আপডেট সময়
০৫:০০:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
২
বার পড়া হয়েছে
স্ট্রোক ও স্নায়ুরোগীদের পুনর্বাসনে সমন্বিত সেবার তাগিদ
স্বাস্থ্য ডেস্ক: স্ট্রোক, স্পাইনাল কর্ড ইনজুরি এবং ট্রমাটিক ব্রেন ইনজুরির মতো জটিল স্নায়বিক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের দৈনন্দিন জীবনে স্বনির্ভর করে তুলতে এবং সামাজিক কার্যক্রমে তাদের অংশগ্রহণ বাড়াতে সমন্বিত পুনর্বাসন সেবার কোনো বিকল্প নেই। সম্প্রতি বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের কনফারেন্স কক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ কর্মশালায় দেশের জ্যেষ্ঠ চিকিৎসাবিদেরা এই অভিমত ব্যক্ত করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগের উদ্যোগে এবং জেনারাস কো. লিমিটেডের সহযোগিতায় এই কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়, যা সফলভাবে বাস্তবায়নে সহায়তা করে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি বা জাইকা।নিউরো রিহ্যাবিলিটেশন ২০২৬ শীর্ষক এই কর্মশালার মূল লক্ষ্য ছিল স্নায়ুরোগ চিকিৎসার অভিজ্ঞতা পারস্পরিক বিনিময়ের মাধ্যমে সেবার মান উন্নত করা এবং বিভিন্ন চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর সম্পর্ক গড়ে তোলা। এর মাধ্যমে বাংলাদেশে আধুনিক, যুগোপযোগী এবং পুরোপুরি রোগীকেন্দ্রিক পুনর্বাসন চিকিৎসা সম্প্রসারণের পথ আরও প্রশস্ত হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী এবং সভাপতিত্ব করেন ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এম এ শাকুর।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন উপ-উপাচার্যবৃন্দ, সেন্টার ফর দ্য রিহ্যাবিলিটেশন অব দ্য প্যারালাইজড বা সিআরপি-র প্রতিষ্ঠাতা ও সমন্বয়ক ড. ভ্যালেরি এ টেলর এবং জাইকা বাংলাদেশের সিনিয়র প্রতিনিধি মরিকাওয়া ইয়োকো। এছাড়া দেশের বিভিন্ন খ্যাতনামা হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরাও এই আয়োজনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। উদ্বোধনী অধিবেশন ও গণমাধ্যমের সঙ্গে মতবিনিময়ের পাশাপাশি নানা কারিগরি সেশনের মধ্য দিয়ে দেশের নিউরো রিহ্যাবিলিটেশন খাতের বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং উত্তরণের উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।বিশেষজ্ঞরা তাদের বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, গুরুতর স্নায়বিক আঘাত বা স্ট্রোকের শিকার রোগীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা ও বিশেষ যত্নের প্রয়োজন হয়। সঠিক পুনর্বাসন পরিকল্পনা এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের স্বাস্থ্য পেশাজীবীদের সমন্বিত অংশগ্রহণের মাধ্যমে এসব রোগীর অবশিষ্ট কার্যক্ষমতা পুরোপুরি কাজে লাগানো সম্ভব। আয়োজকদের প্রত্যাশা, এই কর্মশালার মাধ্যমে চিকিৎসক ও চিকিৎসাসংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি স্নায়ুরোগীদের উন্নত সেবা পাওয়ার পথ আরও সুগম হবে।
স্বাস্থ্য ডেস্ক: স্ট্রোক, স্পাইনাল কর্ড ইনজুরি এবং ট্রমাটিক ব্রেন ইনজুরির মতো জটিল স্নায়বিক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের দৈনন্দিন জীবনে স্বনির্ভর করে তুলতে এবং সামাজিক কার্যক্রমে তাদের অংশগ্রহণ বাড়াতে সমন্বিত পুনর্বাসন সেবার কোনো বিকল্প নেই। সম্প্রতি বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের কনফারেন্স কক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ কর্মশালায় দেশের জ্যেষ্ঠ চিকিৎসাবিদেরা এই অভিমত ব্যক্ত করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগের উদ্যোগে এবং জেনারাস কো. লিমিটেডের সহযোগিতায় এই কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়, যা সফলভাবে বাস্তবায়নে সহায়তা করে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি বা জাইকা।
নিউরো রিহ্যাবিলিটেশন ২০২৬ শীর্ষক এই কর্মশালার মূল লক্ষ্য ছিল স্নায়ুরোগ চিকিৎসার অভিজ্ঞতা পারস্পরিক বিনিময়ের মাধ্যমে সেবার মান উন্নত করা এবং বিভিন্ন চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর সম্পর্ক গড়ে তোলা। এর মাধ্যমে বাংলাদেশে আধুনিক, যুগোপযোগী এবং পুরোপুরি রোগীকেন্দ্রিক পুনর্বাসন চিকিৎসা সম্প্রসারণের পথ আরও প্রশস্ত হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী এবং সভাপতিত্ব করেন ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এম এ শাকুর।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন উপ-উপাচার্যবৃন্দ, সেন্টার ফর দ্য রিহ্যাবিলিটেশন অব দ্য প্যারালাইজড বা সিআরপি-র প্রতিষ্ঠাতা ও সমন্বয়ক ড. ভ্যালেরি এ টেলর এবং জাইকা বাংলাদেশের সিনিয়র প্রতিনিধি মরিকাওয়া ইয়োকো। এছাড়া দেশের বিভিন্ন খ্যাতনামা হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরাও এই আয়োজনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। উদ্বোধনী অধিবেশন ও গণমাধ্যমের সঙ্গে মতবিনিময়ের পাশাপাশি নানা কারিগরি সেশনের মধ্য দিয়ে দেশের নিউরো রিহ্যাবিলিটেশন খাতের বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং উত্তরণের উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
বিশেষজ্ঞরা তাদের বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, গুরুতর স্নায়বিক আঘাত বা স্ট্রোকের শিকার রোগীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা ও বিশেষ যত্নের প্রয়োজন হয়। সঠিক পুনর্বাসন পরিকল্পনা এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের স্বাস্থ্য পেশাজীবীদের সমন্বিত অংশগ্রহণের মাধ্যমে এসব রোগীর অবশিষ্ট কার্যক্ষমতা পুরোপুরি কাজে লাগানো সম্ভব। আয়োজকদের প্রত্যাশা, এই কর্মশালার মাধ্যমে চিকিৎসক ও চিকিৎসাসংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি স্নায়ুরোগীদের উন্নত সেবা পাওয়ার পথ আরও সুগম হবে।