আপডেট সময়
০৫:৪৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
০
বার পড়া হয়েছে
ইসরায়েলের রাস্তায় হাজারো মানুষ, ইহুদি-আরব সরকার গঠনের দাবি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসরায়েলের বিভিন্ন সড়কে হাজার হাজার মানুষ সমবেত হয়ে একটি নতুন রাজনৈতিক পরিবর্তনের দাবিতে জোরালো আন্দোলন শুরু করেছেন। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দেশটির সাধারণ নাগরিকরা ভেদাভেদ ভুলে একসঙ্গে বসবাসের পক্ষে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করছেন। বিক্ষোভকারীদের হাতে থাকা বিভিন্ন ফেস্টুনে সম্প্রীতি ও বন্ধুত্বের বার্তা ফুটে ওঠে, যা পুরো অঞ্চলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।আন্দোলনকারীরা এই সময় বেশ কিছু প্রগতিশীল ও শান্তির সপক্ষে স্লোগান দেন। তাদের মুখে বারবার উচ্চারিত হয় যে ইহুদি ও আরব জনগোষ্ঠী কখনোই একে অপরের শত্রু হতে পারে না। বর্ণবাদী ব্যবস্থার অবসান ঘটিয়ে একটি সমন্বিত ও বহুত্ববাদী সমাজ গঠনের ওপর তারা বিশেষভাবে জোর দেন।বিক্ষোভের মূল দাবিগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল বর্তমান রাজনৈতিক সংকটের বাইরে এসে ইহুদি ও আরব রাজনৈতিক দলগুলোর যৌথ অংশগ্রহণে একটি নতুন সরকার গঠন করা। অংশগ্রহণকারীরা মনে করেন, একমাত্র পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমেই দেশের চলমান বিভাজন দূর করা সম্ভব। তাদের এই শান্তিপূর্ণ কিন্তু দৃঢ় আন্দোলন সরকারের নীতিনির্ধারকদের ওপর নতুন করে চাপ সৃষ্টি করেছে।ইসরায়েলের বৈচিত্র্যময় সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে নিজেদের সংহতি প্রকাশ করেছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতির মধ্যেও বিক্ষোভকারীরা অত্যন্ত শৃঙ্খলিতভাবে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যান। এই আন্দোলন দেশটির ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমীকরণে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসরায়েলের বিভিন্ন সড়কে হাজার হাজার মানুষ সমবেত হয়ে একটি নতুন রাজনৈতিক পরিবর্তনের দাবিতে জোরালো আন্দোলন শুরু করেছেন। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দেশটির সাধারণ নাগরিকরা ভেদাভেদ ভুলে একসঙ্গে বসবাসের পক্ষে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করছেন। বিক্ষোভকারীদের হাতে থাকা বিভিন্ন ফেস্টুনে সম্প্রীতি ও বন্ধুত্বের বার্তা ফুটে ওঠে, যা পুরো অঞ্চলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
আন্দোলনকারীরা এই সময় বেশ কিছু প্রগতিশীল ও শান্তির সপক্ষে স্লোগান দেন। তাদের মুখে বারবার উচ্চারিত হয় যে ইহুদি ও আরব জনগোষ্ঠী কখনোই একে অপরের শত্রু হতে পারে না। বর্ণবাদী ব্যবস্থার অবসান ঘটিয়ে একটি সমন্বিত ও বহুত্ববাদী সমাজ গঠনের ওপর তারা বিশেষভাবে জোর দেন।
বিক্ষোভের মূল দাবিগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল বর্তমান রাজনৈতিক সংকটের বাইরে এসে ইহুদি ও আরব রাজনৈতিক দলগুলোর যৌথ অংশগ্রহণে একটি নতুন সরকার গঠন করা। অংশগ্রহণকারীরা মনে করেন, একমাত্র পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমেই দেশের চলমান বিভাজন দূর করা সম্ভব। তাদের এই শান্তিপূর্ণ কিন্তু দৃঢ় আন্দোলন সরকারের নীতিনির্ধারকদের ওপর নতুন করে চাপ সৃষ্টি করেছে।
ইসরায়েলের বৈচিত্র্যময় সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে নিজেদের সংহতি প্রকাশ করেছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতির মধ্যেও বিক্ষোভকারীরা অত্যন্ত শৃঙ্খলিতভাবে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যান। এই আন্দোলন দেশটির ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমীকরণে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।