ঢাকা ০৮:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo শিশুর ডিএনএ টেস্টের দাবি, বাংলাদেশে চাইলেই কি এই টেস্ট করা যায়? Logo অর্থনীতি পাল্টে দিচ্ছে বিশ্বরাজনীতি Logo ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১২টি ভাষা শেখার সুযোগ Logo ছোট পর্দায় বাংলাদেশ-আফগানিস্তান টেস্টের সঙ্গে থাকছে চ্যাম্পিয়নস লিগের অনেক ম্যাচ Logo দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় মাঠে থাকবে ১০ হাজার বিজিবি Logo ‘প্রাথমিক শাখা’ চালুর গুজবে ক্লাসবর্জন করে বিক্ষোভ শিক্ষার্থীদের Logo নানা কর্মসূচিতে সারা দেশে কন্যাশিশু দিবস পালিত Logo ৩৪ কোটি টাকার ম্যাটস এখন নেশাখোরদের আস্তানা Logo এলপিজির সংকট বাড়ছেই, মাঠের চিত্র পায়নি সরকার Logo ডাক্তারদের প্রাইভেট ফি নির্ধারণের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় মাঠে থাকবে ১০ হাজার বিজিবি

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৭:০১:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক: সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ব্যাপক নিরাপত্তা প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এই আয়োজনে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে সারা দেশে প্রায় ১০ হাজার বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্য মোতায়েন করা হবে। আগামী ১৬ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত এই বিশেষ দায়িত্ব পালন করবেন সীমান্তরক্ষী বাহিনীর এই সদস্যরা। সম্প্রতি বিজিবি সদর দপ্তরের পক্ষ থেকে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজিবি সদর দপ্তরের অপারেশন পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমান গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, পূজা উপলক্ষে একটি সমন্বিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় নিয়মিত টহল কার্যক্রম জোরদার করার পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ বাহিনী এবং পূজা উদ্‌যাপন কমিটির সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগের মাধ্যমে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে। সম্ভাব্য সব ধরনের ঝুঁকি আগে থেকেই চিহ্নিত করে তা মোকাবিলার প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।

নিরাপত্তা পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরে ওই কর্মকর্তা জানান, সীমান্তের আট কিলোমিটারের মধ্যে এবং ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরের কাছাকাছি এলাকাসমূহের মোট দুই হাজার ৭২৭টি পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা সহায়তা দেবে বিজিবি। যেসব মণ্ডপ তুলনামূলকভাবে দূরবর্তী বা দুর্গম স্থানে অবস্থিত, সেখানে দ্রুত সাহায্য ও টহল পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যক অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করা হবে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়ানো কিংবা যেকোনো ধরনের সাম্প্রদায়িক উসকানি প্রতিরোধে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

রাজধানী ঢাকার ক্ষেত্রে নিরাপত্তার পরিধি ও সদস্য মোতায়েন সরকারের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশনা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চাহিদার ওপর নির্ভর করবে বলে জানানো হয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে টহল দল প্রস্তুত রাখা হবে। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের এক দীর্ঘ ঐতিহ্যের দেশ উল্লেখ করে বিজিবি জানিয়েছে, সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যাতে সম্পূর্ণ নিরাপদে ও আনন্দের সঙ্গে তাঁদের উৎসব উদ্‌যাপন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে তারা সর্বাত্মকভাবে প্রস্তুত রয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

শিশুর ডিএনএ টেস্টের দাবি, বাংলাদেশে চাইলেই কি এই টেস্ট করা যায়?

দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় মাঠে থাকবে ১০ হাজার বিজিবি

আপডেট সময় ০৭:০১:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ব্যাপক নিরাপত্তা প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এই আয়োজনে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে সারা দেশে প্রায় ১০ হাজার বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্য মোতায়েন করা হবে। আগামী ১৬ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত এই বিশেষ দায়িত্ব পালন করবেন সীমান্তরক্ষী বাহিনীর এই সদস্যরা। সম্প্রতি বিজিবি সদর দপ্তরের পক্ষ থেকে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজিবি সদর দপ্তরের অপারেশন পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমান গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, পূজা উপলক্ষে একটি সমন্বিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় নিয়মিত টহল কার্যক্রম জোরদার করার পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ বাহিনী এবং পূজা উদ্‌যাপন কমিটির সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগের মাধ্যমে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে। সম্ভাব্য সব ধরনের ঝুঁকি আগে থেকেই চিহ্নিত করে তা মোকাবিলার প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।

নিরাপত্তা পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরে ওই কর্মকর্তা জানান, সীমান্তের আট কিলোমিটারের মধ্যে এবং ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরের কাছাকাছি এলাকাসমূহের মোট দুই হাজার ৭২৭টি পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা সহায়তা দেবে বিজিবি। যেসব মণ্ডপ তুলনামূলকভাবে দূরবর্তী বা দুর্গম স্থানে অবস্থিত, সেখানে দ্রুত সাহায্য ও টহল পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যক অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করা হবে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়ানো কিংবা যেকোনো ধরনের সাম্প্রদায়িক উসকানি প্রতিরোধে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

রাজধানী ঢাকার ক্ষেত্রে নিরাপত্তার পরিধি ও সদস্য মোতায়েন সরকারের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশনা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চাহিদার ওপর নির্ভর করবে বলে জানানো হয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে টহল দল প্রস্তুত রাখা হবে। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের এক দীর্ঘ ঐতিহ্যের দেশ উল্লেখ করে বিজিবি জানিয়েছে, সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যাতে সম্পূর্ণ নিরাপদে ও আনন্দের সঙ্গে তাঁদের উৎসব উদ্‌যাপন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে তারা সর্বাত্মকভাবে প্রস্তুত রয়েছে।