আপডেট সময়
০৩:০২:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
২
বার পড়া হয়েছে
ইউরোপে সাইবার হামলার নতুন লক্ষ্য ফ্রান্সের ‘ব্লাড ব্যাংক’
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইউরোপজুড়ে সাইবার হামলার ধারাবাহিকতায় এবার ফ্রান্সের জাতীয় রক্ত সরবরাহ সংস্থার নিয়ন্ত্রণব্যবস্থায় হ্যাকারেরা হানা দিয়েছে। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় রক্ত ও রক্তের উপাদান সংরক্ষণের তিনটি হিমাগারের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণব্যবস্থায় অবৈধভাবে পরিবর্তন আনা হয়। তবে সংস্থাটির ভেতরের সতর্ক সংকেত ব্যবস্থা দ্রুত সক্রিয় হয়ে ওঠায় রক্ত নষ্ট হওয়ার আগেই প্রযুক্তিবিদেরা জরুরি পদক্ষেপ নিতে সক্ষম হন।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই ডিজিটাল অনুপ্রবেশের সময় হিমাগারগুলোর তাপমাত্রা ও বরফ গলানোর নির্ধারিত সীমা অত্যন্ত উচ্চমাত্রায় বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। আক্রান্ত হিমাগারগুলো সরাসরি মূল সংস্থার একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে আসছিল। তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের ক্ষতি এড়াতে সেখানে থাকা প্লাজমার ব্যাগসহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদানগুলো নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, যা পরবর্তীতে রক্ত পরিসঞ্চালন এবং জীবনরক্ষাকারী ওষুধ তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।ঘটনার পর পরই ফ্রান্সের জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা এবং দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে সব ধরনের চিকিৎসা সরঞ্জামের ওপর নজরদারি বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, সরকারিভাবে দেশটির প্রায় এক হাজার নয় শোর বেশি হাসপাতালে রক্ত, প্লাজমা এবং প্লাটিলেট সংগ্রহ, পরীক্ষা ও সরবরাহ করে থাকে এই প্রতিষ্ঠানটি।এর আগে ইউরোপের প্রায় এক ডজন দেশের সুপারমার্কেটের ফ্রিজ ও ফ্রিজারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সাইবার হামলার ঘটনা ঘটেছিল, যাতে কয়েক মিলিয়ন ইউরোর খাদ্যপণ্য নষ্ট হয়েছিল। ইতালি, জার্মানি ও যুক্তরাজ্য ছাড়াও বেশ কিছু দেশ এই ধরনের ডিজিটাল নাশকতাতার শিকার হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে এই ঘটনাগুলো কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় এবং অপরাধীদের চিহ্নিত করতে কাজ চলছে।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইউরোপজুড়ে সাইবার হামলার ধারাবাহিকতায় এবার ফ্রান্সের জাতীয় রক্ত সরবরাহ সংস্থার নিয়ন্ত্রণব্যবস্থায় হ্যাকারেরা হানা দিয়েছে। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় রক্ত ও রক্তের উপাদান সংরক্ষণের তিনটি হিমাগারের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণব্যবস্থায় অবৈধভাবে পরিবর্তন আনা হয়। তবে সংস্থাটির ভেতরের সতর্ক সংকেত ব্যবস্থা দ্রুত সক্রিয় হয়ে ওঠায় রক্ত নষ্ট হওয়ার আগেই প্রযুক্তিবিদেরা জরুরি পদক্ষেপ নিতে সক্ষম হন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই ডিজিটাল অনুপ্রবেশের সময় হিমাগারগুলোর তাপমাত্রা ও বরফ গলানোর নির্ধারিত সীমা অত্যন্ত উচ্চমাত্রায় বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। আক্রান্ত হিমাগারগুলো সরাসরি মূল সংস্থার একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে আসছিল। তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের ক্ষতি এড়াতে সেখানে থাকা প্লাজমার ব্যাগসহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদানগুলো নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, যা পরবর্তীতে রক্ত পরিসঞ্চালন এবং জীবনরক্ষাকারী ওষুধ তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।
ঘটনার পর পরই ফ্রান্সের জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা এবং দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে সব ধরনের চিকিৎসা সরঞ্জামের ওপর নজরদারি বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, সরকারিভাবে দেশটির প্রায় এক হাজার নয় শোর বেশি হাসপাতালে রক্ত, প্লাজমা এবং প্লাটিলেট সংগ্রহ, পরীক্ষা ও সরবরাহ করে থাকে এই প্রতিষ্ঠানটি।
এর আগে ইউরোপের প্রায় এক ডজন দেশের সুপারমার্কেটের ফ্রিজ ও ফ্রিজারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সাইবার হামলার ঘটনা ঘটেছিল, যাতে কয়েক মিলিয়ন ইউরোর খাদ্যপণ্য নষ্ট হয়েছিল। ইতালি, জার্মানি ও যুক্তরাজ্য ছাড়াও বেশ কিছু দেশ এই ধরনের ডিজিটাল নাশকতাতার শিকার হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে এই ঘটনাগুলো কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় এবং অপরাধীদের চিহ্নিত করতে কাজ চলছে।