দী আমিনের বৈঠক Logo চুয়েটের আন্দোলনে ‘রাজনীতি’ দেখছেন সরকারের কেউ কেউ, শিক্ষার্থীরা বলছেন ভিন্ন কথা Logo বঙ্গোপসাগরে নজরদারি করবে ৪ স্যাটেলাইট, কীভাবে কাজ করবে এ ব্যবস্থা? Logo ‘আর্জেন্টিনা ছাড়ার সময় মেসি কতটা কষ্ট পেয়েছিল, তা সবাই দেখেছি’ Logo প্রবাসীদের সম্পদ রক্ষায় বিশেষ আদালত গঠনের কথা ভাবছে সরকার Logo তরুণ ও পেশাজীবীদের উদ্ভাবনী আইডিয়া আহ্বান করছে বিদ্যুৎ বিভাগ Logo দুর্গাপূজায় নৌপথে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধসহ ১৬ নির্দেশনা Logo ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ সম্প্রসারণে ডেসকোর ত্রিপক্ষীয় চুক্তি
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

বঙ্গোপসাগরে নজরদারি করবে ৪ স্যাটেলাইট, কীভাবে কাজ করবে এ ব্যবস্থা?

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:১৬:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

প্রযুক্তি ডেস্ক: বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদার করতে এবং অবৈধ কার্যক্রম কঠোরহস্তে দমন করতে যুগোপযোগী এক পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। সাগরের জলসীমায় চলাচলকারী বিভিন্ন নৌযানের সঠিক অবস্থান ও গতিবিধি নির্ভুলভাবে পর্যবেক্ষণ করার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিএল)। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশের বিশাল সমুদ্রসীমায় নজরদারির ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা অনেকটাই কেটে যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

এই বিশেষ প্রকল্পের মূল ভিত্তি হলো মহাকাশ থেকে তথ্য সংগ্রহকারী চারটি অত্যাধুনিক স্যাটেলাইট। এসব উপগ্রহের মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরের নির্দিষ্ট জলসীমায় ২৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন নজরদারি চালানো সম্ভব হবে। এর ফলে সাগরে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজ, ফিশিং ট্রলার বা অন্য কোনো জলযানের গতিপ্রকৃতি সবসময় কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের নখদর্পণে থাকবে, যা উপকূলীয় এলাকার সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থাকে আরও সুদৃঢ় করবে।

এই উদ্যোগের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো বঙ্গোপসাগরে অবৈধ, অনিবন্ধিত ও নিয়মবহির্ভূত মৎস্য শিকার রোধ করা। অতীতে নিয়মিত নজরদারির অভাবে বিদেশি বা স্থানীয় ট্রলারের মাধ্যমে বাংলাদেশের জলসীমা থেকে অবৈধভাবে মাছ তুলে নেওয়ার প্রবণতা দেখা যেত। নতুন এই স্যাটেলাইট ব্যবস্থা চালু হলে কোনো জলযান অবৈধভাবে প্রবেশ করলেই তা তৎক্ষণাৎ শনাক্ত করা যাবে এবং দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হবে।

প্রযুক্তিগত এই ব্যবস্থার সফল বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে দেশের ব্লু-ইকোনমি বা সুনীল অর্থনীতি সুরক্ষা পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। সামুদ্রিক সম্পদের সঠিক সংরক্ষণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি জলসীমায় সংঘটিত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমনে এটি একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে। বিএসসিএল-এর এই দূরদর্শী পরিকল্পনা দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতে সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুই ইউনিটে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা স্থাপন

বঙ্গোপসাগরে নজরদারি করবে ৪ স্যাটেলাইট, কীভাবে কাজ করবে এ ব্যবস্থা?

আপডেট সময় ১২:১৬:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

প্রযুক্তি ডেস্ক: বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদার করতে এবং অবৈধ কার্যক্রম কঠোরহস্তে দমন করতে যুগোপযোগী এক পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। সাগরের জলসীমায় চলাচলকারী বিভিন্ন নৌযানের সঠিক অবস্থান ও গতিবিধি নির্ভুলভাবে পর্যবেক্ষণ করার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিএল)। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশের বিশাল সমুদ্রসীমায় নজরদারির ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা অনেকটাই কেটে যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

এই বিশেষ প্রকল্পের মূল ভিত্তি হলো মহাকাশ থেকে তথ্য সংগ্রহকারী চারটি অত্যাধুনিক স্যাটেলাইট। এসব উপগ্রহের মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরের নির্দিষ্ট জলসীমায় ২৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন নজরদারি চালানো সম্ভব হবে। এর ফলে সাগরে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজ, ফিশিং ট্রলার বা অন্য কোনো জলযানের গতিপ্রকৃতি সবসময় কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের নখদর্পণে থাকবে, যা উপকূলীয় এলাকার সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থাকে আরও সুদৃঢ় করবে।

এই উদ্যোগের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো বঙ্গোপসাগরে অবৈধ, অনিবন্ধিত ও নিয়মবহির্ভূত মৎস্য শিকার রোধ করা। অতীতে নিয়মিত নজরদারির অভাবে বিদেশি বা স্থানীয় ট্রলারের মাধ্যমে বাংলাদেশের জলসীমা থেকে অবৈধভাবে মাছ তুলে নেওয়ার প্রবণতা দেখা যেত। নতুন এই স্যাটেলাইট ব্যবস্থা চালু হলে কোনো জলযান অবৈধভাবে প্রবেশ করলেই তা তৎক্ষণাৎ শনাক্ত করা যাবে এবং দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হবে।

প্রযুক্তিগত এই ব্যবস্থার সফল বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে দেশের ব্লু-ইকোনমি বা সুনীল অর্থনীতি সুরক্ষা পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। সামুদ্রিক সম্পদের সঠিক সংরক্ষণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি জলসীমায় সংঘটিত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমনে এটি একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে। বিএসসিএল-এর এই দূরদর্শী পরিকল্পনা দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতে সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।