আপডেট সময়
০৩:০০:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
৫
বার পড়া হয়েছে
হেফাজতের নেতৃত্বে ঐক্য প্রক্রিয়ায় মতবিরোধ, সন্দেহ কেন জামায়াতের
রাজনীতি ডেস্ক: দেশের ইসলামপন্থী দলগুলোকে এক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসার সাম্প্রতিক উদ্যোগ বা ঐক্য প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভিন্ন প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। হেফাজতের ইসলামীর নেতৃত্বে পরিচালিত এই তৎপরতার নেপথ্যে আসলে কী ধরনের উদ্দেশ্য কাজ করছে, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে নানা আলোচনা চলছে। বিশেষ করে এই জোটে কারা যুক্ত হচ্ছে এবং তাদের দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য কী, তা নিয়ে জনমনে কৌতূহল ও সংশয় দুটোই রয়েছে।<pবিশ্লেষকদের একটি অংশের মতে, এই ধরনের নতুন জোট গঠনের পেছনে ক্ষমতাসীন মহলের কোনো বিশেষ কৌশলও থাকতে পারে। তাদের ধারণা, জামায়াতে ইসলামীকে বাদ দিয়ে অন্যান্য ইসলামপন্থী দলগুলোকে একটি স্বতন্ত্র ধারায় একত্রিত করার ক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকেও কোনো ধরনের ভূমিকা রাখা হতে পারে। মূলত ক্ষমতার সমীকরণ বা রাজনৈতিক ভারসাম্যের হিসাব-নিকাশ থেকেই এমন একটি আলাদা জোট গড়ে ওঠার প্রেক্ষাপট তৈরি হচ্ছে বলে অনেকে মনে করছেন।তবে এই ঐক্য প্রক্রিয়াকে ঘিরে সবচেয়ে বেশি সন্দেহ ও অবিশ্বাসের সৃষ্টি হয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভেতরে। জামায়াতের নীতিনির্ধারক ও শুভানুধ্যায়ীদের একটি বড় অংশ মনে করছে, ইসলামপন্থী শক্তিগুলোকে বিভক্ত করার কোনো গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাদের প্রশ্ন, দীর্ঘদিন ধরে যেসব দল ভিন্ন মতাদর্শে বিশ্বাসী ছিল, তারা হঠাৎ করে কোন স্বার্থে এবং কার ইশারায় একসঙ্গে জোটে ভিড়ছে।সবমিলিয়ে, হেফাজতের নেতৃত্বে এই নতুন মোর্চা গঠনের উদ্যোগের প্রকৃত সুফল বা পরিণতি কী হবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা সতর্ক দৃষ্টি রাখছেন। বিভিন্ন মহলের নানা ধরনের মন্তব্যে বিষয়টি দিন দিন আরও জটিল হয়ে উঠছে। শেষ পর্যন্ত এই ঐক্য প্রক্রিয়া কতদূর এগোতে পারবে এবং ইসলামপন্থী দলগুলোর পারস্পরিক সম্পর্কে এর কী প্রভাব পড়বে, তা সময়ই বলে দেবে।
রাজনীতি ডেস্ক: দেশের ইসলামপন্থী দলগুলোকে এক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসার সাম্প্রতিক উদ্যোগ বা ঐক্য প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভিন্ন প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। হেফাজতের ইসলামীর নেতৃত্বে পরিচালিত এই তৎপরতার নেপথ্যে আসলে কী ধরনের উদ্দেশ্য কাজ করছে, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে নানা আলোচনা চলছে। বিশেষ করে এই জোটে কারা যুক্ত হচ্ছে এবং তাদের দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য কী, তা নিয়ে জনমনে কৌতূহল ও সংশয় দুটোই রয়েছে।
<pবিশ্লেষকদের একটি অংশের মতে, এই ধরনের নতুন জোট গঠনের পেছনে ক্ষমতাসীন মহলের কোনো বিশেষ কৌশলও থাকতে পারে। তাদের ধারণা, জামায়াতে ইসলামীকে বাদ দিয়ে অন্যান্য ইসলামপন্থী দলগুলোকে একটি স্বতন্ত্র ধারায় একত্রিত করার ক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকেও কোনো ধরনের ভূমিকা রাখা হতে পারে। মূলত ক্ষমতার সমীকরণ বা রাজনৈতিক ভারসাম্যের হিসাব-নিকাশ থেকেই এমন একটি আলাদা জোট গড়ে ওঠার প্রেক্ষাপট তৈরি হচ্ছে বলে অনেকে মনে করছেন।
তবে এই ঐক্য প্রক্রিয়াকে ঘিরে সবচেয়ে বেশি সন্দেহ ও অবিশ্বাসের সৃষ্টি হয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভেতরে। জামায়াতের নীতিনির্ধারক ও শুভানুধ্যায়ীদের একটি বড় অংশ মনে করছে, ইসলামপন্থী শক্তিগুলোকে বিভক্ত করার কোনো গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাদের প্রশ্ন, দীর্ঘদিন ধরে যেসব দল ভিন্ন মতাদর্শে বিশ্বাসী ছিল, তারা হঠাৎ করে কোন স্বার্থে এবং কার ইশারায় একসঙ্গে জোটে ভিড়ছে।
সবমিলিয়ে, হেফাজতের নেতৃত্বে এই নতুন মোর্চা গঠনের উদ্যোগের প্রকৃত সুফল বা পরিণতি কী হবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা সতর্ক দৃষ্টি রাখছেন। বিভিন্ন মহলের নানা ধরনের মন্তব্যে বিষয়টি দিন দিন আরও জটিল হয়ে উঠছে। শেষ পর্যন্ত এই ঐক্য প্রক্রিয়া কতদূর এগোতে পারবে এবং ইসলামপন্থী দলগুলোর পারস্পরিক সম্পর্কে এর কী প্রভাব পড়বে, তা সময়ই বলে দেবে।